গোড়ার কথা ভারতের নির্বাচন কমিশন (ইসিআই) ভারতের নির্বাচন কমিশন একটি স্থায়ী সাংবিধানিক সংস্থা। সংবিধান অনুযায়ী ১৯৫০ সালের ২৫ জানুয়ারি এটি স্থাপিত হয়। ভারতের সংবিধান নির্বাচন কমিশনকে সংসদ ও রাজ্যগুলির বিধানসভা এবং রাষ্ট্রপতি ও উপরাষ্ট্রপতি নির্বাচনের দিকনির্দেশ, পরিচালনা এবং নিয়ন্ত্রণের যাবতীয় ক্ষমতা দিয়েছে। ভোটারদের শিক্ষা যে কোনও গণতন্ত্রের সফল পরিচালনা এবং সামগ্রিক গণতান্ত্রিক নির্বাচনের মূল ভিত্তি হল গণতান্ত্রিক ও ভোট প্রক্রিয়ায় নাগরিকদের অংশগ্রহণ। এই বিষয়কে মাথায় রেখে নির্বাচন কমিশন ২০০৯ সাল থেকে নির্বাচন পরিচালনার মূল অংশ হিসাবে ভোটারদের শিক্ষা ও ভোট প্রক্রিয়ায় অংশগ্রহণকে গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হিসাবে গ্রহণ করেছে। কে ভোটার হতে পারে ক) অন্য কোনও কারণে অযোগ্য বিবেচিত না হলে ১৮ বছর বয়সি প্রতিটি নাগরিক ভোটার হতে পারে ( সংশ্লিষ্ট বছরে ১ জানুয়ারি ভোটারের বয়স ১৮ বছর হতে হবে) খ) শুধুমাত্র বসবাসের সাধারণ জায়গায় তালিকাভুক্তি। গ) শুধুমাত্র এক জায়গায় তালিকাভুক্তি। ঘ) বিদেশে কর্মরত ভারতীয়দের পাসপোর্টে দেওয়া ঠিকানা গণ্য করা হয়। ঙ) সরকারি কাজে নিযুক্ত ভোটারদের সাধারণত বাড়ির ঠিকানায় আবাসিক বলে গণ্য করা হয়। নিবার্চনী তালিকা সাধারণত একটি বিধানসভা কেন্দ্রে বসবাসকারী ভোটারের নাম কর্তৃপক্ষ ভোটার তালিকায় তোলেন। সেই তালিকাটি সংশ্লিষ্ট বিধানসভা কেন্দ্রের ভোটার তালিকা হিসাবে গণ্য হয়। ভোটার পরিচয়পত্র কোনও ব্যক্তিকে ভোটার পরিচয়পত্রের জন্য আবেদন করতে হলে ফর্ম নম্বর ৬ পূরণ করতে হবে। যে বিধানসভা এলাকায় তিনি বাস করেন তার ভোটার রেজিস্ট্রেশন আধিকারিক/সহকারী ভোটার রেজিস্ট্রেশন আধিকারিকের কাছে এই ফর্ম পূরণ করতে হবে। সমস্ত প্রয়োজনীয় নথির ফটোকপি সহ সংশ্লিষ্ট আধিকারিকের কাছে এই আবেদন পূরণ করতে হবে অথবা ডাকের মাধ্যমে পাঠাতে হবে বা নির্দিষ্ট ভোটার এলাকায় বুথ লেভেল আধিকারিকের কাছে জমা দিতে হবে অথবা মুখ্য নির্বাচনী অধিকারিকের ওয়েব সাইটে গিয়ে বা নির্বাচন কমিশনের সাইটে গিয়ে অনলাইন ফর্ম পূরণ করে ভোটার কার্ডের জন্য আবেদন করা যাবে। অনলাইনে ফর্ম ৬ পূরণের সঙ্গে সঙ্গে প্রয়োজনীয় নথি আপলোড করতে হবে। ভোটারদের জন্য ফর্ম ৬ পূরণের চারটি বিকল্প আছে। সেগুলি হল অনলাইনে আবেদন; ওয়েবসাইট থেকে