অসমীয়া   বাংলা   बोड़ो   डोगरी   ગુજરાતી   ಕನ್ನಡ   كأشُر   कोंकणी   संथाली   মনিপুরি   नेपाली   ଓରିୟା   ਪੰਜਾਬੀ   संस्कृत   தமிழ்  తెలుగు   ردو

কিডনি নিয়ে সাধারণ প্রশ্ন

কিডনি নিয়ে সাধারণ প্রশ্ন
  1. কিডনি
    1. কিডনির প্রয়োজনীয়তা
    2. কিডনির রোগের লক্ষণ কি
    3. কখন একজন উচ্চ রক্ত চাপ যুক্ত ব্যক্তির কিডনির রোগের ব্যাপারে সন্দেহ করা হয়
    4. কাদের কিডনির রোগ হবার সম্ভাবনা বেশি থাকে
    5. কিডনির রোগের নির্ণয় করার জন্য সাধারনত কোন কোন পরীক্ষা করাতে পরামর্শ দেওয়া হয়
    6. কিডনি ফেলিউর
    7. কিডনি ফেলিউরের নির্ণয় কিভাবে করা হয়
    8. কখন কিডনি বায়োপসি করতে পরামর্শ দেওয়া হয়
    9. কিডনি বায়োপসি কিভাবে করা হয়
  2. কিডনি ফেলিউরে
    1. কিডনি ফেলিউরে ভুগছেন এমন ব্যক্তির কি একটি কিডনি খারাপ হয় না দুটি কিডনিই একসাথে খারাপ হয়
    2. যদি দুটির মধ্যে কেবলমাত্র একটি কিডনি খারাপ হয়ে থাকে তাহলে কি কিডনি ফেলিউর হতে পারে
    3. Acute কিডনি ফেলিউর এবং ক্রনিক কিডনি ফেলিউর এর মধ্যে পার্থক্য
  3. পথ্য ক্রনিক কিডনি রোগ
    1. ক্রনিক কিডনি ডিসিজ এর রোগীদের কি কি খাদ্য পানীয়এর নিয়ন্ত্রণ করতে বলা হয়
    2. ক্রনিক কিডনি ডিসিজ এর রোগীরা কেন অবশ্যই তরল গ্রহনের উপর নিয়ন্ত্রণ রাখবেন
    3. কোন কোন খাবারে লবন (সডিআম) বেশি থাকে
    4. কোন কোন খাবারে পটাসিয়াম বেশি থাকে
    5. ক্রনিক কিডনি ডিসিজ এর রোগীরা কেন পটাসিয়াম নিয়ন্ত্রণ করবেন
  4. ডায়ালিসিস
    1. ডায়ালিসিস
    2. ক্রনিক কিডনি ডিসিজএর রোগীদের কখন ডায়ালিসিসএর দরকার হয়
    3. যদি কিডনি ফেলিউরের রোগীদের একবার ডায়ালিসিসএর করা হয় তাহলে কি তা পুরো জীবনের জন্য দরকার হয়
    4. কিভাবে হিমোডায়ালিসিস করা হয় ?
    5. হিমোডায়ালিসিস এ ব্যবহৃত এ. ভি. ফিস্টুলা কি ?
    6. সি. এ. পি. ডি. কি
    7. সি. এ. পি. ডি. কিভাবে করা হয়
  5. কিডনি প্রতিস্থাপনের
    1. কিডনি প্রতিস্থাপন এর প্রয়োজন কখন হয়
    2. কোন কোন ব্যক্তি কিডনি দান করতে পারেন ?
    3. কিডনি প্রতিস্থাপনের সুবিধা
    4. কিডনি প্রাপক কে কি কোনো ওষুধ সেবনের বা বিশেষ সতর্কতার প্রয়োজন হয়
  6. মৃত কিডনি প্রতিস্থাপনের
    1. মৃত বা মৃতবত(Deceased or cadaver) কিডনি ট্রান্সপ্লান্ট
    2. মানসিক ভাবে মৃত (Brain Death) ব্যক্তি
  7. ডায়াবেটিক কিডনীর
    1. ডায়াবিটিক কিডনি ডিসিজ এর ব্যাপারে জানা প্রয়োজন কেন
    2. কত জন ডায়াবিটিস এর রোগীর ডায়াবিটিক কিডনি ডিসিজ হয়
    3. ডায়াবিটিক কিডনি ডিসিজ এর সাধারণ লক্ষ্মন গুলি
    4. ডায়াবিটিক কিডনি ডিসিজ এর প্রতিরোধ কিভাবে করা সম্ভব
    5. ডায়াবিটিক কিডনি ডিসিজ এর চিকিত্সা
  8. পলিসিসটিক কিডনি ডিসিজ
    1. বংশ পরম্পরায় কত লোকের এই রোগ হবার সম্ভাবনা থাকে
    2. পলিসিসটিক কিডনি ডিসিজ কিডনি কে কিভাবে প্রভাবিত করে
    3. পলিসিসটিক কিডনি ডিসিজ এর নির্ণয় কিভাবে করা হয়

