অসমীয়া   বাংলা   बोड़ो   डोगरी   ગુજરાતી   ಕನ್ನಡ   كأشُر   कोंकणी   संथाली   মনিপুরি   नेपाली   ଓରିୟା   ਪੰਜਾਬੀ   संस्कृत   தமிழ்  తెలుగు   ردو

জন ধন থেকে জন সুরক্ষা

জন ধন থেকে জন সুরক্ষা
  1. প্রধান মন্ত্রী সুরক্ষা বীমা যোজনা
    1. পূর্ববর্তী অন্যান্য সামাজিক নিরাপত্তা প্রকল্প থেকে এই প্রকল্পের তফাৎ
    2. কারা প্রধান মন্ত্রী সুরক্ষা বীমা যোজনায় যোগদান করতে পারে
    3. কারা প্রধান মন্ত্রী সুরক্ষা বীমা যোজনা-কে বাস্তবায়িত করবে
    4. আমি কি এই প্রকল্পে যোগ দেওয়ায় কোনো শুল্ক সুবিধা পাব
    5. আবেদন পত্র
    6. অবিরত জিজ্ঞাসিত প্রশ্ন
  2. প্রধান মন্ত্রী জীবন জ্যোতি বীমা যোজনা
    1. কারা এই প্রকল্পে নথিভুক্ত করার জন্য উপযুক্ত
    2. প্রিমিয়াম
    3. সম্ভাব্য বিপদের কভারেজ
    4. এই কর্মসূচি প্রদান করবে
    5. নথিভুক্ত
    6. কখন এই নীতি বাতিল করা হবে
    7. ব্যাংক কিরকম ভূমিকা পালন করবে
    8. প্রিমিয়ামটি কিভাবে বিভক্ত করা হবে
    9. আবেদন পত্র
    10. অবিরত জিজ্ঞাসিত প্রশ্নাবলী
  3. অটল পেনশন যোজনা
    1. অটল পেনশন যোজনার উপকারিতা
    2. এই প্রকল্পের জন্য কারা উপযুক্ত ?
    3. কিভাবে নথিভুক্ত করবেন ?
    4. যদি এই প্রকল্পের প্রতি কোন অর্থ প্রদান না করা হয়, তাহলে
    5. যাদের কোন ব্যাংকের অ্যাকাউন্ট নেই তাদের জন্য
    6. প্রকল্প থেকে প্রস্থান
    7. বিভিন্ন পেনশন বিকল্পের জন্য ইঙ্গিতবহ বিনিয়োগ (ভারতীয় মূদ্রায়)*
    8. আবেদন পত্র

প্রধান মন্ত্রী সুরক্ষা বীমা যোজনা

ভারতীয় জনসংখ্যার একটি বড় অংশ গ্রামাঞ্চলে বসবাস করে এবং তাদের অধিকাংশই কোন ধরণের সামাজিক নিরাপত্তা প্রকল্পের আওতায় পড়ে না। এমনকি এই জনসংখ্যার একটি বড় অংশ ব্যাংকিং সুবিধাগুলো উপভোগ করেনা এবং বেশীর ভাগই সময়ের সাথে সাথে চালু হওয়া বিভিন্ন সরকারি স্কিম গুলি সম্পর্কে অজ্ঞাত।

সাধারণ ও দরিদ্র মানুষের জীবনের এই গুরুতর অনিয়ম সংশোধন করার জন্য, ভারতের প্রধান মন্ত্রী ২০১৫ সালের ৯-ই মে কলকাতায় পি.এম.এস.বি.ওয়াই প্রকল্প চালু করেন এবং তার পাশাপাশি দুটি অন্যান্য বীমা ও পেনশন সংক্রান্ত স্কিম চালু করেন। এই প্রকল্পগুলিকে বাস্তবায়িত করার লক্ষ্যে সরকারের এই ধরনের গম্ভীরতা যা প্রায় সমগ্র গরিষ্ঠ মন্ত্রীপরিষদকে বিভিন্ন রাজ্যের রাজধানী ও প্রধান শহরগুলিতে একযোগে প্রকল্পগুলির প্রবর্তন ও সেগুলির সফল বাস্তবায়নকে সুনিশ্চিত করার তাগিদে তৎপর করে রেখেছে।

