সব স্তরে স্বাস্থ্য পরিষেবার ক্ষেত্রে যুক্তিসম্মত, উন্নতমানের ব্যাথা উপশমকারী যত্ন প্রয়োজন। সেই লক্ষ্য নিয়েই কেন্দ্রীয় সরকার তৈরি করেছে উপশমকারী যত্নের জাতীয় কর্মসূচি। উদ্দেশ্য ১) জাতীয় স্বাস্থ্য কর্মসূচির মধ্যেই উপশমকারী পরিষেবা দেওয়ার ক্ষমতা উন্নয়ন করা হয়ে থাকে। ক্যানসার প্রতিরোধ এবং নিয়ন্ত্রণ, কার্ডিওভাসকুলার রোগ, ডায়াবেটিস এবং স্ট্রোক, প্রবীণদের স্বাস্থ্য সুরক্ষার জন্য জাতীয় কর্মসূচি, জাতীয় এইডস নিয়ন্ত্রণ কর্মসূচি এবং জাতীয় গ্রামীণ স্বাস্থ্য মিশনের মধ্যে এই কর্মসূচির বাস্তবায়ন করা হয়ে থাকে। ২) স্বাস্থ্য এবং বিজ্ঞানের জন্য আফিমের নিয়ন্ত্রিত ব্যবহার সুনিশ্চিত করতে আইন এবং নিয়ন্ত্রণ ব্যবস্থা। ৩) চিকিৎসা সিলেবাসের মধ্যে (ডাক্তারি, নার্সিং, ফার্মেসি এবং সামাজিক কর্মীদের কোর্সে) দীর্ঘস্থায়ী এবং উপশমকারী সেবা বিষয়টি সংযুক্ত করা। ৪) গোষ্ঠীর নিজস্ব উদ্যোগেই ব্যাথা উপশম এবং উপশমকারী সেবা সম্পর্কে সচেতনতা এবং দক্ষতা ও জ্ঞান বৃদ্ধি। ৫) দেশের বেসরকারি স্বাস্থ্য কেন্দ্রেগুলিতেও উন্নতমানের উপশমকারী পরিষেবা প্রদানের জন্য উৎসাহ দেওয়া। ৬) জাতীয় কর্মসূচির বাস্তবায়নে নিয়মিত উপশমকারী পরিষেবার মান উন্নয়ন ও কৌশলের পরিবর্তন। বাস্তবায়নের পদ্ধতি এই কর্মসূচি জাতীয় ক্যানসার প্রতিরোধ এবং নিয়ন্ত্রণ কর্মসূচি, সিভিডি, ডায়াবেটিস এবং স্ট্রোক কর্মসূচির মাধ্যমে বাস্তবায়িত হয়। কৌশলগত ভাবেই এই ধরনের জাতীয় কর্মসূচিকে এক ছাতার তলায় আনার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। যাতে মূল জাতীয় স্বাস্থ্য কর্মসূচি যেমন, এইডস, ক্যানসারের মতো অসংক্রামক রোগের মতো এই কর্মসূচি ফান্ড পাবে। স্বাস্থ্য এবং অর্থমন্ত্রক যৌথ ভাবে এই কর্মসূচিতে কাজ করার ফলে বিজ্ঞান এবং চিকিৎসার প্রয়োজনে আফিমের নিয়ন্ত্রিত ব্যবহার আইনগত সহায়তা পাবে।