ফর্ম ৬ ডাউনলোড করে, তা পূরণ করে ডাকের মাধ্যমে তা পাঠানো; ফর্ম ৬ ডাউনলোড করার পর পূরণ করে ব্যক্তিগত ভাবে জমা দেওয়া এবং ব্যক্তিগত ভাবে ফর্ম ৬ সংগ্রহ করার পর পূরণ করে জমা দেওয়া। সুত্রঃ পোর্টাল কনটেন্ট টিম ভোটার হওয়ার জন্য অনলাইনে আবেদন ধাপ-১ : www.eci.nic.in বা www.ceodelhi.gov.in, সাইটে লগ অন করতে হবে অথবা সংশ্লিষ্ট রাজ্যের মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিকের ওয়েব সাইটে গিয়ে ‘অনলাইন ভোটার রেজিস্ট্রেশন’ ট্যাবে ক্লিক করতে হবে। ধাপ-২ : যদি আপনি নতুন ব্যবহারকারী হন তবে ‘সাইন আপ’ করুন। আপনি একটি ‘ইউজার নেম’ এবং ‘পাসওয়ার্ড’ পাবেন। ধাপ-৩ : ফর্মের নির্দিষ্ট জায়গায় পাসপোর্ট সাইজ রঙিন ছবি আপলোড করুন। এটি বাধ্যতামূলক। ধাপ-৪ : ঠিকানা এবং বয়স (বাধ্যতামূলক নয়) ফর্মের নির্দিষ্ট জায়গায় লিখুন। এটি বাধ্যতামূল নয়। যদি আপনি কোনও কারণে প্রয়োজনীয় নথি আপলোড করতে না পারেন তবে বুথ লেভেল অধিকারিক আপনার বাড়িতে এসে সমস্ত নথি নিয়ে যাবেন। প্রয়োজনীয় নথির মধ্যে রয়েছে --- ক) ঠিকানার প্রমাণ পত্র-(ড্রাইভিং লাইসেন্স, পোসপোর্ট, ব্যাঙ্কের পাশবই, আপনার ঠিকানায় আসা কোনও চিঠি ইত্যাদি)। যদি আপনি ছাত্র হন এবং বিশ্ববিদ্যালয়ের হোস্টেল/ ইনস্টিটিউট অথবা অন্য কোথাও থাকেন, ফর্ম ৬ এর অ্যানেক্সচার ১-এ নির্দিষ্ট প্রোফর্মায় ঘোষণাটি বেছে নিন। একটি স্ক্যান কপিও আপলোড করতে পারেন। খ) বয়সের প্রমাণপত্র- যেমন জন্ম শংসাপত্র, স্কুল ছাড়ার প্রমাণপত্র ইত্যাদি। তবে এটির প্রয়োজন তখনই যদি আপনি ১৮ থেকে ২১ বছর বয়সের মধ্যে হন। বিঃদ্রঃ- সফল ভাবে আবেদন জমা দেওয়ার জন্য এফিডেভিট (ফর্ম ২৬) ই-পূরণ সংক্রান্ত গাইডলাইন সহ নিম্নলিখিত নির্দেশাবলি পড়ুন এবং তা মেনে চলুন। ধাপ-১ : প্রথমবার ব্যবহারকারীকে ‘ক্লিক টু রেজিস্টার’-এ ক্লিক করতে হবে ক) ব্যবহারকারীকে একটি বৈধ মোবাইল নম্বর এবং ই-মেল আইডি দিতে হবে খ) ব্যবহারকারী একটি ওপিটি (ওয়ান টাইম পাসওয়ার্ড বা এককালীন পাসওয়ার্ড) পাবেন এসএমএস-এর মাধ্যমে তাঁর মোবাইলে এবং নির্দিষ্ট ই-মেলে। গ) পরবর্তী প্রক্রিয়ার জন্য ব্যবহারকারীকে ওই ওপিটি নির্দিষ্ট জায়গায় লিখতে হবে ঘ) এর পর বিস্তারিত যেমন, রাজ্যের নাম, নামের প্রথম অংশ এবং শেষ অংশ দিতে হবে ঙ) পাসওয়ার্ড দিতে হবে চ) ‘রেজিস্টার’-এ ক্লিক করুন; সফল