রেজিস্ট্রশনের ক্ষেত্রে দুর্নীতি নিয়ে নানান অভিযোগ রয়েছে। স্ট্যাম্প নিয়ে শুধু দুর্নীতির নয় এর ফলে সরকারের ঘরে রাজস্বও কম আসে। তাই রেজিস্ট্রেশনের ক্ষেত্রে দুর্নীতি রুখতে ই-স্ট্যাম্পিং প্রকল্প চালু করল পঞ্জাব সরকার। এর ফলে রাজস্ব সংক্রান্ত লেনদেন স্বচ্ছতা এবং নিরাপত্তার সঙ্গে করা সম্ভব হবে। কী এই নতুন ব্যবস্থা এই নতুন ব্যবস্থায় প্র্ত্যেকে তার নিকটবর্তী এলাকার ব্যাঙ্কে রেজিস্ট্রেশনের ফি জমা দিতে পারবে। এর ফলে নির্দিষ্ট ফি দিয়ে জনগণ স্ট্যাম্প কিনতে পারবে। লম্বা লাইনে দাঁড়াতে হবে না। বেশির ভাগ সময়ই স্ট্যাম্প কেনার জন্য বাড়তি টাকা দিতে হয়। কৃত্রিম অভাব দেখিয়ে স্ট্যাম্প পেপার দিয়ে বাড়তি টাকা নেয় কিছু অসাধু ব্যক্তি। এর সঙ্গে রয়েছে অযথা হয়রানি। নয়া এই ব্যবস্থায় বাড়তি টাকা দিতে হবে না। অযথা হয়রানিও হবে না। নতুন এই ব্যবস্থার মাধ্যমে গ্রাহক তার স্ট্যাম্প ফি ড্রাফট অথবা চেকের মাধ্যমে দিতে পারবে। এর জন্য বাড়তি কোনও অর্থ লাগবে না। নয়া এই ব্যবস্থার সুবিধা কী প্রতিটি স্ট্যাম্প পেপারে একটি নির্দিষ্ট আইডি থাকবে। যেটি অনলাইনে যাচাই করে নেওয়াও যাবে। নিরাপত্তার জন্য ২ডি বারকোডে আল্ট্রা ভায়লেট, মাইক্রো ফিল্ম, থার্মাল ফিক্সচার এনক্রিপ্ট করা থাকবে। আগে রাজ্যে এই স্ট্যাম্প পেপার একটি নির্দিষ্ট ব্যাঙ্কের শাখা থেকে পাওয়া যেত। তবে এখন রাজ্যের ২২ স্বীকৃত ব্যাঙ্কের শাখা থেকে স্ট্যাম্প পেপার পাওয়া যাবে। ফলত সাধারণ মানুষ তার নিকটবর্তী শাখা থেকে স্ট্যাম্প কিনতে পারবেন। ইতিমধ্যেই রাজ্যের পাঁচটি জেলা, মোহালি, অমৃতসর, জলন্ধর, লুধিয়ানা এবং ভাটিন্ডায় পাইলট প্রজেক্ট হিসাবে ই-স্ট্যাম্পিং ব্যবস্থা চালু করেছে পাঞ্জাব সরকার। চালুর পর থেকে সাফল্য মিলতে শুরু করেছে। সরকারের রাজস্ব বেড়েছে। যারা স্ট্যাম্প কিনতে টান তাদেরও অযথা হয়রানি কমেছে। এই সাফল্যে পঞ্জাব সরকার তাদের লক্ষ্যের বিস্তার ঘটিয়েছে। আগামীদিনে রাজ্যের বাকি সব ক’টি জেলায় এই উদ্যোগ চালু করার পরিকল্পনা রয়েছে সরকারের। সুত্রঃ পোর্টাল কনটেন্ট টিম