২০২০-র মধ্যে ভারতে মোট জনসংখ্যার ২০ শতাংশ মানসিক অসুস্থতায় আক্রান্ত হবে বলে মনে করছে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা। পাল্লা দিয়ে বাড়বে মানসিক অসুস্থতার কারণে আত্মহত্যার সংখ্যা। এই তথ্যকে গুরুত্ব দিয়ে দেশের প্রথম মানসিক স্বাস্থ্য নীতি ঘোষণা করল ভারত সরকার। জাতীয় স্বাস্থ্য নীতি ও জাতীয় স্বাস্থ্য নিশ্চিতকরণ মিশনকে (এনএইচএএম) আরও শক্তিশালী করতে এই নীতি নেওয়া হয়েছে বলে জানিয়েছেন কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্যমন্ত্রী ডাঃ হর্ষ বর্ধন। এই নীতি অনুযায়ী মানসিক স্বাস্থ্য হাসপাতালগুলোর আধুনিকীকরণ এবং সম্প্রসারণ করতে অর্থ সাহায্য দেবে কেন্দ্র। এর পাশাপাশি যে হাসপাতালগুলি মানসিক স্বাস্থ্য চিকিৎসা বিভাগ গড়ে তুলতে চাইবে তাদের অর্থ সাহায্য করবে কেন্দ্রীয় সরকার। মানসিক স্বাস্থ্য নীতির উদ্দেশ্য মানসিক স্বাস্থ্য চিকিৎসা যাতে সকলে পেতে পারেন তার জন্য সর্বস্তরে মানসিক স্বাস্থ্য পরিষেবাকে আরও শক্তিশালী করা। মূলত আর্থিক ভাবে দুর্বলদের দিকে তাকিয়ে মানসিক স্বাস্থ্য নীতির কাঠামো গড়ে তোলা হবে। কেন্দ্র, রাজ্য, স্থানীয় সংস্থা এবং স্বেচ্ছাসেবী সংস্থাগুলির কর্মসূচি নির্দিষ্ট করে ‘মানসিক স্বাস্থ্য কর্মপরিকল্পনা ৩৬৫’ তৈরি করা হবে। দেশে মোট জনসংখ্যার নিরিখে মাত্র তিন হাজার ৫০০ জন মনোরোগ চিকিৎসক রয়েছেন। আগামী দশ বছরের মধ্যে যাতে এই ফারাক কমিয়ে আনা যায় তার জন্যও প্রয়োজনীয় উদ্যোগ নেবে সরকার। সূত্র : পিআইবি