ভাবে রেজিস্ট্রেশনের পর লগ ইনে যান এবং এফিডেভিট পূরণ করুন। ধাপ-২ : নথিভুক্ত মোবাইল নম্বর দিয়ে লগ ইন করুন (এই মোবাইল নম্বরই হবে ইউজার নেম) ধাপ-৩ : আপনার নাম, রাজ্য জেলা এবং যেখানে নথিভুক্ত হতে চান সেই কেন্দ্রের নাম উল্লেখ করুন। এক বার পূরণ করা হলে আর পরিবর্তন করা যাবে না। তাই খুব সচেতন ভাবে পূরণ করুন। ধাপ-৪ : পরবর্তী অংশ ধাপে ধাপে পূরণ করুন। সুত্রঃ পোর্টাল কনটেন্ট টিম আবেদন করার অন্যান্য পদ্ধতি ওয়েবসাইট থেকে ফর্ম ৬ ডাউনলোড করুন, পূরণ করে ডাকের মাধ্যমে তা পাঠান ধাপ-১: ফর্মের হোম পেজে যান। ধাপ-২ : আপনি একাধিক পছন্দের সুযোগ পাবেন, ফর্ম ৬ ক্লিক করুন প্রথম বার নতুন ভোটার হিসাবে নাম নথিভুক্ত করার জন্য। ধাপ-৩ : ফর্ম ডাউনলোড করুন, পূরণ করুন, নির্দিষ্ট জায়গায় একটি পাসপোর্ট সাইজ ফটো আটকান ধাপ-৪ : ফর্মে সই করুন এবং নিম্নলিখিত বিষয়গুলি জুড়ে দিন: ক) আপনার ঠিকানার প্রমাণপত্র হিসাবে গাড়ির লাইসেন্স, পাসপোর্ট, ব্যাঙ্ক পাস বই, আপনার ঠিকানায় আসা যে কোনও চিঠি ইত্যাদি। খ) বয়সের প্রমাণপত্র যদি আপনার বয়স ১৮ থেকে ২১ বছরের মধ্যে হয় (জন্মের শংসাপত্র, স্কুল ছাড়ার শংসাপত্র ইত্যাদি) ধাপ-৫ পূরণ করা ফর্ম এবং সমস্ত নথি ডাকে আপনার নির্বাচনী কেন্দ্রের ভিআরইসি-তে (ভোটার রেজিস্ট্রেশন অ্যান্ড এপিক সেন্টার) পাঠান। ফর্ম ৬ ডাউনলোড করুন এবং পূরণ করে ব্যক্তিগত ভাবে জমা দিন ধাপ-১: ফর্মের হোম পেজে যান। ধাপ-২ : আপনি একাধিক পছন্দের সুযোগ পাবেন, ফর্ম ৬ ক্লিক করুন প্রথম বার নতুন ভোটার হিসাবে নাম নথিভুক্ত করার জন্য। ধাপ-৩ : ফর্ম ডাউনলোড করুন, পূরণ করুন, নির্দিষ্ট জায়গায় একটি পাসপোর্ট সাইজ ফটো আটকান ধাপ-৪ : ফর্মে সই করুন এবং নিম্নলিখিত বিষয়গুলি জুড়ে দিন: ক) আপনার ঠিকানার প্রমাণপত্র হিসাবে গাড়ির লাইসেন্স, পাসপোর্ট, ব্যাঙ্ক পাস বই, আপনার ঠিকানায় আসা যে কোনও চিঠি ইত্যাদি। খ) বয়সের প্রমাণপত্র যদি আপনার বয়স ১৮ থেকে ২১ বছরের মধ্যে হয় (জন্মের শংসাপত্র, স্কুল ছাড়ার শংসাপত্র ইত্যাদি) ধাপ-৫ : আপনি আপনার পূরণ করা ফর্ম নিম্নলিখিত যে কোনও একটি জায়গায় জমা দিন : ক) আপনার বিধানসভা কেন্দ্রের ভিআরইসি-তে খ) আপনার নিকটবর্তী জমা দেওয়ার জন্য নির্দেশিত স্থানে যান। নির্দেশিত স্থান জানতে রাজ্য মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিকের ওয়েবসাইট