প্রয়োজনীয় দ্রব্যাদি ১০০ লিটার ৫% এনএস্কেই দ্রবণ তৈরির জন্য নিম বীজের শাঁস (ভালো ভাবে শুকোনো) – ৫ কিলো. জল (বেশ ভালো মানের) – ১০০ লিটার ডিটারজেন্ট ২০০ গ্রা ছাঁকার জন্য মসলিন কাপড় প্রস্তুত প্রণালী প্রয়োজনমতো নিম বীজের শাঁস (৫ কিলো) নিন শাঁসটিকে আলতো ভাবে পিষে পাউডার করে নিন ১০ লিটার জলে একে সারা রাত ভিজিয়ে রাখুন সকালে একটি কাঠের হাতা দিয়ে দ্রবণটিকে নাড়তে থাকুন যতক্ষণ না এটি দুধের মতো সাদা হয়ে যায় দু’ ভাঁজ করা মসলিনের কাপড়ের মধ্যে দিয়ে এটিকে ছেঁকে নিয়ে পরিমাণ ১০০ লিটার করে নিন ১% ডিটারজেন্ট মেশান (ডিটারজেন্টের একটি পেস্ট তৈরি করুন, তার পর তা স্প্রে দ্রবণে মধ্যে মেশান) স্প্রে দ্রবণটি ভালো ভাবে মিশিয়ে নিন, তার পর ব্যবহার করুন যে সব বিষয়ে লক্ষ রাখা দরকার ফল ধরার মরশুমে নিমের ফল সংগ্রহ করুন এবং ছায়ায় রেখে হাওয়াতে এগুলি শুকনো করে নিন ৮ মাসের বেশি পুরোনো বীজ ব্যবহার করবেন না। এর চেয়ে বেশি দিন ধরে জমিয়ে রাখা বীজের কার্যকারিতা নষ্ট হয়ে যায়, ফলে সেগুলি এনএস্কেই তৈরিতে কাজে আসে না সব সময় তাজা এনএসকেই ব্যবহার করুন ভালো ফল পেতে হলে নির্যাসটি বিকেল সাড়ে তিনটের পরে স্প্রে করুন। স্প্রে দ্রবণ প্রস্তুতি ১০ লিটার ধারণ ক্ষমতাসম্পন্ন ট্যাঙ্কের জন্য ৫০০- ২০০০ মিলি নিম বীজের শাঁসের নির্যাস প্রয়োজন। ১ একর জমির জন্য ৩-৫ কিলো নিম বীজ লাগে। বীজের আচ্ছাদনটি খুলে কেবল শাঁসটি ব্যবহার করুন। যদি বীজ তাজা হয়, তা হলে ৩ কিলো যথেষ্ট, পুরনো বীজ হলে ৫ কিলো লাগবে। বীজের শাঁস আলতো করে গুঁড়ো করে আলগা ভাবে সুতির কাপড়ে বেঁধে সারা রাত ১০ লিটার জলের ট্যাঙ্কে ভেজাতে হবে। তার পর তাকে ছাঁকতে হবে। ছাঁকার পর ৬-৭ লিটার নির্যাস পাওয়া যায়। ৯ থেকে সাড়ে ৯ লিটার জলের সঙ্গে ৫০০-১০০০ মিলি নির্যাস মিশিয়ে তরল করে নিতে হবে। স্প্রে করার আগে প্রতি লিটারে ১০ মিলি খাদি সাবানের দ্রবণ মেশাতে হবে, যাতে নির্যাস পাতার গায়ে ভালো মতো লেগে যায়। পোকামাকড়ের আক্রমণের কম বেশির উপরে নির্যাসের ঘনত্ব বাড়ানো বা কমানো নির্ভর করে। সূত্রঃ TNAU Agritech পোর্টাল