অসমীয়া   বাংলা   बोड़ो   डोगरी   ગુજરાતી   ಕನ್ನಡ   كأشُر   कोंकणी   संथाली   মনিপুরি   नेपाली   ଓରିୟା   ਪੰਜਾਬੀ   संस्कृत   தமிழ்  తెలుగు   ردو

সিওপিডি (COPD)

সিওপিডি (COPD)

সিওপিডি কি ?


ক্রনিক অবস্ট্রাক্টিভ পুলমানারি ডিজিজ - ফুসফুসের একটা অসুখ যাতে নিঃশ্বাস নিতে অসুবিধা হয়। সময়ের সঙ্গে সঙ্গে এটা ধীরে ধীরে বাড়তে থাকে। সিওপিডি-র ফলে কাশি দেখা দেয়, সেই সঙ্গে কফ, নিঃশ্বাসে সাঁ সাঁ শব্দ, দম ফুরিয়ে যাওয়া, বুক হালকা লাগা, ইত্যাদি উপসর্গ থাকে। ধূমপানের সঙ্গে এই অসুখটি যুক্ত। যাঁদের এটা হয়, তাঁদের অনেকেই ধূমপান করেন বা এককালে করতেন। এছাড়া বাতাসের দূষণ, ধুলো, ধোঁয়া, ইত্যাদি যা আমাদের ফুসফুসে প্রদাহের সৃষ্টি করে তাদের জন্যেও এই রোগটি দেখা দিতে পারে।

সিওপিডি এর কারন


সিওপিডি-কে বুঝতে হলে আমাদের জানতে হবে - ফুসফুস কিভাবে কাজ করে। নিঃশ্বাস নিলে বাতাস আমাদের শ্বাসনালী দিয়ে ছোট ছোট নলী ব্রঙ্কিওল্স-এ যায়। এই নলীগুলির শেষে আবার নানা ক্ষুদ্র ক্ষুদ্র থলি অ্যালভিউহ্‌লাই (alveoli)। এই থলিগুলি থেকেই আমাদের রক্ত প্রয়োজনীয় অক্সিজেন সংগ্রহ করে। সিওপিডি-র ফলে এই থলিগুলিতে কম বাতাস যায়। কেন কম বাতাস যায়, তার নানাবিধ কারণ থাকতে পারে -

  • এই থলিগুলি বা বাতাস যাবার নলীগুলি স্থিতিস্থাপকতা কমে যাওয়া
  • থলিগুলির কিছু কিছু দেয়াল নষ্ট হয়ে যাওয়া
  • নলীগুলির দেয়াল মোটা হয়ে যাওয়ায় বাতাস যাবার পথ ছোট হয়ে যাওয়া
  • নলীগুলিতে কফ জমে বাতাস যাবার পথ রুদ্ধ হওয়া।

সাধারণভাবে সিওপিডি বলতে দুটো জিনিস বোঝায় - (১) ক্রনিক ব্রঙ্কাইটিস, (২) এমফিসেমা।

এমফিসেমা অসুখ হয়, যখন বাতাসের থলিগুলির বেশ কিছু দেয়াল নষ্ট হয়ে যায়। যেহেতু এই দেয়ালের মাধ্যমেই আমাদের রক্ত প্রয়োজনীয় অক্সিজেন পায়, নষ্ট দেয়ালের জন্যে আমাদের শরীর যথেষ্ট পরিমাণ অক্সিজেন পায় না।

সিওপিডি-র ফলে কি কি হতে পারে ?


সিওপিডি-র ফলে বহুলোকই কর্মক্ষমতা হারায়। বহুলোক এতে মারাও যায়। মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে এক কোটি কুড়ি লক্ষ লোকে এই অসুখে ভুগছে। আসল সংখ্যা হয়ত তার থেকেও বেশী। কারণ সবাই এখনো জানে না যে, তাদেরও এই অসুখ শুরু হয়েছে। আমাদের দেশে, যেখানে বায়ু-দূষণ বেশী এবং সিগারেট খাওয়া এখনো একটা বড় নেশা - সেখানে সিওপিডি-তে যে বহু লোকে ভুগছে - সে বিষয়ে সন্দেহ নেই।

সিওপিডি শুরু হয় ধীরে ধীরে। কিন্তু বাড়তে বাড়তে এমন অবস্থায় পৌঁছয় যে, হাঁটাচলা করাও কঠিন হয়ে ওঠে। এটা মধ্য বয়সে বা বৃদ্ধ অবস্থায় ধরা পড়ে। এর কোনোও ওষুধ নেই। ফুসফুসের ক্ষতি একবার হয়ে গেলে সেটাকে সারানো সম্ভব নয়। চিকিৎসা হল উপসর্গকে কিছুটা প্রশমিত রাখা এবং অসুখের গতিটাকে একটু হ্রাস করা।

তথ্য সংকলন : বিকাশপিডিয়া টিম



© 2006–2019 C–DAC.All content appearing on the vikaspedia portal is through collaborative effort of vikaspedia and its partners.We encourage you to use and share the content in a respectful and fair manner. Please leave all source links intact and adhere to applicable copyright and intellectual property guidelines and laws.
English to Hindi Transliterate