অসমীয়া   বাংলা   बोड़ो   डोगरी   ગુજરાતી   ಕನ್ನಡ   كأشُر   कोंकणी   संथाली   মনিপুরি   नेपाली   ଓରିୟା   ਪੰਜਾਬੀ   संस्कृत   தமிழ்  తెలుగు   ردو

সুরাপানের চিকিত্সা

সুরাপানের চিকিত্সা

সুরাপানজনিত বিষক্রিয়া (poisoning) ঘটলে তা চিকিত্সা সংক্রান্ত একটি তীব্র, জরুরি, সংকটাবস্থা সৃষ্টি করে। এই সব রোগীকে হাসপাতালে অন্তর্বিভাগে রেখে সর্বক্ষণের চিকিত্সার প্রয়োজন হয়। এই বিষয়ে বিস্তারিত আলোচনায় না গিয়ে, দীর্ঘকাল ধরে নিয়মিত সুরাপানের কারণ যে সমস্যাগুলির সৃষ্টি হয় তার চিকিত্সা নিয়ে সংক্ষিপ্ত ভাবে আলোচনা করা যাক।

দেখা গেছে সুরাপায়ীদের পুনর্বাসন সম্পূর্ণ করতে পারলে, বিশেষত মধ্যবিত্ত পরিবারের প্রায় ৬০ শতাংশ সুরাসক্ত এক বছর মদ্যপান থেকে বিরত থাকে। এমনকী এদের মধ্যে মুষ্টিমেয় কিছু জন সারা জীবন মদ্যপান না করে থাকতে পারেন। এখানে চিকিত্সক (ও পরিবারের মানুষজনের ) সাহায্য সহযোগিতা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ হয়ে ওঠে। প্রয়োজনীয় শারীরিক ও মানসিক সমস্যার চিকিত্সা, কাউন্সেলিং ইত্যাদির দ্বারা রোগীর নেশা ত্যাগ করার সাহস, আত্মবিশ্বাস, মনোবল অনেক পরিমাণে বাড়িয়ে তোলা যায়। চিকিত্সকের পর্যবেক্ষণ এ ক্ষেত্রে বিশেষ গুরুত্বপূর্ণ। কারণ এই প্রক্রিয়ায় তিনি অনুধাবন করতে পারবেন চিকিত্সায় কী পরিমাণে সাড়া পাওয়া যাচ্ছে।

এ সম্পর্কিত চিকিত্সার প্রথম ধাপ হল, সুরাপায়ীকে সুরা পান থেকে সম্পূর্ণ রূপে বিরত করা এবং এ বিষয়ে তাকে যথেষ্ট মাত্রায় প্রণোদন জুগিয়ে যাওয়া। এটা সম্ভব হয় যদি মদ্যপান সম্পর্কিত সমস্যাগুলি সম্পর্কে তাকে যথাযথভাবে সচেতন করা যায়।

দ্বিতীয় ধাপ হল, মদ্যপান ব্যতীত পরিচ্ছন্ন, সুস্থ, দৈনন্দিন জীবনযাপনে অভ্যস্ত হওয়ার জন্য রোগীকে উত্সাহিত করা এবং ওই ভাবে কমর্ক্ষম, পেশাগত জীবনযাত্রাকে বিন্যস্ত করা। এর পরের ধাপ হল, এই অবস্থা থেকে পুনরায় পতিত হলে বা পিছলে পড়লেও (relapse) পুনর্বার নতুন পুনর্বাসনের জন্য প্রস্তুত হওয়া। এই বিষয়ে সর্বাপেক্ষা গুরুত্বপূর্ণ কাজ হল, মদ্যপান ব্যতীত শারীরিক ও মানসিক দিক থেকে তিনি কী পরিমাণে ভালো আছেন, এই কথা তাঁকে উপলব্ধি করাতে সাহায্য করা। এরই সঙ্গে প্রয়োজন অবসর সময়ে তাঁকে সঙ্গ দিয়ে তাঁর একাকিত্বের ভার লাঘব করা, সুরাপান করে না এমন বন্ধুবান্ধব যদি তাকে সঙ্গ দেন তা হলে সব থেকে ভালো হয় এবং তাঁর কর্মক্ষেত্রের চাপ যতখানি সম্ভব কম রাখা হয় তত সুবিধা হয়। এই সঙ্গে মদ্যপান ছাড়ার ছয় মাস থেকে এক বছর পর্যন্ত চিকিত্সকের সঙ্গে প্রত্যক্ষ যোগাযোগ রক্ষার প্রয়োজন হয়।

যে সমস্ত রোগীকে এ ব্যাপারে উপযুক্ত ভাবে উত্সাহিত করা যায় এবং সামাজিক ভাবে সুবিধাভোগী শ্রেণিরা বাড়িতে স্বেচ্ছাবন্দি হয়ে চিকিত্সা চালিয়ে যেতে পারেন। তবে কিছু ক্ষেত্রে হাসপাতালে ভর্তি থাকা জরুরি হয়ে পড়ে। যখন ১) রোগীর জীবনহানির আশঙ্কা থাকে, ) যদি বাড়িতে রেখে চিকিত্সায় সফলতা না পাওয়া যায়, ) রোগীর অন্য শারীরিক রোগ থাকে, ) রোগীর কমবেশি মনোরোগের লক্ষণ উপসর্গ দেখা দেয় ইত্যাদি।



© 2006–2019 C–DAC.All content appearing on the vikaspedia portal is through collaborative effort of vikaspedia and its partners.We encourage you to use and share the content in a respectful and fair manner. Please leave all source links intact and adhere to applicable copyright and intellectual property guidelines and laws.
English to Hindi Transliterate