কিডনি

সাধারণত মানুষের শরীরে দুটি কিডনি থাকে। কিডনি পেটের ভিতরে, পিঠের দিকে, মেরুদন্ডের দু পাশে কোমরে অবস্থিত। কিডনি দেখতে সিম বিজের মত এবং আকারে হাতের মুঠোর মত হয় ।

কিডনির প্রয়োজনীয়তা

কিডনি আমাদের শরীরের রক্ত পরিশোধন করে, শরীরে তরল ও ধাতবের ভারসাম্য বজায় রাখে এবং রক্ত চাপ নিয়ন্ত্রণ করে। কিডনি লোহিত রক্ত কনিকা তৈরিতে এবং হাড়ের সাস্থ্য বজায় রাখতে সাহায্য করে।

কিডনির রোগের লক্ষণ কি

কিডনির রোগের লক্ষণ অনেক প্রকারের হয় আর তা রোগের প্রকার এবং গভীরতার উপর নির্ভর করে। সব থেকে বেশি দেখতে পাওয়া লক্ষণ গুলি হলো মুকমণ্ডল এর ফোলাভাব (বিশেষ করে সকালে), খুদামান্দা, বমিভাব, কম বয়সে উচ্চ রক্তচাপ, দুর্বলতা, মুত্রের পরিমান কমে যাওয়া, মুত্র ত্যাগের সময় জ্বলন বা অসুবিধা, মূত্রে রক্তের উপস্থিতি ।

কখন একজন উচ্চ রক্ত চাপ যুক্ত ব্যক্তির কিডনির রোগের ব্যাপারে সন্দেহ করা হয়

যদি খুব কম বয়সে উচ্চ রক্ত চাপ হয় ( ৩০ বছর বা তারও কম) , যদি নির্ণয়ের সময়ে রক্তচাপ অত্যাধিক বেশি থাকে, যদি রক্তচাপ সাধরণ ব্যবহৃত ওষুধের দ্বারা নিয়ন্ত্রণে না আসে।

কাদের কিডনির রোগ হবার সম্ভাবনা বেশি থাকে

যে কোনো মানুষেরই কিডনির রোগ হতে পারে। তথাপি যারা অনেক দিন ধরে উচ্চ রক্ত চাপ বা diabetes এ ভুগছেন বা দীর্ঘ দিন ধরে যন্ত্রনা নিবারক ওষুধের সেবন করে চলেছেন তাদের কিডনির রোগ হবার সম্ভাবনা বেশি থাকে। বংশগত কিডনির রোগ থাকলে বা মুত্র নালীর জন্মগত কোনো সমস্যা থাকলে কিডনির রোগ হবার সম্ভাবনা বেশি থাকে।

কিডনির রোগের নির্ণয় করার জন্য সাধারনত কোন কোন পরীক্ষা করাতে পরামর্শ দেওয়া হয়

ডাক্তার বাবু রোগীর রোগের উপর নির্ভর করে উপযুক্ত পরীক্ষার পরামর্শ দেন। মুত্রের পরীক্ষা, সিরাম ক্রিয়েটিনিন এবং আল্ট্রা সনগ্রাফি দ্বারা পরীক্ষা হলো সর্বাধিক প্রচলিত বা গুরুত্বপূর্ণ পরীক্ষা ।

