মেনোপজের পর হাড়ের ঘনত্ব কমে। ফলে হাতে ভর রেখে পড়ে গেলে কবজি ভেঙে যেতে পারে। প্রচণ্ড ব্যথা হয়। ফুলে যায়। একে বলে কলিস ফ্র্যাকচার। ধার থেকে অনেকটা কাটা চামচের মতো দেখতে লাগে বলে এর অন্য নাম ডিনার ফর্ক ডিফরমিটি। কী করবেন হাতের পাতা থেকে কনুই ৪ ইঞ্চি ক্রেপ ব্যান্ডেজ দিয়ে আলতো করে বাঁধুন। ৯০ ডিগ্রি কোণ করে গলায় ঝোলান। ব্যথা কমার ওষুধ খান। সঙ্গে অম্বলের ওষুধ। না ভাঙলে ৭ – ১০ দিন ক্রেপ ব্যান্ডেজ বেঁধে রাখুন। প্রয়োজনমতো ব্যথার ওষুধ খান। ব্যথা কমলে ব্যান্ডেজ খুলে কবজির ব্যায়াম করুন। হাত মুঠো করে সামনের দিকে ছড়িয়ে কবজি ধীরে ধীরে বিভিন্ন দিকে ঘোরানোর চেষ্টা করুন। যখন সময় পাবেন তখনই। ভেঙেছে কিন্তু হাড় সরেনি হাতের পাতা থেকে কনুই পর্যন্ত প্লাস্টার থাকবে ৪ – ৬ সপ্তাহ। আঙুল খোলা থাকবে। ৫ – ৭ দিন ব্যথা কমার ওষুধ খেতে হতে পারে। হাতের ব্যয়াম করতে হবে। আঙুল মুঠো করা, খোলা। কাঁধের কাছ থেকে হাতকে বিভিন্ন দিকে ঘোরানোর চেষ্টা করা। হাড়ের ঘনত্ব কম থাকলে এক-দেড় বছর ক্যালসিয়াম ট্যাবলেট খেতে হতে পারে। প্লাস্টার কাটার পর দিনে দু’ বার ১০ – ১৫ মিনিট করে গরম ঠান্ডা সেঁক দিন। হাতের ব্যায়াম চালিয়ে যান। কবজি নাড়াতে কষ্ট হলে ওয়াক্স বাথ নিতে হতে পারে। হাড় ভেঙে সরে গেলে অজ্ঞান করে হাড় টেনে সেট করে প্লাস্টার করা হয়। থাকে ৪ – ৬ সপ্তাহ। প্লাস্টার থাকাকালীন এবং কাটার পর হাড় না সরলে যা করার কথা সে সব করুন। খারাপ ভাঙা হলে এক্সটারনাল বা ইন্টারনাল ফিক্সেশনও করতে হতে পারে।