পূর্ববর্তী অন্যান্য সামাজিক নিরাপত্তা প্রকল্প থেকে এই প্রকল্পের তফাৎ

পি.এম.এস.বি.ওয়াই-র দুটি দিক একে আকর্ষণীয় এবং সহজলভ্য করে তোলে। প্রথমত, এর স্পষ্ট বাহ্যরূপ এবং বোধগম্যতা এবং এই প্রকল্পের অধীনে সর্বোচ্চ সংখ্যক মানুষকে আচ্ছাদিত করা এই প্রকল্পকে অত্যন্ত উচ্চাভিলাষী এবং প্রতিদ্বন্ধিতামূলক করে তোলে।

বর্তমানে, কোন পরিবারের একজন রোজগেরে সদস্য যদি চিরতরে প্রতিবন্ধী হয়ে যায় বা তার আকস্মিক মৃত্যু হয় তাহলে তার পরিবার কোন প্রতিষ্ঠান বা কর্ম গ্রুপের থেকে কোন সুরক্ষা বা সহায়তা না পেয়ে এক দারিদ্র ও কষ্টকর জীবনের সম্মুখীন হবে। পি.এম.এস.বি.ওয়াই প্রকল্পে যোগদানের মাধ্যমে এবং একটি নামমাত্র প্রিমিয়াম প্রতি বছর মাথাপিছু ১২/- টাকা প্রদান করলে, দুর্ঘটনাজনিত মৃত্যু বা স্থায়ী সম্পূর্ণ প্রতিবন্ধকতার ক্ষেত্রে তিনি ২,০০,০০০/- (দুই লাখ) টাকার একটি বীমা অথবা আংশিক কিন্তু সম্পূর্ণ প্রতিবন্ধকতার ক্ষেত্রে তিনি ১,০০,০০০/- (এক লাখ) টাকার একটি বীমা কভারেজ পাবেন। এই প্রকল্প এক বছরের জন্য বহাল থাকবে এবং এটা প্রতি বছর পুনর্নবীকরণ করতে হবে।

বহু সরকারী সামাজিক নিরাপত্তা প্রকল্প কাছাকাছি অবস্থিত আর্থিক ব্যবস্থা পরিকাঠামোর অভাবের জন্য বা অ্যাকাউন্ট খোলার সাথে জড়িত কাগজপত্র হ্যান্ডেল করার জন্য এগুলি খুব বেশী ইতিবাচক প্রভাব ফেলতে পারে নি। এছাড়াও এই ব্যবস্থাগুলিতে অবহেলা থাকায় বিপুল অংশ এই প্রকল্পের সুবিধা থেকে বাদ পড়ে যায়। বর্তমানে এইগুলি সরকারের দ্বারা খুব ভালোভাবে সুরাহ করা হয়েছে, যেখানে সামাজিক প্রকল্প বিতরণ এবং নিরীক্ষণ প্রক্রিয়ায় ব্যাপকভাবে প্রযুক্তির ব্যবহার করেছে। সকল পেমেন্ট সরাসরি সুবিধাভোগীরর অ্যাকাউন্টে জমা হবে কোন রকমের ফাঁকি ছাড়া।