দেখুন। গ) আপনি আপনার নথি বুথ লেভেল অধিকারিকের (বিএলও) কাছে জমা দিন। আপনার বিএলও কে, জানতে মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিকের ওয়েবসাইট দেখুন। ব্যক্তিগত ভাবে ফর্ম ৬ সংগ্রহ করুন এবং জমা দিন ধাপ-১ : আপনি আপনার বিধানসভা কেন্দ্রে ভিআরইসি-তে যান অথবা নিকটবর্তী নির্দেশিত স্থানে যান বা আপনার বিএলও কাছে যান। সেখানে থেকে ফর্ম সংগ্রহ করুন। জন্ম (১৮ থেকে ২১ বছরের মধ্যে হলে) এবং ঠিকানার প্রমাণপত্র জুড়ে দিন এবং নিম্নলিখিত স্থানে জমা করুন : i) আপনার ভিআরইসি-তে ii) নিকতবর্তী নির্দেশিত স্থান iii) আপনার বিএলও iv) ডাকের মাধ্যমে ভিআরইসি-তে বিশেষ সংশোধিত ভোটার তালিকা প্রকাশের সময় বিএলও এবং নির্দেশিত স্থান থেকে ফর্ম সংগ্রহ এবং জমা করা যায়। এ সংক্রান্ত তথ্য পেতে হলে মাঝেমধ্যে রাজ্য মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিকের ওয়েবসাইট দেখুন। সুত্রঃ পোর্টাল কনটেন্ট টিম প্রয়োজনীয় নথি যে কোনও গণতন্ত্রের সফল পরিচালনা এবং সামগ্রিক গণতান্ত্রিক নির্বাচনের মূল ভিত্তি হল গণতান্ত্রিক ও ভোট প্রক্রিয়ায় নাগরিকদের অংশগ্রহণ। সাধারণত একটি বিধানসভা কেন্দ্রে বসবাসকারী ভোটারের নাম কর্তৃপক্ষ ভোটার তালিকায় তোলেন। সেই তালিকাটি সংশ্লিষ্ট বিধানসভা কেন্দ্রের ভোটার তালিকা হিসাবে গণ্য হয়। তাই ভোটার তালিকায় নাম তোলা একটি জরুরি এবং গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হিসাবে গণ্য হয়। তালিকায় নাম তুলতে গেলে নিম্নলিখিত নথি লাগবে। বয়সের প্রমাণপত্র বয়সের প্রমাণপত্র হিসাবে একাধিক নথির উদাহরণ দেওয়া আছে। এর মধ্যে যে কোনও একটিকে আপনি বেছে নিতে পারেন: ক) পুরসভা, জেলা জন্ম ও মৃত্যু রেজিস্ট্রার অফিস থেকে দেওয়া জন্মের শংসাপত্র বা ব্যাপটিজম শংসাপত্র; বা খ) সর্বশেষ ভর্তি হওয়া স্কুলের দেওয়া জন্মের শংসাপত্র বা অন্য কোনও অনুমোদিত শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শংসাপত্র; বা গ) যদি আবেদনকারী দশম শ্রেণি বা তার বেশি পর্যন্ত পড়াশোনা করে থাকেন তবে দশম বা দ্বাদশ শ্রেণির মার্কশিট যেখানে জন্ম তারিখ লেখা আছে; বা ঘ) অষ্টম শ্রেণির মার্কশিট যদি সেখানে জন্ম তারিখ লেখা থাকে; বা ঙ) পঞ্চম শ্রেণির মার্কশিট যদি সেখানে জন্ম তারিখ লেখা থাকে; বা চ) যদি আবেদনকারী দশম শ্রেণি পর্যন্ত পড়াশোনা না করেন