তামাক ব্যবহারের কারণে একাধিক দীর্ঘস্থায়ী রোগ, ক্যানসার, ফুসফুসের রোগ, এবং কার্ডিওভাসকুলার রোগ হতে পারে। ভারত দ্বিতীয় বৃহত্তম তামাক উৎপাদক ও উপভোক্তা দেশ। তামাক ব্যবহারের বিভিন্ন ধরনে ভারত অনন্য। ধূমপানের ধরনে সিগারেট, বিড়ি ব্যবহার ছাড়াও বিভিন্ন ধোঁয়াহীন ধরনেও দেশের মধ্যে এটির ব্যবহার হয়। ভারত সরকার মে ২০০৩-এ, ‘সিগারেট এবং অন্যান্য তামাকজাত দ্রব্য (বিজ্ঞাপন এবং ব্যবসা ও বাণিজ্য, উৎপাদন, সরবরাহ নিয়ন্ত্রণ ও বিতরণ নিষিদ্ধ) আইন ২০০৩’ তৈরি করে। এর পাশপাশি হু-এর তামাক নিয়ন্ত্রণ কনভেনশন কর্মসূচিকে (হু-এফসিটিসি) অনুমোদন দেয় ভারত। তামাক নিয়ন্ত্রণ আইনকে সক্রিয় ভাবে বাস্তবায়িত করতে এবং তামাকের ক্ষতিকারক প্রভাব সম্পর্কে মানুষকে সচেতন করতে স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয় ২০০৭-০৮ সালে চালু করে জাতীয় তামাক নিয়ন্ত্রণ কর্মসূচি (এনটিসিপি)। ২১ রাজ্য/কেন্দ্রশাসিত অঞ্চলের ৪২ জেলায় এই কর্মসূচি চালু হয়। উদ্দেশ্য তামাক ব্যবহারের ক্ষতিকর প্রভাব ও তামাক নিয়ন্ত্রণ আইন সম্পর্কে সচেতনতা গড়ে তোলা । তামাক নিয়ন্ত্রণ আইন কার্যকর বাস্তবায়ন। এই কর্মসূচির উদ্দেশ্য তামাকের ব্যবহার নিয়ন্ত্রণ এবং এটি দ্বারা সৃষ্ট মৃত্যু হ্রাস করা । তামাক ব্যবহার নিয়ন্ত্রণ করতে বিভিন্ন কার্যক্রম নিম্নরূপ ১. প্রশিক্ষণ ও সক্ষমতা তৈরি ২. আইইসি কার্যকলাপ ৩. তামাক নিয়ন্ত্রণ আইনের প্রয়োগ পর্যবেক্ষণ এবং রিপোর্টিং ৪. সমীক্ষা এবং নজরদারি বিস্তারিত জানতে ক্লিক করুন : জাতীয় তামাক নিয়ন্ত্রণ কর্মসূচী