কারা প্রধান মন্ত্রী সুরক্ষা বীমা যোজনায় যোগদান করতে পারে

১৮ এবং ৭০ বছর বয়সের মধ্যে একটি সেভিংস ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্ট এবং আধার কার্ড সহ যেকেউ এই প্রকল্পে যোগ দিতে পারেন। একজন ব্যক্তিকে মনোনীত ব্যাক্তি (নমিনি)-র নাম উল্লেখ করে এবং ব্যাংক অ্যাকাউন্টে আধার কার্ড যুক্ত করে একটি সাধারণ ফর্ম পূরণ করতে হবে। এই প্রকল্পটিকে অব্যাহত রাখার জন্য ব্যক্তিকে প্রতি বছর ১-লা জুনের মধ্যে এই ফর্মটি জমা দিতে হবে।এই ভাবে অ্যাকাউন্টটি খুব সহজেই সক্রিয় হয়ে যাবে এবং সম্পূর্ণ প্রিমিয়ামটি নির্দিষ্ট ব্যক্তির অ্যাকাউন্টে স্বয়ংক্রিয় ভাবে চলে যাবে। অন্যভাবে বলা যায়, কোন ব্যক্তিকে একটি ব্যাংক অ্যাকাউন্ট খুলতে হবে এবং তারপর তার অ্যাকাউন্টে অন্তত ১২/- টাকার প্রাপ্যতা নিশ্চিত করতে হবে ও প্রতি বছর ১-লা জুনের আগে এই প্রকল্পের স্বয়ংক্রিয় পুনর্নবীকরণ নিশ্চিত করতে হবে। ব্যাংক কর্তৃপক্ষ দ্বারা প্রতি বছর এই প্রকল্পের স্বয়ংক্রিয় পুনর্নবীকরণের মাধ্যমে একজন ব্যক্তি এই প্রকল্পের একটি দীর্ঘমেয়াদী বিকল্পের জন্য অন্তর্ভুক্তি পেতে পারেন।

কারা প্রধান মন্ত্রী সুরক্ষা বীমা যোজনা-কে বাস্তবায়িত করবে

সমস্ত সরকারী স্পনসর্ড সাধারণ বীমা কোম্পানি এই প্রকল্প প্রদান করবে ও অন্যান্য বীমা কোম্পানি ব্যাংকগুলির সাথে চুক্তিবদ্ধ হয়ে এই কর্মসূচি বন্টনে যোগদান করতে পারে।

আমি কি এই প্রকল্পে যোগ দেওয়ায় কোনো শুল্ক সুবিধা পাব

গ্রাহকদের দ্বারা দেওয়া সম্পূর্ণ প্রিমিয়াম ধারা ৮০-সি অনুযায়ী করমুক্ত হবে। উপরন্তু, প্রত্যেক ব্যক্তি ১,০০,০০০/- (এক লক্ষ) টাকা পাবেন যা ধারা ১০ (১০-ডি) অনুযায়ী করমুক্ত হবে। কোন ব্যক্তি যদি ফর্ম ১৫-এইচ বা ১৫-জি বীমা সংস্থাকে জমা না দেয়, তাহলে ১,০০,০০০/-টাকার অধিক টাকায় ২% হারে একটি টি.ডি.এস. (ট্যাক্স ডিডাকটেড অ্যাট সোর্স) প্রয়োগ করা হবে।

আবেদন পত্র

আবেদনপত্রটি, http://www.jansuraksha.gov.in/FORMS-PMJJBY.aspx থেকে ডাউনলোড করা যাবে। এই ফর্ম বিভিন্ন ভাষায় উপলব্ধ রয়েছে; যথা – ইংরেজি, হিন্দি, গুজরাটি, বাংলা, কন্নড, উড়িয়া, মারাঠি, তেলুগু এবং তামিল।

অবিরত জিজ্ঞাসিত প্রশ্ন

জানতে ক্লিক করুন এখানে

সুত্র: বিকাসপিডিয়া কনটেন্ট  ম্যানেজমেন্ট টীম

প্রধান মন্ত্রী জীবন জ্যোতি বীমা যোজনা

নির্দিষ্টকালের জীবন বীমা নীতি যেটি একটি বার্ষিক ভিত্তিতে বা দীর্ঘ সময়সীমার জন্য নবায়ন করা যাবে।পলিসি ধারকের মৃত্যুতে এটি জীবন বীমা কভারেজ প্রদান করবে।

কারা এই প্রকল্পে নথিভুক্ত করার জন্য উপযুক্ত

১৮ থেকে ৫০ বছর বয়সের সকল ব্যক্তিদের জন্য প্রধান মন্ত্রী জীবন জ্যোতি বীমা যোজনা উপলব্ধ। আগ্রহী ব্যক্তির একটি ব্যাংক অ্যাকাউন্ট থাকা উচিত। ৫০ বছরের আগে যারা এই বীমা শুরু করবে, তারা ৫৫ বছর পর্যন্ত জীবন কভারেজ পাবেন।তবে, এই সুবিধা পেতে হলে তাদেরকে একটি সুসংগত ভিত্তিতে প্রিমিয়াম প্রদান করতে হবে।

