সাংবিধানিক রক্ষাকবচ শিক্ষা ও সাংস্কৃতিক রক্ষাকবচ অনুচ্ছেদ ১৫(৪)— অন্যান্য অনগ্রসর শ্রেণির অগ্রগতির লক্ষ্যে (যার ভিতর তফশিলি উপজাতিও পড়ে) বিশেষ ব্যবস্থা নেওয়া। অনুচ্ছেদ ২৯— সংখ্যালঘুদের স্বার্থ সুরক্ষা(যার ভিতর তফশিলি উপজাতিও পড়ে) অনুচ্ছেদ ৪৬— রাষ্ট্র দুর্বল শ্রেণি, বিশেষ করে তফশিলি জাতি ও উপজাতিভুক্ত মানুষদের শিক্ষাগত ও অর্থনৈতিক স্বার্থ বিশেষ যত্ন নিয়ে তুলে ধরবে এবং সব ধরনের শোষণ ও সামাজিক অন্যায়ের হাত থেকে তাদের রক্ষা করবে। অনুচ্ছেদ ৩৫০— নিজস্ব ভাষা, লিপি ও সংস্কৃতি সংরক্ষণ করার অধিকার। অনুচ্ছেদ ৩৫০— মাতৃভাষায় শিক্ষা পাওয়ার সুযোগ। সামাজিক রক্ষাকবচ অনুচ্ছেদ ২৩— মানবপাচার, ভিক্ষাবৃত্তি এবং বাধ্যতামূলক শ্রম নিষিদ্ধ করা। অনুচ্ছেদ ২৪— শিশুশ্রম বন্ধ করা। অর্থনৈতিক রক্ষাকবচ অনুচ্ছেদ ২৪৪, ধারা ১ — অসম, মেঘালয়, মিজোরাম ও ত্রিপুরা ছাড়া অন্যান্য রাজ্যের তফশিলি এলাকা ও তফশিলি উপজাতিদের প্রশাসন ও নিয়ন্ত্রণের ক্ষেত্রে পঞ্চম তফশিলের বিধানগুলি প্রযোজ্য হবে। এই অনুচ্ছেদের ২ ধারা অনুযায়ী অসম, মেঘালয়, মিজোরাম, ও ত্রিপুরার ক্ষেত্রে ষষ্ঠ তফশিলের বিধানগুলি প্রযোজ্য। অনুচ্ছেদ ২৭৫— সংবিধানের পঞ্চম ও ষষ্ঠ তফশিলভুক্ত নির্দিষ্ট রাজ্যগুলির (তফশিলি এলাকা ও তফশিলি উপজাতি) ক্ষেত্রে অনুদানের ব্যবস্থা করা। রাজনৈতিক রক্ষাকবচ অনুচ্ছেদ ১৬৪(১)— বিহার, মধ্যপ্রদেশ ও ওড়িশার জন্য আদিবাসী বিষয় সংক্রান্ত মন্ত্রীর ব্যবস্থা। অনুচ্ছেদ ৩৩০— লোকসভায় তফশিলি উপজাতিদের জন্য আসন সংরক্ষণ। অনুচ্ছেদ ৩৩৭— রাজ্য বিধানসভাগুলিতে তফশিলি উপজাতিভুক্তদের জন্য আসন সংরক্ষণ। অনুচ্ছেদ ৩৩৪— ১০ বছরের জন্য সংরক্ষণ (বহু বার তা সংশোধিত হয়ে সংরক্ষণের সময়সীমা বেড়েছে।) অনুচ্ছেদ ২৪৩— পঞ্চায়েতে আসন সংরক্ষণ। অনুচ্ছেদ ৩৭১— উত্তর পূর্বাঞ্চলের রাজ্যগুলি ও সিকিমের জন্য বিশেষ ব্যবস্থা। বিভিন্ন আইনি রক্ষাকবচ দ্য শিডিউলড কাস্টস অ্যান্ড শিডিউলড ট্রাইবস (প্রিভেনশন অফ অ্যাট্রসিটিস) অ্যাক্ট ১৯৮৯ (তফশিলি জাতি ও তফশিলি উপজাতি, অত্যাচার নিরোধ আইন) এবং তৎসংক্রান্ত বিধি ১৯৯৫। বন্ডেড লেবার সিস্টেম (অ্যাবোলিশন) অ্যাক্ট ১৯৭৬ (বেগার শ্রম ব্যবস্থা বিলোপ আইন) (তফশিলি উপজাতি সংক্রান্ত)। দ্য চাইল্ড লেবার (প্রহিবিশন অ্যান্ড রেগুলেশন) অ্যাক্ট ১৯৮৬ (শিশু শ্রম, নিষিদ্ধ ও নিয়ন্ত্রণ আইন) । ফরেস্ট কনজারভেশন অ্যাক্ট ১৯৮০ (বন সংরক্ষণ আইন)। পঞ্চায়েতিরাজ (এক্সটেনশন টু শিডিউলড এরিয়াজ) অ্যাক্ট ১৯৯৬ ( তফশিলি এলাকায় পঞ্চায়েতিরাজ প্রসার আইন) । মিনিমাম ওয়েজেস অ্যাক্ট ১৯৪৮ (ন্যূনতম পারিশ্রমিক আইন)। তফশিলি উপজাতিভুক্তদের জমি থেকে বিচ্ছিন করা ও জমি ফিরিয়ে দেওয়া সংক্রান্ত রাজ্যের আইন ও বিধিসমূহ। সুত্রঃ পোর্টাল কনটেন্ট টিম