কিডনি ফেলিউর

কিডনির পরিশোধন বা রেচন ক্ষমতা কমে যাওয়া কে কিডনি ফেলিউর বলে।

কিডনি ফেলিউরের নির্ণয় কিভাবে করা হয়

সিরাম ক্রিয়েটিনি, Blood Urea Nitrogen এবং eGFR হলো সর্বাধিক প্রচলিত কিডনি ফেলিউর এর রোগনির্ণয়ের পদ্ধতি।

কখন কিডনি বায়োপসি করতে পরামর্শ দেওয়া হয়

কিছু বিশেষ কিডনির রোগে সাধারণ পদ্ধতির দ্বারা রোগনির্নয় করা সম্ভব হয় না। সেই সব রোগীর ক্ষেত্রে কিডনি বায়োপসি হলো একমাত্র রোগ নির্ণয়ের পদ্ধতি।

কিডনি বায়োপসি কিভাবে করা হয়

সর্বাধিক প্রচলিত পদ্ধতি হলো Percutaneous Needle Biopsy । এই পদ্ধতিতে একটি ফাঁপা সুঁচ কিডনির চামড়ার ভিররে প্রবেশ করনা হয়।

কিডনি ফেলিউরে

কিডনি ফেলিউরে ভুগছেন এমন ব্যক্তির কি একটি কিডনি খারাপ হয় না দুটি কিডনিই একসাথে খারাপ হয়

দুটি কিডনিই খারাপ হলে তবেই কিডনি ফেলিউর হয়। সাধারণত যদি একটিমাত্র কিডনি পুরোপরি ফেলিউর হয়ে থাকে তাহলেও Blood Urea বা সিরাম ক্রিয়েটিনিন এর মাত্র স্বাভাভিক থাকে। কিন্তু যখন দুটি কিডনিই ফেলিউর হয়ে যায় তাহলে শরীরে বর্জ্য পদার্থ জমতে থাকে ফলে blood urea এবং সিরাম ক্রিয়েটিনিন এর মাত্রা বেশি হয়ে যায়। রক্তের এই বর্ধিত মাত্রা কিডনি ফেলিউর এর নিদর্শন।

যদি দুটির মধ্যে কেবলমাত্র একটি কিডনি খারাপ হয়ে থাকে তাহলে কি কিডনি ফেলিউর হতে পারে

না। যদি দুটি কিডনির মধ্যে একটি ফেলিউর বা অপসারিত হয় তাহলে অন্য স্বাভাভিক কিডনি টি শরীরের স্বাভাভিক কাজকর্ম ঠিক ভাবেই করতে পারে কারণ একটি মাত্র কিডনিই শরীরের স্বাভাভিক কাজকর্ম করার জন্য যথেষ্ট।

Acute কিডনি ফেলিউর এবং ক্রনিক কিডনি ফেলিউর এর মধ্যে পার্থক্য

Acute কিডনি ফেলিউরএ কিডনির কর্ম ক্ষমতা বিশেষ কারণে অল্প সময়ের জন্য ( কিছু ঘন্টা, দিন বা সপ্তাহ) বন্ধ হয়ে যায় বা কমে যায়। এই ধরনের কিডনি ফেলিউর অল্প সময়ের জন্যই হয় এবং পারে তা পুরোপরি ঠিক হয়ে যায়। কিন্তু দীর্ঘদিন ধরে(কয়েক মাস বা কয়েক বছর ধরে) ধীরে ধীরে পুরোপুরি ভাবে কিডনির কর্মক্ষমতা কমে যাওয়াকে ক্রনিক কিডনি ফেলিউর বলে। ইহা আরোগ্য অসাধ্য রোগ যেখানে কিডনির কর্মক্ষমতা দীর্ঘদিন ধরে কমতে কমতে এক সময় পুরোপরি কাজ করতে বন্ধ করে দেয়। এই ঘাতক এবং জীবন নাশক অবস্থা কেই বলা হয় এন্ড ষ্টেজ কিডনি ডিসিজ।