প্রিমিয়াম

বীমা ধারককে প্রতি বছর ৩৩০/- টাকা দিতে হবে। এইভাবে প্রতি বছর তাদের ব্যাংক অ্যাকাউন্ট থেকে একটি একক কিস্তির পরিমাণ কাটা হবে। এই নীতিটি যেখানে খোলা হয়েছে সেই ব্যাংক দ্বারা এই কাজটি সম্পন্ন করা হবে।

সম্ভাব্য বিপদের কভারেজ

প্রধান মন্ত্রী জীবন জ্যোতি বীমা যোজনা নীতিতে ২ লাখ টাকা-র সম্ভাব্য বিপদের কভারেজ প্রদান করা হয়। যদি কেউ এই নীতি এক বছরেরও বেশী একটি দীর্ঘমেয়াদী সময়ের জন্য করে, তাহলে সেই পরিমান টাকা তাদের নিজ নিজ ব্যাংক অ্যাকাউন্ট থেকে প্রতি বছরের নিয়মানুযায়ী কেটে নেওয়া হবে।

এই কর্মসূচি প্রদান করবে

লাইফ ইন্স্যুরেন্স কর্পোরেশন অফ ইন্ডিয়া (এল.আই.সি) এই পরিকল্পনা প্রদান করবে। তবে, অন্যান্য জীবন বীমা, যারা এই কর্মসূচিতে অংশগ্রহন করতে আগ্রহী, তারা সুনির্দিষ্ট ব্যাংকগুলোর সাথে টাই আপের মাধ্যমে এই কর্মসুচিতে যোগ দিতে পারেন। কোন ব্যাংক, যার মক্কেল এই কর্মসুচিতে যোগদান করতে চায়, পি.এম.জে.জে.এস.-এর ক্ষেত্রে মাস্টার অ্যাকাউন্ট ধারক হিসেবে গণ্য হবে। এল.আই.সি বা অন্যান্য বিমা দাবী নিস্পত্তি এবং পরিচালনার পদ্ধতি নির্ধারণ করবে যা গ্রাহকদের জন্য সরল এবং বন্ধুত্বপূর্ণ হবে বলে আশা করা হয়। এই কাজগুলি ব্যাংকগুলোর পরামর্শ নিয়ে সম্পন্ন করা হবে।

নথিভুক্ত

এই পরিকল্পনা, ২০১৫ সালের ১-লা জুন থেকে ২০১৬ সালের ৩১-শে মে পর্যন্ত চালু আছে। গ্রাহকদের ২০১৫ সালের ১-লা, মে-র আগে নথিভুক্ত, সেইসাথে তাদের প্রিমিয়ামের স্বয়ংক্রিয় ডেবিটিং-এর জন্য বিকল্প প্রদান করতে হবে। এই প্রকল্পের সময়টি ২০১৫ সালের ৩১-শে আগস্ট পর্যন্ত বাড়ানো হবে। কেউ যদি এই তারিখের পরে নথিভুক্ত করতে চায় তাহলে তাদের একটি স্বয়ংসম্পূর্ণ প্রশংসাপত্র জমা দিতে হবে, যাতে এটি উল্লেখ করতে হবে যে তারা ভাল স্বাস্থ্যের অধিকারী এবং তারা সমগ্র বার্ষিক প্রিমিয়াম প্রদান করবে। কেউ যদি প্রথম বছরের পর থেকে এটি চালাতে চায় তাহলে তাকে পরে ৩১-মে-এর মধ্যে স্বয়ংক্রিয় ডেবিটিং-এ সম্মতি দিতে হবে। এরপর এই নীতি পুনর্নবীকরণ করার জন্য, তাকে একটি সু-স্বাস্থ্যের স্বয়ংসম্পূর্ণ শংসাপত্র ও সেইসাথে সমগ্র বার্ষিক প্রিমিয়াম জমা করতে হবে। যদি কেউ প্রথম বছরের মধ্যে যোগদান না করে তাহলে তাকেও একটি সু-স্বাস্থ্যের স্বয়ংসম্পূর্ণ শংসাপত্র ও সেইসাথে সমগ্র বার্ষিক প্রিমিয়াম জমা দিতে হবে। যারা এই নীতি একবার যোগদান করে পরে ছেড়ে দিয়েছেন, তারা যদি আবার পুনরায় যোগদান করতে চান তাহলে তাদের জন্যও নথিভুক্ত করার পদ্ধতি একই।

