টিভি, কম্পিউটার, অডিও সিস্টেম ব্যবহার না করার সময় পাওয়ার সুইচ ‘অফ’ রাখুন। কম্পিউটার চালু রেখে উঠে গেলে মনিটারটি বন্ধ করে যান। কম্পিউটারের স্ক্রিন সেভারে বিদ্যুৎ খরচ বেশি হয়। ব্যবহার না করার সময় কম্পিউটার সম্পূর্ণ বন্ধ রাখাই বাঞ্ছনীয়। এতে বিদ্যুতের সাশ্রয় হয়। ফ্রিজের জমে থাকা বরফ নিয়মিত পরিষ্কার করা উচিত। এর ফলে ফ্রিজ চলার সময় বেশ কিছুটা বিদ্যুৎ সাশ্রয় হয়। দেওয়াল ও ফ্রিজের মধ্যে ব্যবধান রাখতে হবে যাতে ঠিকমতো বায়ু চলাচল করতে পারে। রেফ্রিজারেটরের দরজা ভালো করে বন্ধ করুন, যাতে এয়ারটাইট বা বায়ুনিরোধক থাকে। আশ্চর্য হলেও সত্যি যে খালি ফ্রিজের চেয়ে ভর্তি ফ্রিজে কম বিদ্যুৎ খরচ হয়। কারণ, খালি ফ্রিজে প্রতি বার দরজা খোলার সময় ঠান্ডা হাওয়া বেরিয়ে যায় এবং গরম হাওয়া ঢোকে। ফলে ফ্রিজ ফের ঠান্ডা করার জন্য দ্বিগুণ বিদ্যুতের প্রয়োজন হয়। এই কারণে ফ্রিজ খালি না রেখে তাতে জলের প্যকেট বা ব্যাগ রেখে দেওয়া উচিত। জমে যাওয়া বরফ ঠান্ডা হাওয়া বেরিয়ে যেতে দেয় না। যে কারণে অতিরিক্ত বিদ্যুৎ প্রয়োজন হয় না। লোডশেডিংয়ের সময় বরফের ব্যাগ ফ্রিজ ঠান্ডা রাখতে সাহায্য করে। গরম অবস্থায় কোনও খাদ্যবস্তু ফ্রিজে কখনও ঢোকাবেন না। ওয়াশিং মেশিন সম্পূর্ণ ভর্তি অবস্থায় ব্যবহার করবেন। এয়ার কন্ডিশনার ব্যবহার করলে তাতে অটোমেটিক ‘পাওয়ার অফ’ ব্যবস্থা থাকলে ভালো হয়। এয়ার কন্ডিশনার চালানোর সময় পাখা চালিয়ে দেওয়া উচিত, যাতে ঘরের সর্বত্র ঠান্ডা হাওয়া সমান ভাবে ছড়িয়ে পড়তে পারে। এই অবস্থায় বেশি তাপমাত্রায় যন্ত্রটি ব্যবহার করা সম্ভব হয়। এয়ার কন্ডিশনার ব্যবহারের সময় জানলা-দরজা ভালো করে বন্ধ রাখুন। এয়ার কন্ডিশনার খোলা রোদে না রেখে গাছপালা দিয়ে ঢেকে রাখলে অনেকটা শক্তি সাশ্রয় হয়। উৎসঃ পোর্টাল কনটেন্ট টিম 1. Guide on Energy-Efficient Room Air Conditioner 2. Guide on Energy-Efficient Home Refrigerator