তবে অ্যানেস্কচার-১-এ দেওয়া নির্দিষ্ট ফরম্যাটে তা ঘোষণা করবেন আবেদনকারীর মা-বাবা। (এ ক্ষেত্রে বিএলও/ইআরও/এইআরও কাছে গিয়ে তা জানাতে হবে); বা ছ) যদি আবেদনকারীর মা-বাবা বেঁচে না থাকেন, বা যদি তিনি দশম শ্রেণি পর্যন্ত পড়াশোনা না করে থাকেন তবে সংশ্লিষ্ট গ্রাম পঞ্চায়েত বা পুরসভার সদস্য বয়সের শংসাপত্র দেবেন; বা জ) কোনও সরকারি নথি যেখানে বয়সের উল্লেখ আছে, যেমন পাসপোর্ট ঠিকানার প্রমাণপত্র ঠিকানার প্রমাণপত্র হিসাবে একাধিক নথির উল্লেখ করা হয়েছে। এর মধ্যে যে কোনও একটি আপনি বেছে নিতে পারেন : ক)ব্যাঙ্ক/কিষাণ/পোস্ট অফিসের পাশবই, বা খ)আবেদনকারীর রেশন কার্ড/পাসপোর্ট/ ড্রাইভিং লাইসেন্স/ইনকাম ট্যাক্স রির্টান ফাইল বা অ্যাসেসমেন্ট অর্ডার; বা গ) ওই ঠিকানায় সাম্প্রতিক জল/টেলিফোন/বিদ্যুৎ/ গ্যাস সংযোগের বিল, যেখানে আবেদনকারীর নাম বা তার নিকটতম আত্মীয় যেমন বাবা-মার নাম থাকলে; বা ঘ) ডাক বিভাগের মাধ্যমে আবেদনকারীর ঠিকানায় কোনও চিঠি পাওয়া বা পাঠানো।বিস্তারিত জানতে www.eci.nic.in ক্লিক করুন বা রাজ্য মুখ্য নির্বাচন আধিকারিকের ওয়েবসাইট দেখুন সুত্রঃ পোর্টাল কনটেন্ট টিম প্রয়োজনে নাম তুলে ফেলা বা সংশোধন করা যদি আপনি ইতিমধ্যেই ভোটার হিসাবে নাম লিখিয়ে থাকেন বা কোনও কারণে অন্য বিধানসভায় চলে যান তা হলে নাম তুলে ফেলা বা ভোটার তালিকায় নাম ভুল এলে তা সংশোধন করা সহ বেশ কিছু সুবিধা নির্বাচন কমিশন দিয়ে থাকে। নাম তুলে ফেলার জন্য আবেদন যদি ভোটার অন্য কোনও নির্বাচনী কেন্দ্রে চলে যান বা মারা যান বা ভুল তথ্য লেখা হয়, তবে নাম তুলে ফেলার জন্য আবেদন করা যেতে পারে। এ জন্য ফর্ম নং ৭ ব্যবহার করুন নাম সংশোধনের জন্য আবেদন যদি ভোটার তালিকা বা ফটো সহ পরিচয়পত্রে নামে কোনও ভুল আসে (যেমন, নিজের নাম বা বাবার নামে ভুল বা বয়সে ভুল), তবে তা সংশোধনের জন্য আবেদন করা যেতে পারে। ভুল সংশোধনের জন্য ফর্ম ৮ ব্যবহার করুন আপনার পরিচয়ের প্রমাণ হিসাবে জন্ম শংসাপত্রের ফটোকপি জমা দিন ভোটার তালিকায় স্থান পরিবর্তনের জন্য আবেদন যদি বাড়ি পরিবর্তনের কারণে কেউ অন্য কোনও নির্বাচনী কেন্দ্রে চলে যান তবে ভোটার তালিকায় স্থান পরিবর্তনের জন্য তিনি আবেদন করতে পারেন। এ জন্য ফর্ম নং ৮এ পূরণ করুন ঠিকানার প্রমাণপত্রের ফটোকপি জমা দিন (ব্যাঙ্কের পাশবই বা রেশন কার্ড, পাসপোর্ট, ড্রাইভিং