কখন এই নীতি বাতিল করা হবে

ধারক ৫৫ বছর বয়সে পৌঁছালে এই নীতি সমাপ্ত হবে। তবে, এই নীতি কার্যকর করার জন্য বীমা ধারককে নির্ধারিত সময় পর্যন্ত এই নীতি পুনর্নবীকরণ করে যেতে হবে। কোন অ্যাকাউন্ট ধারক যদি অ্যাকাউন্ট বন্ধ করতে চান, এই বীমা চলাকালীন ব্যাংকে যথেষ্ট অর্থের অভাবের জন্য অর্থাৎ বীমাটির সক্রিয়তা নিশ্চিত করার জন্য যে নূন্যতম ব্যাল্যান্সের দরকার তা না থাকে, তাহলে তার বীমাপত্র বন্ধ হয়ে যাবে। যদি এই নির্দিষ্ট ব্যক্তির একাধিক অ্যাকাউন্ট রয়েছে এবং বীমাকারী একটি অনিচ্ছাকৃত পদ্ধতিতে অর্থ পাচ্ছে তাহলে উল্লিখিত প্রিমিয়াম বাজেয়াপ্ত করা হবে।

ব্যাংক কিরকম ভূমিকা পালন করবে

মাস্টার অ্যাকাউন্ট ধারক এবং প্রতি বছর প্রিমিয়াম বিয়োগ করার পাশাপাশি ব্যাংক আরও কয়েকটি ভূমিকা পালন করে থাকে। তাদের প্রাথমিক কর্তব্য হল বীমাকারীর প্রিমিয়ামটি কেটে স্থানান্তর করা।

তারা নিম্নলিখিত বিষয়গুলির উপর যত্ন নেয়

ফর্ম নথিভুক্তকরণ।

অটো-ডেবিট অনুমোদন।

সঠিক আকারে কার্য পরিচালনা করার ঘোষণা তথা সম্মতি প্রদান করা। তারা বীমাকারীর নথি গুলি সংরক্ষন করে রাখবেন এবং যেকোন অবস্থায় সেটা তারা বীমাকারীদের কাছে তুলে ধরতে পারবেন।

প্রিমিয়ামটি কিভাবে বিভক্ত করা হবে

বার্ষিক ৩৩০/- টাকার প্রিমিয়াম-এর মধ্যে, ২৮৯/- টাকা বীমাকারীর কাছে যাবে এবং 3০/- টাকা বিসি’স, কর্পোরেট বা মাইক্রো এজেন্ট দ্বারা যথাযোগ্য খরচের জন্য বিয়োগ করা হবে। ব্যাংক তাদের দ্বারা যথাযোগ্য প্রশাসনিক খরচের জন্য ১১/- টাকা বিয়োগ করবে।

আবেদন পত্র

আবেদনপত্রটি, http://www.jansuraksha.gov.in/FORMS-APY.aspx থেকে ডাউনলোড করা যাবে। এই ফর্ম বিভিন্ন ভাষায় উপলব্ধ, যথা – ইংরেজি, হিন্দি, গুজরাটি, বাংলা, কন্নড, উড়িয়া, মারাঠি, তেলুগু এবং তামিল।

অবিরত জিজ্ঞাসিত প্রশ্নাবলী

জানতে ক্লিক করুন এখানে

বিশদ তথ্যের জন্য www.jansuraksha.gov.in বা ww.financialservices.gov.in: লগ ইন করুন। আপনি জাতীয় টোল ফ্রি নম্বর-গুলিতেও ফোন করতে পারেন : ১৮০০ ১১০ ০০১/১৮০০ ১৮০ ১১১১ এবং রাজ্য ভিত্তিক টোল ফ্রি নম্বর এই নথিতে তালিকাভুক্ত করা রয়েছে – http://www.jansuraksha.gov.in/PDF/STATEWISETOLLFREE.pdf

