অনলাইনে আয়কর রিটার্ন কোথায় বাধ্যতামূলক ইলেকট্র্নিক প্রক্রিয়ায় ইন্টারনেটের মাধ্যমে আয়কর রিটার্ন/ফর্ম দাখিলকেই ই-ফাইলিং বলা হয়। নিম্নলিখিত ক্ষেত্রে রিটার্ন/ফর্ম-এর ই-ফাইলিং বাধ্যতামূলক -- ১. অ্যাসেসমেন্ট বছর ২০১৩-১৪ ও পরবর্তী বছরগুলি থেকে কোন করদাতার মোট আয় পাঁচ লক্ষ টাকা বা তার বেশি হলে। ২. অ্যাসেসমেন্ট বছর ২০১২-১৩ ও পরবর্তী বছরগুলি থেকে এ দেশের নাগরিক কোনও ব্যক্তিবিশেষ/ হিন্দু যৌথ পরিবারের দেশের বাইরে সম্পত্তি থাকলে। ৩. আয়কর আইনের ১০(২৩সি)(IV), ১০(২৩সি)(V), ১০(২৩সি)(VI), ১০(২৩সি)(via), ১০এ, ১২এ(১)(বি), ৪৪এবি, ৮০-আইএ, ৮০-আইবি, ৮০-আইসি, ৮০-আইডি, ৮০জেজেএএ, ৮০এলএ, ৯২ই বা ১১৫জেবি ধারা অনুয়াযী যে করদাতাকে অডিট রিপোর্ট জমা দিতে হয় তাঁকে ২০১৩-১৪ অ্যাসেসমেন্ট বছর ও পরবর্তী অ্যাসেসমেন্ট বছর থেকে ওই অডিট রিপোর্ট এবং আয়ের রিটার্ন ইলেকট্রনিক মাধ্যমে জমা দিতে হবে। ৪. আইনের ১১(২)(এ) ধারা অনুযায়ী যে করদাতা নোটিশ দিতে চান তাঁকে তা ২০১৩-১৪ এবং পরবর্তী অ্যাসেসমেন্ট বছর থেকে ইলেকট্রনিক মাধ্যমে দিতে হবে। ৫. সমস্ত কোম্পানিকে ই-রিটার্ন/ফর্ম ইলেকট্রনিক মাধ্যমে দিতে হবে। ৬. ফার্ম (যাদের ক্ষেত্রে ৪৪এবি ধারা প্রযোজ্য নয়), এওপি, বিওআই, কৃত্রিম বিচার সম্বন্ধীয় ব্যক্তি, সমবায় সংস্থা এবং স্থানীয় কর্তৃপক্ষ যাদের আইটিআর ৫ জমা দিতে হয় তারা ২০১৪-১৫ অ্যাসেসমেন্ট বছর ও পরবর্তী অ্যাসেসমেন্ট বছর থেকে ইলেকট্রনিক মাধ্যমে জমা দিতে হবে। ৭. একজন করদাতা যাকে ১৩৯(৪বি) ধারা অনুসারে আইটিআর ৭-এ রিটার্ন জমা দিতে হয় তাঁকে ইলেকট্রনিক মাধ্যমে জমা দিতে হবে। ৮. ভারতের বাসিন্দা যিনি দেশের বাইরে কোনও অ্যাকাউন্টে স্বাক্ষরকারী কর্তৃপক্ষ। ৯. আয়কর আইন ৯০ বা ৯০এ অনুসারে যিনি ছাড় চান বা ৯১ ধারা অনুসারে ডিডাকশন চান। ই-ফাইলিং-এর ধরন ১. পছন্দ ১ -- ই-ফাইল করতে ডিজিটাল স্বাক্ষর শংসাপত্র (ডিজিট্যাল সিগনেচার সার্টিফিকেট সংক্ষেপে ডিএসসি) ব্যবহার করুন। ফলে পরবর্তীতে আর কোনও পদক্ষেপ নেওয়ার দরকার নেই। ২. পছন্দ ২ -- ডিএসসি ছাড়া ই-ফাইল করলে একটি আইটিআর-V ফর্ম তৈরি হয়, এই ফর্মটির প্রিন্ট নিয়ে সই করে সিপিসি, বেঙ্গালুরুতে ই –ফাইল করার ১২০ দিনের মধ্যে সাধারণ পোস্ট বা স্পিড পোস্টে পাঠাতে হয়। এই