পথ্য ক্রনিক কিডনি রোগ

ক্রনিক কিডনি ডিসিজ এর রোগীদের কি কি খাদ্য পানীয়এর নিয়ন্ত্রণ করতে বলা হয়

ক্রনিক কিডনি ডিসিজ এর রোগীদের সুস্বাস্থ্য বজায় রাখার জন্য, কিডনির উপর বোঝ কম করার জন্য এবং শরীরে তরল এবং আয়ন এর নিয়ন্ত্রণ রাখার জন্য ডাক্তার বাবুর পরামর্শ মতো খাদ্য পানীয়য়ের নিয়ন্ত্রণ করা প্রয়োজন। খাদ্য পানীয়র নিয়ন্ত্রনের সাধারণ পরামর্শ গুলি হলো:

  • উচ্চ রক্ত চাপযুক্ত রোগীদের লবন গ্রহন এর নিয়ন্ত্রণ।
  • শরীরে ফোলাভাব থাকলে তরল এবং জল গ্রহন কম করা।
  • পটাসিয়াম এবং ফসফরাস এর নিয়ন্ত্রণ।
  • ০.৮ মি.গ্রা. প্রতি কে.জি বডি ওএট বা তারও কম প্রোটিন গ্রহন।
  • শরীরে যথেষ্ট পরিমানে শর্করা, ভিটামিনস এবং ট্রেস এলিমেন্টস এর পরিপূরণ।
  • ক্রনিক কিডনি ডিসিজ এর রোগীরা কেন অবশ্যই তরল গ্রহনের উপর নিয়ন্ত্রণ রাখবেন

    কিডনি যেমন যেমন খারাপ হতে থাকে থেক একই ভাবে মুত্রের পরিমান কমতে থাকে. মুত্রের পরিমান কম হবার ফলে শরীরে তরলের পরিমান বাড়তে থাকে এবং মুখ, পা ফুলে যায়. রক্ত চাপও বেড়ে যায়. ফুসফুসে তরল জমা হবার ফলে স্বাস প্রশ্বাসে কষ্ট হয়. যদি ইহার চিকিত্সা না হয় তাহলে তা প্রাণ নাশক হতে পারে. এইসব সমস্যার থেকে মুক্তির জন্য তরল গ্রহনের উপর নিয়ন্ত্রণ করতে বলা হয়

    কোন কোন খাবারে লবন (সডিআম) বেশি থাকে

    পাপড়, আচার, আলু চিপস, চিনা বাদাম ইত্যাদি.

    কোন কোন খাবারে পটাসিয়াম বেশি থাকে

    ফল, ফলের রস, ডাবের জল, শুকনো ফল ইত্যাদি.

    ক্রনিক কিডনি ডিসিজ এর রোগীরা কেন পটাসিয়াম নিয়ন্ত্রণ করবেন

    ক্রনিক কিডনি ডিসিজ এর রোগীদের শরীরের অতিরিক্ত পটাসিয়াম মুত্রের মাধ্যমে নিষ্কাশিত হতে পারে না, ফলে রক্তে পটাসিয়ামএর মাত্রা বাড়তে থাকে (হাইপারকালেমিয়া). বর্ধিত পটাসিয়ামএর মাত্রা মাংস পেশীকে দুর্বল করে এবং হৃদযন্ত্রের গতি অনিয়মিত হয়ে যায়. এর ফলে রোগীর মৃত্যু পর্যন্ত হতে পারে. ঠিক এই কারণেই ক্রনিক কিডনি ডিসিজ এর রোগীদের পটাসিয়াম গ্রহন নিয়ন্ত্রণ করতে পরামর্শ দেওয়া হয়.

    ডায়ালিসিস

    ডায়ালিসিস

    যখন কিডনি কাজ বন্ধ করে দেই তখন ডায়ালিসিস হলো একটি কৃত্রিম পদ্ধতি যার সাহায্যে শরীরের অপ্রয়োজনীয় বর্জ্য পদার্থ শরীর থেকে নিস্কাশন করা হয়. এটি হলো একটি জীবনদায়ী পদ্ধতি কিডনি ফেলিউরের রোগীদের জন্য. দু ধরনের ডায়ালিসিস হয়- হিমোডায়ালিসিস এবং পেরিটোনিয়াল ডায়ালিসিস.