সুত্র: জনসুরক্ষা.গভ.ইন

অটল পেনশন যোজনা

অটল পেনশন প্রকল্প এবং অন্যান্য বীমা প্রকল্প একই সাথে ৯-ই মে চালু করা হয়েছে। বেসরকারি খাতে বা কোন বৃত্তিতে নিযুক্ত মানুষরা যারা বার্ধক্যভাতার সুবিধা পাননা, তারা এই প্রকল্পের জন্য আবেদন করতে পারেন। ৬০ বছর বয়সের পর তারা ১,000/- টাকা, বা ২,000/- টাকা, বা ৩,000/- টাকা, বা 8,000/- টাকা, বা ৫,000/- টাকার একটি নির্দিষ্ট বার্ধক্যভাতা নির্বাচন করতে পারেন। অর্থ বিনিয়োগের পরিমাণ এবং ব্যক্তির বয়স অনুযায়ী বার্ধক্যভাতা নির্ধারণ করা হবে। আবেদানকারীর মৃত্যুর পরে, আবেদানকারীর স্ত্রী বার্ধক্যভাতা দাবী করতে পারেন এবং স্ত্রীর মৃত্যুর পর মনোনীত ব্যক্তি (নমিনি) সেই অর্থ পাবেন।

সরকার কর্তৃক নির্ধারিত বিনিয়োগ নিয়মানুযায়ী এই প্রকল্পের অধীনে পেনশন তহবিল দ্বারা এই অর্থ সংগৃহীত হবে। ব্যক্তিগত প্রার্থীদের পেনশন তহবিল বা বিনিয়োগ বণ্টনে নির্ধারিত কোন উপায় নেই।

অটল পেনশন যোজনার উপকারিতা

অটল পেনশন প্রকল্প বৃদ্ধ ভারতীয়দের জন্য নিরাপত্তা আনে, তার সাথে সমাজের নিম্ন এবং নিম্ন মধ্যবিত্ত জনসাধারণের মধ্যে সঞ্চয় ও বিনিয়োগের একটি সংস্কৃতি প্রচার করে। এই প্রকল্পের সবচেয়ে বড় সুবিধাটি সম্ভবত সমাজের দরিদ্র বিভাগ দ্বারা আস্বাদিত হবে। ভারত সরকার ব্যবহারকারীর বিনিয়োগে ৫০ শতাংশ প্রদান করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে বা পাঁচ বছরের একটি নির্দিষ্ট সময়ের জন্য প্রতি বছর ১০০০/- টাকা প্রদান করবে (যেটা সব থেকে কম)। এটি শুধুমাত্র তারাই উপভোগ করবেন যারা আয় করদাতা নয় এবং যারা ৩১-শে ডিসেম্বর ২০১৫ সালের আগে এই প্রকল্পে নিযুক্ত হবেন।

এই প্রকল্পের জন্য কারা উপযুক্ত ?

১৮ থেকে ৪০ বছর বয়সের সকল ভারতীয়দের জন্য অটল পেনশন যোজনা (এ.পি.অয়াই) উপলব্ধ রয়েছে। এই প্রকল্পটি একজন ব্যক্তি অন্তত ২০ বছর চালানোর পরেই বন্ধ করতে পারবে। কোন ব্যাংক অ্যাকাউন্ট ধারক যারা কোনো বিধিবদ্ধ সামাজিক নিরাপত্তা প্রকল্পের সদস্য নয় একমাত্র তারাই এই প্রকল্পে যোগদান করতে পারেন।

সরকারের “স্বাবলম্বন যোজনা এন.পি.এস. লাইট” এর সকল বিদ্যমান সদস্যদের আ্যকাউন্ট স্বয়ং-ক্রিয়রূপে অটল পেনশন যোজনায় রূপান্তরিত হয়ে যাবে। এটা এখন স্বাবলম্বন প্রকল্পের প্রতিস্থাপন করবে যা দেশ জুড়ে সেরকম জনপ্রিয়তা অর্জন করেনি।

কিভাবে নথিভুক্ত করবেন ?