ফর্মটি জমা দেওয়া হয়ে গেলে আর কোনও পদক্ষেপের প্রয়োজন নেই। ৩. পছন্দ ৩ -- ডিএসসি সহ বা ছাড়া ই-রিটার্ন ইন্টারমেডিয়ারির (ইআরআই) মাধ্যমে আয়করের রিটার্ন ই-ফাইল করুন। দ্রষ্টব্য: একজন চাটার্ড অ্যাকাউন্টটেন্ট দ্বারা ডিএসসি ব্যবহার করে আয়কর ফর্ম জমা দেওয়া বাধ্যতামূলক। আয়কর রিটার্ন ই-ফাইলিং-এর ক্ষেত্রে যে ডিএসসিটি ব্যাবহার করা হচ্ছে সেটি অবশ্যই ই-ফাইলিং আবেদনে নথিভুক্ত থাকতে হবে। ই-ফাইলিং আবেদনের পূর্বশর্ত ১. ব্যবহারকারীকে নিবন্ধীকরণ করতে হবে https://incometaxindiaefiling.gov.in –এ। ২. নিবন্ধীকরণের পূর্বশর্ত হল প্যান কার্ড নম্বর চ্যাটার্ড অ্যাকাউন্টটেন্টের জন্য আইসিএআই-এর সদস্যপদ ৩. নিবন্ধীকরণের পদ্ধতি প্যান নম্বর, পাসওয়ার্ড, প্যান কার্ড অনুযায়ী আপনার ব্যক্তিগত তথ্য বিস্তারিত ভাবে, যোগাযোগের নম্বর এবং ডিজিটাল স্বাক্ষর (যদি পাওয়ায় যা এবং প্রযোজ্য হয়) দিন অনুরোধ পাঠান সফল হলে একটি সক্রিয়করণ লিঙ্ক পাঠানো হবে ই-মেলে এবং মোবাইল পিন মোবাইল নম্বরে। সক্রিয়করণ লিঙ্কটি খুলুন এবং আপনার ই-ফাইলিং অ্যাকাউন্টকে সক্রিয় করতে মোবাইল পিনটি দিন। একবার নথিভুক্ত হলে, ব্যবহারকারী ইউজার আইডি এবং পাসওয়ার্ড, জন্ম তারিখ এবং ক্যাপ্টচা কোড লগ ইন করতে পারবেন। কী ভাবে ই-ফাইল আয়কর রিটার্ন ই-ফাইল করা যাবে : ১. আয়কর রিটার্ন আপলোড-- করদাতা আয়কর রিটার্ন ই-ফাইল করতে পারবেন আইটিআর ১ থেকে আইটিআর ৭-এ। ২. আইটিআর ১/আইটিআর ৪ এস অনলাইনে জমা-- একজন করদাতা অনলাইনে আয়কর রিটার্ন-আইটিআর-১/আইটিআর ৪এস জমা দিতে পারবেন। কী ভাবে আয়কর রিটার্ন আপলোড করবেন : ১. ‘ডাইনলোড’ বিভাগে যান এবং সংশ্লিষ্ট অ্যাসেসমেন্ট বছরে প্রযোজ্য আয়কর রিটার্ন ফর্ম বাছুন ২. আয়কর রিটার্নের (আইটিআর) ইউটিলিটি ডাউনলোড করুন ৩. ইউটিলিটি পূরণ করুন এবং বৈধ করুন ৪. এক্সএমএল ফাইল তৈরি করুন এবং আপনার কমপিউটারের নির্দিষ্ট জায়গা সেভ করে রাখুন ৫. ই-ফাইলিং আবেদনে লগ-ইন করুন এবং এই ধাপগুলি প্রযোগ করুন। গো টু —> ই-ফাইল—>আপলোড রিটার্ন ৬. আয়কর রিটার্ন ফর্ম এবং অ্যাসেসমেন্ট বছর বাছুন ৭. আপনার কমপিউটারে রাখা এক্সএমএল ফাইলটিকে সিলেক্ট করুন ৮. ডিজিটাল স্বাক্ষর সার্টিফিকেট আপলোড করুন। যদি পাওয়া যায় এবং প্রযোজ্য হয়। ৯. ‘সাবমিট’-এ ক্লিক করুন ১০.