অসমীয়া   বাংলা   बोड़ो   डोगरी   ગુજરાતી   ಕನ್ನಡ   كأشُر   कोंकणी   संथाली   মনিপুরি   नेपाली   ଓରିୟା   ਪੰਜਾਬੀ   संस्कृत   தமிழ்  తెలుగు   ردو

সজনে

সজনে

সজনে ডাঁটা, পাতা ও ফুল, তিনেরই উপকারিতা আছে।

সজনে ডাঁটা একটি মরসুমি ফল। আয়ুর্বেদে দু’ ধরনের সজনের উল্লেখ আছে -- লাল ও সবুজ সজনে। লাল সজনে এখন আর চোখে পড়ে না। সবুজ সজনে পাওয়া যায়। এখন বাণিজ্যিক ভাবে কেউ সজনে লাগায় না। চৈত্র মাসে মাত্র কিছু দিনের জন্য সজনে পাওয়া যায়। কারণ পরিকল্পিত ভাবে এ গাছ কেউ চাষ করে না। ডাল মাটিতে পুঁতে দিলে গাছ হয়। অথচ সজনের অনেক গুণ। সজনের পাতা, ফুল ও ছাল সবই উপকারী।

আয়ুর্বেদ মতে সজনে ক্ষুধা বাড়ায়, বলবীর্য বৃদ্ধি করে। এতে রয়েছে ক্ষার ও লবণ। সজনে পেটের অসুখে উপকারী এবং বাত ও শ্লেষ্মা সারে। গোদ ও গলগণ্ড হলে সজনে খেতে বলা হয়। সজনে চোখের জন্যও ভালো। পেটে গ্যাস উৎপন্নে বাধা দেয়। সজনে সব ধরনের ব্যথা, কাশি, নাক-মুখ থেকে রক্ত পড়া বা রক্তপিত্ত সারায় ও শরীরের অনাকাঙ্ক্ষিত দাগ দূর করে।

শরীরের কোনও জায়গা ফুলে গেলে বা কারও বাত হলে সজনে বেসনের সাথে খড়খড়ে করে রান্না করে খেলে উপকার হবে। সজনে পাতা সামান্য জল দিয়ে বেঁটে রস বের করে সকাল-বিকেল দু’ চামচ করে খাবেন। উচ্চ রক্তচাপ কমবে। সজনে পাতা বেঁটে টিউমারে লাগালে বসে যাবে। কুষ্ঠরোগের প্রাথমিক অবস্থায় সজনে বীজের তেল বেশ কিছু দিন লাগালে সেরে যাওয়ার সম্ভাবনা থাকে। সজনের মূলের ছাল পিষে দাদ পরিষ্কার করে প্রলেপ দিলে দাদ ভালো হয়। সজনে পাতার ঝোল খেলে সর্দিজ্বর ভালো হয়। সজনে পাতা শাকের মতো রান্না করে বা ঝোল রান্না করে খেলে হজমশক্তি বৃদ্ধি পায় এবং মুখে রুচি আসে।

সজনে ফুল শাকের মতো রান্না করে খেলে জলবসন্ত হয় না। এ ছাড়া সজনেও বসন্ত প্রতিষেধক। চোখে যদি পিচুটি পড়ে, ব্যথা হয় বা চোখ দিয়ে জল পড়ে তা হলে সজনে পাতা সেদ্ধ জল দিয়ে চোখ ধুয়ে ফেললে সমস্যা চলে যায়।

তথ্যসূত্র : হেলথ বিডি সহ অন্যান্য সূত্র থেক সংগৃহীত



© 2006–2019 C–DAC.All content appearing on the vikaspedia portal is through collaborative effort of vikaspedia and its partners.We encourage you to use and share the content in a respectful and fair manner. Please leave all source links intact and adhere to applicable copyright and intellectual property guidelines and laws.
English to Hindi Transliterate