বিদেশে স্নাতকোত্তর পড়া ও পিএইচডি করার জন্য যারা চূড়ান্ত পর্যায়ে নির্বাচিত হন তাঁদের এই প্রকল্পের আওতায় আর্থিক সাহায্য দেওয়া হয়। নিম্নলিখিত পাঠক্রমের ক্ষেত্রে সাহায্য পাওয়া যায় : ইঞ্জিনিয়ারিং ম্যানেজমেন্ট কৃষিবিজ্ঞান চিকিৎসাবিদ্যা ২৫ জনকে প্রতি বছর এই প্রকল্পের আওতায় সাহায্য দেওয়া হয়। বিষয় অনুযায়ী ইঞ্জিনিয়ারিং ৭ জন ম্যানেজমেন্ট ৬ জন কৃষিবিজ্ঞান ৬ জন চিকিৎসাবিদ্যা ৬ জন ন্যূনতম যোগ্যতা পিএইচডির জন্য সংশ্লিষ্ট স্নাতকোত্তর পাঠক্রমে প্রথম শ্রেণি অথবা ৬০ শতাংশ নম্বর বা সমতুল গ্রেড। আবেদনকারীর অভিজ্ঞতা থাকলে, বিশেষ করে যারা কোনও পদে চাকরি করতে করতে লিয়েনে পড়তে যেতে চান, তাঁদের অগ্রাধিকার দেওয়া হয়। স্নাতকোত্তর পাঠক্রমের জন্য সংশ্লিষ্ট বিষয়ে স্নাতক পর্যায়ে প্রথম শ্রেণি বা ৬০ শতাংশ নম্বর সমতুল গ্রেড। আবেদনকারীর অভিজ্ঞতা থাকলে, বিশেষ করে যারা কোনও পদে চাকরি করতে করতে লিয়েনে পড়তে যেতে চান, তাঁদের অগ্রাধিকার দেওয়া হয়। বয়স ও আয়ের সীমা প্রকল্পের বিজ্ঞাপন যে মাসে প্রকাশিত হবে সেই মাসের প্রথম দিনে আবেদনকারীর বয়স ৩৫ বছরের নীচে হতে হবে। নিয়োগকর্তা প্রদত্ত সার্টিফিকেট অনুসারে চাকরিরত প্রার্থীর নিজের ও বাবা-মা/অভিভাবকদের মিলিত পারিবারিক আয় তিন লক্ষ টাকার বেশি (সেই সমস্ত আয় বাদ দিয়ে যেগুলি আয়করের আওতাভুক্ত বলে ধরা হয় না।) হলে চলবে না। ট্যাক্স অ্যাসেসমেন্টের সাম্প্রতিক কপি এবং সর্বশেষ স্যালারি স্লিপ আবেদনের সঙ্গে যুক্ত করে পাঠাতে হবে। পরিবারের সর্বোচ্চ কতসংখ্যক ছাত্র এই প্রকল্পের সাহায্য নেওয়ার যোগ্য পরিবারের এক জনের বেশি ছাত্রকে এই বৃত্তির সুযোগ দেওয়া যাবে না। এ ব্যাপারে প্রার্থীকে নিজস্ব শংসাপত্র দিতে হবে। এক জন ব্যক্তি এক বারের জন্য এ ধরনের বৃত্তি পেতে পারবেন। তিনি দ্বিতীয় বার বৃত্তি পাওয়ার আবেদন করতে পারবেন না। সূত্র : সামাজিক ন্যায়বিচার ও ক্ষমতায়ন মন্ত্রক।