সফলতার সঙ্গে আপলোড হলে আপনার আবেদন স্বীকৃতির বিস্তারিত দেখা যাবে। দেখার জন্য ও প্রিন্ট করার জন্য লিঙ্কে ক্লিক করুন। দ্রষ্টব্য: ১. ডিজিটাল স্বাক্ষর সার্টিফিকেট ব্যবহার করে ই-ফাইল করতে হলে তা আবেদনে নিবন্ধন করতে হবে। ২. যদি আয়কর রিটার্ন ডিএসসি (ডিজিটালি সই করা)- সহ আপলোড করা হয়, তবে ‘অ্যাকনলেজমেন্ট’ তৈরি সঙ্গে সঙ্গে আবদনের প্রক্রিয়াটি সম্পূর্ণ হবে ৩. যদি ডিএসি (ডিজিটালি সই করা) ছাড়া রিটার্ন আপলোড করা হয়, তবে সফলতার সঙ্গে আপলোড হলে একটি আইটিআর-V ফর্ম তৈরি হবে। এটি আবেদনে স্বীকৃতি এবং যাচাইয়ের ফর্ম। এই ফর্মটি খুঁটিয়ে দেখে, সই করে সিপিসিতে পাঠাতে হবে। সিপিসি, বেঙ্গালুরু আইটিআর-V ফর্ম পেলেই আপনার ই-রিটার্ন জমা দেওয়ার প্রক্রিয়া সম্পূর্ণ হবে। অনলাইনে আইটিআর-১/আইটিআর ৪এস জমা ১. ই-ফাইলিং আবেদনে লগ-ইন করুন ২. ‘ই-ফাইল’-এ যান —>‘প্রিপেয়ার অ্যান্ড সাবমিট আইটিআর অনলাইন’ ৩. আয়কর রির্টান ফর্ম আইটিআর১/ আইটিআর৪এস এবং অ্যাসেসমেন্ট বছর বাছুন ৪. বিস্তারিত ভাবে পূরণ করে ‘সাবমিট’-এ ক্লিক করুন ৫. সফলভাবে জমা হয়ে গেলে, আবেদনের স্বীকৃতির বিস্তারিত দেখা যাবে। দেখার জন্য ও প্রিন্ট করার জন্য লিঙ্কে ক্লিক করুন। দ্রষ্টব্য: ১. ডিজিটাল স্বাক্ষর সার্টিফিকেট ব্যবহার করে ই-ফাইল করতে হলে তা আবেদনে নিবন্ধন করতে হবে। ২. যদি আয়কর রিটার্ন ডিএসসি (ডিজিটালি সই করা)- সহ আপলোড করা হয়, তবে ‘অ্যাকনলেজমেন্ট’ তৈরি সঙ্গে সঙ্গে আবদনের প্রক্রিয়াটি সম্পূর্ণ হবে ৩. যদি ডিএসি (ডিজিটালি সই করা) ছাড়া রিটার্ন আপলোড করা হয়, তবে সফলতার সঙ্গে আপলোড হলে একটি আইটিআর-V ফর্ম তৈরি হবে। এটি আবেদনে স্বীকৃতি এবং যাচাইয়ের ফর্ম। এই ফর্মটি খুঁটিয়ে দেখে, সই করে সিপিসিতে পাঠাতে হবে। সিপিসি, বেঙ্গালুরু আইটিআর-V ফর্ম পেলেই আপনার ই-রিটার্ন জমা দেওয়ার প্রক্রিয়া সম্পূর্ণ হবে। সহায়তার প্রয়োজনে: আয়কর/প্যান/ট্যান/অন্যান্য কোনও জিজ্ঞাসা থাকলে ফোন করুন ১৮০০ ১৮০ ১৯৬১ ফেরত সংক্রান্ত কোনও প্রশ্নের জন্য ফোন করুন ১৮০০ ৪২৫ ২২২৯ ই-রিটার্ন জমা দেওয়া সংক্রান্ত কোনও প্রশ্নের জন্য ফোন করুন ১৮০০ ৪২৫০ ০০২৫ সূত্র : আয়কর বিভাগ, অর্থমন্ত্রকের রাজস্ব বিভাগ https://incometaxindiaefiling.gov.in/e-Filing/