কলাম এবং রো এর পরিচ্ছেদক অংশ হল সেল। সেই অনুযায়ী সেলের নামকরণ করা হয়। যেমন সব চেয়ে ওপরের সেল হল একই কলমের দ্বিতীয় সেল A2। আগেই বলা হয়েছে এখানে কলামের নাম শুরু হয় A দিয়ে এবং রো শুরু হয় ১ দিয়ে। এই ভাবে সেলের নাম করণ এগিয়ে চলে। আপেক্ষিক ঠিকানা (রিলেটিভ অ্যাড্রেস ) রিলেটিভ অ্যাড্রেস বা আপেক্ষিক ঠিকানা বলতে বোঝানো হয় যখন বর্তমান সেলের অবস্থানের ওপর নির্ভর করে কোনও সেলের ঠিকানা নির্দিষ্ট করা হয়। যদি সেল A3 র জন্য কোন ফর্মুলা লেখা হয়, A3=A1+A2 এ ক্ষেত্রে সেলের ঠিকানা অবস্থানের ওপর নির্ভরশীল। যদি একই ফর্মুলা B3-র জন্য প্রয়োগ করতে চাওয়া হয়, ফর্মুলাটি আবার লিখতে হবে। যথা B3=B1+B2 কিন্তু অ্যাবসোলিউট অ্যাড্রেসিং বা নির্দিষ্ট ঠিকানার মাধ্যমে এই সমস্যার সমাধান করা সম্ভব। নির্দিষ্ট ঠিকানা (অ্যাবসোলিউট রেফারেন্স ) যে ক্ষেত্রে কোনও ফর্মুলা বা নিয়ম কোনও নির্দিষ্ট সেলের ঠিকানা অবস্থানের ওপর নির্ভর করে না, তাকে নির্দিষ্ট ঠিকানা বা অ্যাবসোলিউট রেফারেন্স বলা হয়। অ্যাবসোলিউট সেল রেফারেন্স বা নির্দিষ্ট ঠিকানা যে আকার ধারণ করে তা হল $A1, $B1, এবং এই ভাবে চলতে থাকে। কিছু সেলের ঠিকানা অনেক ক্ষেত্রেই মিশ্র হয়। অ্যাবসোলিউট রেফারেন্স বা নির্দিষ্ট রো যে রূপ নেয় তা হল $A1, $B1 প্রভৃতি। আপেক্ষিক ঠিকানার আকার $A1, $B1 প্রভৃতির মতো নয়। অ্যাবসোলিউট রেফারেন্স রো এবং কলাম পরিবর্তন করে ফর্মুলা লেখার সময় নিজেই স্বয়ংক্রিয় ভাবে নিয়ন্ত্রণ করে দেয়। রিলেটিভ রেফারেন্স বা আপেক্ষিক ঠিকানায় এই নিয়ন্ত্রণ করার সুবিধা থাকে না। একই ওয়ার্কশিটে বিভিন্ন সেলে কোনও ফর্মুলা কাজ করে আবার একই ওয়ার্কবুকে অন্যান্য শিটের সেলে অথবা অন্যান্য ওয়ার্কবুকের শিটের সেলে ফর্মুলা কাজ করতে পারে। নীচের উদাহরণটিতে B4 সেলে ২০ যোগ করে D5, E5 এবং F5 –এর মূল্য দিয়ে ফলাফলটি ভাগ করা হবে। সেল রেফারেন্স = (B4+20)/ SUM (D5:F5) এর মধ্যে (D5:F5) --- সীমানা নির্দেশক SUM --- ওয়ার্কশিটের কাজ / --- ভাগের অপারেটর + --- যোগের অপারেটর নোট : এ ক্ষেত্রে যোগ হল ওয়ার্কশিট প্রক্রিয়া। D5, E5 এবং F5-এর মূল্য যোগ করার প্রক্রিয়া পরে আলোচনা করা হবে। ফর্মুলা ব্যবহারের কিছু উদাহরণ নীচে দেওয়া হল --- প্রথম এবং শেষ নাম যোগ করা একটি কলামে প্রথমের নামের তালিকার সঙ্গে অন্য একটি কলামে রাখা শেষ নামের তালিকার সংযোজন করতে পারা যায়। যেমন সেল C5 -এ রয়েছে প্রথম নাম এবং সেল D6 – এ রয়েছে শেষ নাম। এই আকার বা ফরম্যাটে পুরো নাম দেখাতে হলে লিখতে হবে ‘লাস্ট – নেম, ফার্স্ট – নেম’ (উদাহরণ – গেটস বিল) (শেষ – নাম), ( প্রথম নাম) = D6”, “C5 যদি নিম্ন লিখিত আকার বা ফরম্যাট পুরো নাম লিখতে হয়, তা হলে লিখতে হবে ‘ফার্স্ট নেম , লাস্ট নেম (উদাহরণ বিল - গেটস) = C5”, “D6 শতাংশের হিসেবে কোন সংখ্যা বৃদ্ধি কোনও সেলের সংখ্যার মূল্য শতাংশ হিসেব বৃদ্ধি করতে পারা যায়। যেমন ধরা যাক ২০ শতাংশ। আরও ধরে নিচ্ছি সেল F5 এর আসল মূল্য = F5 + (F5 * 20) / 100 যদি শতাংশের সংখ্যা কোন সেলে নির্দিষ্ট ভাবে রাখা থাকে (উদাহরণ, সেল F5), তবে ফর্মুলা হবে, =F5 * (1 + $F $Z) সূত্র : কম্পিউটার প্রশিক্ষণ, আই আই আই এম