    ক্রনিক কিডনি ডিসিজএর রোগীদের কখন ডায়ালিসিসএর দরকার হয়

    যখন কিডনির কর্মক্ষমতা ৮৫ থেকে ৯০ শতাংশ কমে যায় (এন্ড স্টেজ কিডনি ডিসিজ- ESKD), কিডনি শরীরের বর্জ্য পদার্থ নিকাশ করতে পারে না ফলে বমি-বমি ভাব, শ্বাসকষ্ট বা শরীর ফুলতে দেখা যায়. এমতাবস্থায় ডায়ালিসিসএর প্রয়োজন হয়. একজন ক্রনিক কিডনি ডিসিজএর রোগীর সিরাম ক্রিয়েটিনিন এর মাত্রা ৮ মি. গ্রা. প্রতি ডে. লি. বা তার বেশি হয় তখন ডায়ালিসিসএর প্রয়োজন হয়.

    যদি কিডনি ফেলিউরের রোগীদের একবার ডায়ালিসিসএর করা হয় তাহলে কি তা পুরো জীবনের জন্য দরকার হয়

    কতদিন ডায়ালিসিসএর প্রয়োজন হবে তা কিডনি ফেলিউরের ধরনের উপর নির্ভর করে. একিউট কিডনি ফেলিউরের রোগীদের জন্য অল্প সময়ের( কিছু দিন বা সপ্তাহ) জন্যই প্রয়োজন হয়. ক্রনিক কিডনি ডিসিজএর রোগীদের(এন্ড স্টেজ কিডনি ডিসিজ) ডায়ালিসিস পুরো জীবন দরকার হয়.

    কিভাবে হিমোডায়ালিসিস করা হয় ?

    এই পদ্ধতিতে ডায়ালিসিস মেশিন এবং ডায়ালাইজার(কৃত্রিম কিডনি) এর সাহায্যে রক্তের পরিশোধন করা হয়.

    হিমোডায়ালিসিস এ ব্যবহৃত এ. ভি. ফিস্টুলা কি ?

    আরটেরিওভেনাস ফিস্টুলা বা এ. ভি. ফিস্টুলা হলো সবথেকে প্রচলিত এবং সর্বশ্রেষ্ঠ পদ্ধতি ভাসকুলার্ এক্সেস এর জন্য.

    সি. এ. পি. ডি. কি

    কনটিনিউয়াস আমবুলেটরি পেরিটোনিয়াল ডায়ালিসিস(সি. এ. পি. ডি.) হলো প্রচলিত চিকিত্সা প্রণালী ক্রনিক কিডনি ডিসিজএর রোগীদের জন্য. সি. এ. পি. ডি. রোগী বাড়িতে বিনা মেশিনের সাহায্যই করতে পারেন. যেহেতু সি. এ. পি. ডি স্বাছন্দ্য এবং স্বাধীনতা প্রদান করে সেজন্য এই প্রণালী উন্নত দেশগুলিতে খুব জনপ্রিয়.

    সি. এ. পি. ডি. কিভাবে করা হয়

    সি. এ. পি. ডি. তে একটি পাতলা নালী যাকে ক্যাথিটার বলা হয় টা তলপেটে প্রবেশ করানো হয়. এই ক্যাথিটার এর মধ্য দিয়ে ডায়ালিসিস সলুসেন তলপেটের মধ্যে প্রবেশ করানো হয়. ডায়ালিসিস ফ্লুইড(ডায়ালাইজেট) পেরিটোনিয়াল কাভেটি তে বেশ কয়েক ঘন্টা থাকে(dwell time), ঠিক এই সময়েই রক্তের পরিশোধন হয়. এর পরে পি. ডি. ফ্লুইড, বর্জ্য পদার্থ এবং অতিরিক্ত ফ্লুইড ক্যাথিটার এর মাধ্যমে শরীরের বাইরে বের করে নেওয়া হয়.

    কিডনি প্রতিস্থাপনের

    কিডনি প্রতিস্থাপন এর প্রয়োজন কখন হয়

    ক্রনিক কিডনি ডিসিজ এর রোগীদের কিডনির কার্য ক্ষমতা যখন ৮৫ থেকে ৯০ % কমে যায়, তখন কিডনি প্রতিস্থাপন এর প্রয়োজন হয়.