লাইসেন্স, আয়কর অ্যাসেসমেন্ট অর্ডার বা আবেদনকারীর ঠিকানায় জলের/টেলিফোন/গ্যাস কানেকশন বিল (আবেদনকারীর নামে বা পিতা-মাতার নামে) বা পোস্টাল ঠিকানা চিঠি আসা বা পাঠানো। আবেদনপত্রের ধরন নাম নথিভুক্ত করার জন্য ফর্ম ৬ বিদেশে বসবাসকারী ভারতীয়দের জন্য ফর্ম নং ৬এ নাম নথিভুক্ত করণের ক্ষেত্রে কোনও অভিযোগ থাকলে ফর্ম ৭ ভোটার তালিকায় তথ্য সংশোধনের জন্য ফর্ম ৮ ভোটার তালিকায় তথ্য এ-দিক ও-দিক করার জন্য ফর্ম ৮এ কয়েকটি শ্রেণিভুক্ত ক্ষেত্রে ভোটারের ক্ষেত্রে ভোট দেওয়ার জন্য প্রক্সি নিয়োগ/ প্রক্সি ভোটার প্রত্যাহার বা অন্য কোনও প্রক্সি ভোটার নিয়োগের জন্য ফর্ম ১৩এফ এবং জি। সুত্রঃ পোর্টাল কনটেন্ট টিম ভোটার তালিকায় নাম রয়েছে কিনা জেনে নেওয়া ভোট দেওয়া প্রতিটি নাগরিকের গণতান্ত্রিক অধিকার। তাই নাগরিক হিসাবে ভোটার তালিকায় নাম রয়েছে কিনা তা জেনে নেওয়া একটি জরুরি বিষয়। অন্য কোনও কারণে অযোগ্য বিবেচিত না হলে ১৮ বছর বয়সি প্রতিটি নাগরিক ভোটার হতে পারে ( সংশ্লিষ্ট বছরে ১ জানুয়ারি ভোটারের বয়স ১৮ বছর হতে হবে)। একজন ভোটারের শুধুমাত্র বসবাসের সাধারণ জায়গায়তেই নাম তালিকাভুক্তি হতে পারে। দেশের যে কোন এক জায়গায় তার নাম তালিকাভুক্তি হতে পারে। দু’জায়গায় ভোটার তালিকায় নাম নথিভুক্ত করা যায় না। যদি আপনি ইতিমধ্যেই ভোটার হিসাবে নাম লিখিয়ে থাকেন বা কোনও কারণে অন্য বিধানসভায় চলে যান তা হলে নাম তুলে ফেলা বা ভোটার তালিকায় নাম ভুল এলে তা সংশোধন করা সহ বেশ কিছু সুবিধা নির্বাচন কমিশন দিয়ে থাকে।যদি ভোটার মারা যান সেক্ষেত্রে তালিকা থেকে নাম মুছে দেওয়া যেতে পারে। প্রতিটি রাজ্য নির্বাচন কমিশন ভোটার তালিকা ওয়েবসাইটে তুলে দেয় যাতে ভোটার তার এবং পরিবারের সদস্যদের তালিকায় নাম রয়েছে কিনা দেখে নিতে পারেন। এটি নিবার্চন কমিশনের একটি উল্লেখযোগ্য ই-গভর্ন্যান্স উদ্যোগ। আপনি সংশ্লিষ্ট রাজ্য নির্বাচন কমিশনের ওয়েবসাইটে গিয়ে তালিকায় নাম রয়েছে কিনা তা দেখে নিতে পারে। আপনার রাজ্য নির্বাচন করুন এবং তালিকায় নাম রয়েছে কিনা দেখে নিন আন্দামান এবং নিকোবর অন্ধ্র প্রদেশ অরুণাচল প্রদেশ অসম বিহার চণ্ডীগড় ছত্তিসগড় দাদরা এবং নাগর হাভেলি দমন এবং দিউ দিল্লির এনসিটি গোয়া গুজরাত হরিয়ানা হিমাচল প্রদেশ জম্মু এবং কাশ্মীর ঝাড়খণ্ড কর্ণাটক কেরালা লাক্ষাদ্বীপ মধ্যপ্রদেশ মহারাষ্ট্র মণিপুর মেঘালয় মিজোরাম নাগাল্যান্ড ওড়িশা পুদুচেরি পঞ্জাব রাজস্থান সিকিম তামিলনাড়ু ত্রিপুরা উত্তরাখণ্ড উত্তরপ্রদেস পশ্চিমবঙ্গ সুত্রঃ পোর্টাল কনটেন্ট টিম অভিযোগ নিস্পত্তির ব্যবস্থা ভারতের নির্বাচন কমিশন একটি স্থায়ী সাংবিধানিক সংস্থা। সংবিধান অনুযায়ী ১৯৫০ সালের ২৫ জানুয়ারি এটি স্থাপিত হয়। ভারতের সংবিধান নির্বাচন কমিশনকে সংসদ ও রাজ্যগুলির বিধানসভা এবং রাষ্ট্রপতি ও উপরাষ্ট্রপতি নির্বাচনের দিকনির্দেশ, পরিচালনা এবং নিয়ন্ত্রণের যাবতীয় ক্ষমতা দিয়েছে।ভারতীয় সংবিধানের ৩২৪ অনুচ্ছেদ অনুযায়ী, সুষ্ঠু ও স্বচ্ছ নির্বাচন প্রক্রিয়া পরিচালনা করার জন্য ভারতের নির্বাচন কমিশন একটি স্বাধীন সংবিধান-স্বীকৃত কর্তৃপক্ষ।অন্য অর্থে একে ভারতীয় নাগরিকের গণতান্ত্রিক অধিকারের অন্যতম রক্ষক বলা যেতে পারে। প্রতিটি নাগরিক যাতে সুষ্ঠভাবে ভোট দিতে পারেন তারজন্য দায়বদ্ধ নির্বাচন কমিশন। তাই নাগরিকের নাম ভোট তালিকায় আছে কিনা তা নিয়ে কোনও অভিযোগ আছে কিনা এই বিষয়গুলি দেখা কমিশনের অন্যতম কর্তব্য। প্রতিটি নাগরিককে সচিত্র পরিচয়পত্র দিয়ে থাকে নির্বাচন কমিশন। বর্তমানে এটিই ভারতীয় নাগরিকের নাগরিকত্বের পরিচয়। তাই এতে এই পরিচয় পত্রে যদি কোনও ভুল থাকে তা সংশোধন করা নির্বাচন কমিশনে অন্যতম কর্তব্য। এই সংশোধনের জন্য নির্বাচন কমিশনকে আবেদন করতে হয়। কমিশন সংশ্লিষ্ট আবেদনটি খতিয়ে দেখে তালিকায় সংশোধন করে থাকে বা সচিত্র পরিচয় পত্রে যদি কোনও ভুল থাকে তবে তা সংশোধন করে থাকে। মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিক রাজ্য স্তরে জেলা নির্বাচনী আধিকারিক জেলা স্তরে রির্টানিংঅফিসার নির্বাচনী ক্ষেত্র স্তরে সহকারী রির্টানিং অফিসার তালুক/তহশিল স্তরে ভোটার রেজিস্ট্রেশন অফিসার নির্বাচন ক্ষেত্র স্তরে প্রিসাইডিং অফিসার পোলিং স্টেশনে জোনাল অফিসার কয়েকটি পোলিং স্টেশনের গ্রুপে এদের বিস্তারিত ঠিকানা সংশ্লিষ্ট রাজ্য এবং কেন্দ্রশাসিত অঞ্চলের মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিকের ওয়েবসাইটে পাওয়া যাবে। প্রতিটি নির্বাচনের সময় কমিশন পর্যবেক্ষক হিসাবে বাইরের সিনিয়র আধিকারিকদের নিয়োগ করেন। তাঁদের কাছেও অভিযোগ জানানো যাবে। সংশ্লিষ্ট সংযোগ : Election Commission of India Delhi -State Election Commission