বিদ্যুতের তার পরিবর্তনের আগে বিদ্যুৎ ব্যবহারকারী সমস্ত সরঞ্জাম বন্ধ করতে হবে। বিদ্যুৎ পরিবহনের জন্য ব্যবহৃত খুঁটিতে জেনারেটর অথবা কেবল টিভির তার লাগানো যাবে না। এ থেকে জেনারেটর অথবা কেবল টিভির কর্মীদের মৃত্যু পর্যন্ত ঘটতে পারে। বিদ্যুৎ অফিসের অনুমতি ছাড়া খুঁটিতে ওঠা যাবে না। বৈদ্যুতিক খুঁটিকে খাড়া রাখতে ব্যবহৃত টানা অথবা আরদিংয়ের জন্য মাটিতে ঢোকানো তার কাটা যাবে না। কারণ এ থেকে যে কোনও মুহূর্তে দুর্ঘটনা ঘটতে পারে। বাড়ির আশপাশে অস্থায়ীভাবে তার এবং রড লাগিয়ে আর্থ সংযোগ করা যাবে না। এতে প্রাণহানির আশঙ্কা থাকে। হুকিং ট্যাপিং করতে গিয়ে অনেক দুর্ঘটনা ঘটে। এতে অনেক প্রাণহানি হয়। বিদ্যুৎ সরবরাহকারী ট্রান্সফরমারের ক্ষতির সম্ভাবনা থাকে। সর্বতো ভাবে চেষ্টা করতে হবে যাতে হুকিং ট্যাপিং বন্ধ করা যায়। কেউ বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হলে তাকে খালি হাতে স্পর্শ করা যাবে না। কোনও শুকনো বাঁশ কাঠ বা অপরিবাহী দড়ির সাহায্যে বিদ্যুৎস্পৃষ্ট ব্যক্তিকে ছাড়াতে হবে। অবস্থান অনুযায়ী মেইন সুইচ বা নিকটস্থ আইসোলেটর বন্ধ করে আগে বিদ্যুৎ সংযোগ বিচ্ছিন্ন করতে হবে। কোথাও বিদ্যুতের তার ছেঁড়া অবস্থায় পড়ে থাকলে ওই তার ছোঁয়া যাবে না এবং অন্য কাউকে ছুঁতে দেওয়া যাবে না। অবিলম্বে নিকটবর্তী কাস্টমার কেয়ার সেন্টারে অথবা ইলেকট্রিক অফিসে খবর দিতে হবে। বিদ্যুতের তার রাস্তার জলে অথবা পুকুরের জলে পড়ে থাকলে ওই জল ছোঁয়া যাবে না অথবা কাউকে ছুঁতে দেওয়া যাবে না এবং তৎক্ষণাৎ ওই ঘটনা বিদ্যুৎ অফিসে জানাতে হবে। ইলেকট্রিক তারের পাশে অথবা নীচে গাছ লাগানো যাবে না। যদি গাছ থাকে তা হলে কাস্টমার কেয়ার সেন্টার অথবা সাব স্টেশনের কর্মীদের জানিয়ে বৈদ্যুতিন লাইন অফ করে ও কাস্টমার কেয়ার সেন্টারের কর্মীদের উপস্থিতিতে ও অনুমতি নিয়ে গাছ কাটা যাবে। উচ্চক্ষমতা সম্পন্ন তড়িৎবাহী তারের নীচে কোনও বসতবাড়ি তৈরি করা যাবে না। বিদ্যুৎ ব্যবহারজনিত কোনও বিষয়ে সংশয়ের ক্ষেত্রে নিকটবর্তী কাস্টমার কেয়ার সেন্টারে যোগাযোগ করতে হবে। সূত্র : পঞ্চায়েতী রাজ, জানুয়ারি ২০১৫