    কোন কোন ব্যক্তি কিডনি দান করতে পারেন ?

    সুস্থ্য দুটি কিডনি যুক্ত মানুষ এবং যদি ব্লাড গ্রুপ, টিসু টাইপ যদি মিলে যায় তাহলে সেই ব্যক্তি কিডনি দান করতে পারেন. কিডনি দাতার বয়স ১৮ থেকে ৬৫ এর মধ্যে হওয়া দরকার. পিতা মাতা বা সন্তান দের দান করা কিডনির প্রতিস্থাপন সবথেকে বেশি সফল হয়. যদি জীবিত কিডনি দাতা না পাওয়া যায় তাহলে মৃত ব্যক্তির কিডনির উপর নির্ভর করতে হয়.

    কিডনি প্রতিস্থাপনের সুবিধা

    সফল কিডনি প্রতিস্থাপনের মুখ্য সুবিধাগুলি হলো উন্নত জীবন যাত্রার মান, ডায়ালিসিস থেকে মুক্তি, খাদ্য পানীয়র নিয়ন্ত্রণ থেকে মুক্তি এবং দীর্ঘ দিন বাঁচার সম্ভাবনা.

    কিডনি প্রাপক কে কি কোনো ওষুধ সেবনের বা বিশেষ সতর্কতার প্রয়োজন হয়

    হ্যা. কিডনি প্রতিস্থাপনের পরে সুস্হ্য জীবন যাপন করার জন্য নিয়মিত ওষুধ সেবন (যেমন ইমিউনোসাপ্রেসানটস ড্রাগস, এন্টিহাইপারটেনসিভ ড্রাগস, ভিটামিনস ইত্যাদি). এবং বিশেষ সতর্কতার প্রয়োজন হয়. সংক্রমণ প্রতিরোধ, নিয়মিত নেফ্রলজিসটস এর পরামর্শ এবং নিয়মিত ল্যাবরেটরি পরীক্ষার প্রয়োজন হয়.

    মৃত কিডনি প্রতিস্থাপনের

    মৃত বা মৃতবত(Deceased or cadaver) কিডনি ট্রান্সপ্লান্ট

    যে অপারেসেনের দ্বারা মানসিক ভাবে মৃত বা হৃদ রোগের কারণে মৃত ব্যক্তির সুস্থ্য কিডনি ক্রনিক কিডনি ডিসিজ এর রোগীর শরীরে প্রতিস্থাপন করা হয় তাকে মৃত বা মৃতবত(Deceased or cadaver) কিডনি ট্রান্সপ্লান্ট বলে.

    মানসিক ভাবে মৃত (Brain Death) ব্যক্তি

    ব্রেন ডেথ হলো পুরোপুরি ভাবে মস্তিস্কের কর্ম ক্ষমতা বন্ধ হয়ে যাওয়া যা কোনো ওষুধে বা শল্য চিকিত্সা তে ঠিক হয় না. ব্রেন ডেথ হলো হসপিটালের ভেন্টিলেটর এর সাহায্যে বেঁচে থাকা জ্ঞানহীন রোগীদের উপর করা একটি নির্ণয়. ভেনটিলেটর সাপোর্ট সরিয়ে নিলে ব্রেন ডেথের রোগীদের স্বাস প্রশ্বাস বা হৃদ যন্ত্রের গতি তৎক্ষনাত বন্ধ হয়ে যায়.

    ডায়াবেটিক কিডনীর

    ডায়াবিটিক কিডনি ডিসিজ এর ব্যাপারে জানা প্রয়োজন কেন

    ডায়াবিটিক কিডনি ডিসিজ (ডায়াবিটিক নেফ্রপ্যাথি) হলো ক্রনিক কিডনি ডিসিজ এর একটি মুখ্য কারণ. এন্ড স্টেজ কিডনি ডিসিজ এর নতুন রোগীদের মধ্যে ৪০ থেকে ৫০ শতাংশ রোগীর কিডনি খারাপ হবার কারণ হলো ডায়াবিটিস. সঠিক সময়ে রোগ নির্ণয় এবং চিকিত্সা ডায়াবিটিক কিডনি ডিসিজ কে প্রতিরোধ করতে পারে.