অটল পেনশন যোজনার জন্য নথিভুক্ত করার আগে অ্যাকাউন্ট ধারককে আগে একটি অনুমতি ফর্ম অবশ্যই পূরণ করতে হবে এবং তার ব্যাংকে জমা দিতে হবে। এই ফর্মের আবশ্যক বিষয়গুলি হল অ্যাকাউন্ট নম্বর, স্ত্রী এবং মনোনীত ব্যক্তি (নমিনি)-র বিবরণ সহ সম্পূর্ণ বিবরণ এবং অনুদান পরিমান অটো ডেবিটের অনুমোদন। এই প্রকল্পের জন্য অ্যাকাউন্ট ধারককে নিশ্চিত করতে হবে যে তার অ্যাকাউন্টে প্রতি মাসে যেন যথেষ্ট পরিমাণ ব্যালেন্স থাকে, নাহলে সেই ব্যক্তিকে একটি মাসিক জরিমানা দিতে হবে, যেমন –

  • ১০০/- টাকার মাসিক বিনিয়োগের জন্য ১/- টাকা
  • ১০১/- থেকে ৫০০/- টাকার মাসিক বিনিয়োগের জন্য ২/- টাকা
  • ৫০১/- থেকে ১,০০০/- টাকার মাসিক বিনিয়োগের জন্য ৫/- টাকা
  • ১,০০১/- টাকার অধিক মাসিক বিনিয়োগের জন্য ১০/- টাকা

যদি এই প্রকল্পের প্রতি কোন অর্থ প্রদান না করা হয়, তাহলে

  • ছয় মাস ধরে অর্থ প্রদান না করলে, ধারকের অ্যাকাউন্ট নিথর করে দেওয়া হবে।
  • বারো মাস ধরে অর্থ প্রদান না করলে, ধারকের অ্যাকাউন্ট নিষ্ক্রিয় করে দেওয়া হবে।
  • চব্বিশ মাস ধরে অর্থ প্রদান না করলে, ধারকের অ্যাকাউন্ট বন্ধ করে দেওয়া হবে।

যাদের কোন ব্যাংকের অ্যাকাউন্ট নেই তাদের জন্য

একজন ব্যক্তিকে প্রথমে কে.ওয়াই.সি নথি এবং আধার কার্ড জমা দেওয়ার দ্বারা একটি ব্যাংকের অ্যাকাউন্ট খুলতে হবে। তাকে এ.পি.ওয়াই. প্রস্তাবনা ফর্মটিও জমা দিতে হবে।

প্রকল্প থেকে প্রস্থান

অটল পেনশন যোজনার জন্য নথিভুক্ত করেছেন এরকম একজন অ্যাকাউন্ট ধারক কোনরকম সাধারণ পরিস্থিতিতে ৬০ বছর বয়সের পূর্বে এই প্রকল্প থেকে প্রস্থান করতে পারবেন না। শুধুমাত্র বিশেষ পরিস্থিতিতে এই প্রকল্প থেকে প্রস্থান করা সম্ভব, যেমন – বিনিয়োগকারীর যদি হঠাৎ মৃত্যু ঘটে।

বিভিন্ন পেনশন বিকল্পের জন্য ইঙ্গিতবহ বিনিয়োগ (ভারতীয় মূদ্রায়)*

প্রার্থীর বয়স

মাসিক বার্ধক্য ভাতা ১০০০/- টাকা

মাসিক বার্ধক্য ভাতা ২০০০/- টাকা

মাসিক বার্ধক্য ভাতা ৩০০০/- টাকা

মাসিক বার্ধক্য ভাতা ৪০০০/- টাকা

মাসিক বার্ধক্য ভাতা ৫০০০/- টাকা

18

৪২

৮৪

১২৬

১৬৮

২১০

২০

৫০

১০০

১৫০

১৯৮

২৪৮

২৫

৭৬

১৫১

২২৬

৩০১

৩৭৬

৩০

১১৬

২৩১

৩৪৭

৪৬২

৫৭৭

৩৫

১৮১

৩৬২

৫৪৩

৭২২

৯০২

৪০

২৯১

৫৮২

৮৭৩

১১৬৪

১৪৫৪

মোট অর্থ

১,৭০,০০০

৩,৪০,০০০

৫,১০,০০০

৬,৮০,০০০

৮,৫০,০০০

* অটল পেনশন যোজনা প্রচারপত্র থেকে গৃহীত তথ্য।

গ্রাহকের অকাল মৃত্যুর পর তার স্বামী অথবা স্ত্রী বাদবাকি সময়ের জন্য কিস্তির টাকা জমিয়ে যেতে পারবে

অটল পেনশন যোজনা (এ পি ওয়াই)-র আওতায় বর্তমানে প্রচলিত সংস্থান অনুযায়ী গ্রাহক দম্পতিদের কোনো একজনের অকাল মৃত্যুর পর এককালীন যে কিছু পরিমান অর্থ দেওয়া হয়, সে সম্পর্কে বিভিন্ন অংশ থেকে প্রাপ্ত মতামতের ভিত্তিতে দেখা যাচ্ছে এই সংস্থান বহু গ্রাহকের কাছেই পছন্দসই নয়। এ থেকে একটা সত্য বড় হয়ে বেরিয়ে এসেছে যে, সংশ্লিষ্ট গ্রাহকের মৃত্যুর পর তার ৬০ বছর বয়স পর্যন্ত গ্রাহকের স্বামী অথবা স্ত্রী এই যোজনাতে কিস্তির অর্থ জমা দিতে আগ্রহী। সেই জন্য এ ধরনের অভিমত বিবেচনা করে কোনো গ্রাহকের অকাল মৃত্যুর পর (৬০ বছর বয়সের আগে) তার স্বামী অথবা স্ত্রী সংশ্লিষ্ট প্রয়াত গ্রাহকের অর্থ জমা দেওয়ার অবশিষ্ট কিস্তিগুলিতে টাকা জমা দেওয়ার পদ্ধতি অব্যাহত রাখতে সিদ্ধান্ত নিয়েছে সরকার। ফলে দম্পতিদের যে কোনো একজন গ্রাহক, স্বামী অথবা স্ত্রীর মৃত্যুর, পর এককালীন অর্থ নেওয়ার পরিবর্তে একই হারে একই পরিমানে তার স্বামী অথবা স্ত্রীর মতো পেনশনের অর্থ পাওয়ার অধিকারী হবে।

উল্লেখ্য, অসংগঠিত অংশের শ্রমিকদের জীবন সংক্রান্ত ঝুঁকির সমস্যার মোকাবিলা করতে তাদের অবসর গ্রহনের পরবর্তী পর্যায়ের জন্য স্বেচ্ছায় সঞ্চয় করতে উৎসাহ দেবার জন্য ‘অটল পেনশন যোজনা’ নামে একটি নতুন উদ্যোগের সূচনা করেছিল। এই যোজনাটি কার্যকর হয় ২০১৫-র ১ জুন থেকে। এ পি ওয়াই-এর আওতায় যদি গ্রাহক এই যোজনায় কিস্তির অর্থ জমা দেন, তাহলে প্রত্যেক গ্রাহক তাদের ৬০ বছর পূর্ণ হওয়ার পর, গ্রাহকেরা নিশ্চিতভাবে ন্যূনতম মাসিক পেনশন পাবে।

আবেদন পত্র

আবেদনপত্রটি, http://www.jansuraksha.gov.in/FORMS-APY.aspx থেকে ডাউনলোড করা যাবে। এই আবেদনপত্র বিভিন্ন ভাষায় উপলব্ধ, যেমন – ইংরেজি, হিন্দি, গুজরাটি, বাংলা, কন্নড, উড়িয়া, মারাঠি, তেলুগু এবং তামিল।

অবিরত জিজ্ঞাসিত প্রশ্নাবলী জানতে ক্লিক করুন এখানে

সুত্র: জনসুরক্ষা.গভ.ইন



© 2006–2019 C–DAC.All content appearing on the vikaspedia portal is through collaborative effort of vikaspedia and its partners.We encourage you to use and share the content in a respectful and fair manner. Please leave all source links intact and adhere to applicable copyright and intellectual property guidelines and laws.
English to Hindi Transliterate