    কত জন ডায়াবিটিস এর রোগীর ডায়াবিটিক কিডনি ডিসিজ হয়

    ডায়াবিটিক কিডনি ডিসিজ এর রোগীর সংখ্যা খুব বেশি - সাধারনত ৩০ থেকে ৩৫% টাইপ -১ ডায়াবিটিস মেলিটাস এবং ১০ থেকে ৪০ % টাইপ-২ ডায়াবিটিস.

    ডায়াবিটিক কিডনি ডিসিজ এর সাধারণ লক্ষ্মন গুলি

    মূত্রে প্রোটিন, উচ্চ রক্তচাপ, হাঁটু, পা বা মুখ ফুলে যাওয়া, ইনসুলিনের প্রয়াজন কমে যাওয়া এবং ঘন ঘন রক্তের শর্করার মাত্র খুব কমে যাওয়া.

    ডায়াবিটিক কিডনি ডিসিজ এর প্রতিরোধ কিভাবে করা সম্ভব

    ডায়াবিটিক কিডনি ডিসিজ এর প্রতিরোধ করতে হলে:

    • ১. নিয়মিত ডাক্তারবাবুকে দিয়ে পরীক্ষা.
    • ২. ডায়াবিটিস এর উপর নিয়ন্ত্রণ. HbA1C লেভেল ৭ বা তার কম রাখা দরকার.
    • ৩. রক্তচাপ ১৩০/৮০ এর নিচে থাকা দরকার.
    • ৪. খাদ্যে নুন এবং চিনির পরিমান কম রাখা. বেশি প্রোটিন বা ফ্যাট যুক্ত খাবার না খাওয়া.
    • ৫. প্রতি বছর একবার করে কিডনির পরীক্ষা করানো দরকার.
    • ৬. নিয়মত শরীর চর্চা করা, ওজন নিয়ন্ত্রণে রাখা, মদ্য পান, তামাক সেবন বা যন্ত্রণা নাশক ওষুধ সেবন না করা.

    ডায়াবিটিক কিডনি ডিসিজ এর চিকিত্সা

    ডায়াবিটিক কিডনি ডিসিজ এর চিকিত্সার দুটি প্রধান পদক্ষেপ হলো ডায়াবিটিস এবং উচ্চ রক্তচাপের উপর নিয়ন্ত্রণ.

    পলিসিসটিক কিডনি ডিসিজ

    বংশ পরম্পরায় কত লোকের এই রোগ হবার সম্ভাবনা থাকে

    পলিসিসটিক কিডনি ডিসিজ একটি বংশগত রোগ. প্রত্যেক শিশুর মধ্যে ৫০:৫০ শতাংশ সম্ভাবনা থাকে.

    পলিসিসটিক কিডনি ডিসিজ কিডনি কে কিভাবে প্রভাবিত করে

    এই রোগে অনেক তরল ভর্তি বিভিন্ন আকারের সিস্ট(ছোট পিন এর আকারের বা ১০ সি.এম. পর্যন্ত). সময়ের সঙ্গে সঙ্গে এই সিস্ট গুলির আকার বড় হতে থাকে এবং কিডনির উপর চাপ দিতে থাকে যার ফলে উচ্চ রক্ত চাপের সৃষ্টি হয় এবং কিডনি পুরোপুরি ক্ষতিগ্রস্ত হয়ে যায়.

    পলিসিসটিক কিডনি ডিসিজ এর নির্ণয় কিভাবে করা হয়

    কিডনির আল্ট্রা সাউন্ড পরীক্ষা হলো সবথেকে প্রচলিত পরীক্ষা. এছাড়া CT স্ক্যান বা MRI স্ক্যান আরো সঠিক পরীক্ষা কিন্তু এগুলি ব্যয় সাপেক্ষ.

    সংকলন : কন্টেন্ট ম্যানেজমেন্ট টিম



    © 2006–2019 C–DAC.All content appearing on the vikaspedia portal is through collaborative effort of vikaspedia and its partners.We encourage you to use and share the content in a respectful and fair manner. Please leave all source links intact and adhere to applicable copyright and intellectual property guidelines and laws.
    English to Hindi Transliterate