ভূমিকা এটি ভারত সরকারের বিভিন্ন মন্ত্রক, দফতর, স্বশাসিত সংস্থা এবং রাজ্য সরকারগুলি পড়ুয়াদের যেসব বৃত্তি ও পুরস্কার দিয়ে থাকে, সে বিষয়ে তথ্যের অভাব মেটানো ও তথ্যের জোগান দেওয়ার একটি প্রয়াস। এই তথ্যগুলো বিদ্যালয় স্তরের পড়ুয়াদের (প্রথম থেকে দ্বাদশ শ্রেণি) কাজে লাগবে। এটি বিভিন্ন প্রকাশিত তথ্যগুলোকে এক জায়গায় জড়ো করার একটি প্রয়াস। নিখরচায় স্কুল শিক্ষার ব্যবস্থা করা ছাড়াও প্রান্তিক জনগোষ্ঠীকে স্কুল শিক্ষার অঙ্গীভূত করার জন্য ভারত সরকার এবং বিভিন্ন রাজ্য সরকার বহু প্রকল্প, বৃত্তি এবং কর্মসূচি নিয়েছে। এ সবের লক্ষ্য হল, স্কুলছুটের সংখ্যা কমানো, লিঙ্গ বৈষম্য কমানো, পড়ুয়াদের উচ্চ শিক্ষা লাভের জন্য উৎসাহিত করা এবং শিক্ষা ব্যবস্থায় ন্যায় প্রতিষ্ঠা। বিভিন্ন স্তরের জন্য বৃত্তি ও পুরস্কার এখানে যে বৃত্তিগুলির কথা বলা হচ্ছে, সেগুলি প্রথম থেকে দ্বাদশ শ্রেণির পড়ুয়াদের জন্য নির্দিষ্ট। এর মধ্যে কয়েকটি তার পরবর্তী স্তরের ক্ষেত্রেও প্রযোজ্য, তার মধ্য কিছু রয়েছে পেশাগত পাঠক্রমগুলির জন্য এবং কিছু পিএইচডি স্তর অবধি। এগুলি উচ্চ শিক্ষা লাভের সহায়ক। উদাহরণ হিসেবে বলা যায় এনটিএস-এর কথা। এটি নবম শ্রেণি থেকে শুরু হয় এবং পড়ুয়া যোগ্যতার পরিচয় দিলে তা পিএইচডি স্তর পর্যন্ত পেতে পারে। সংক্ষেপে বৃত্তিগুলির ধরন এ রকম- দশম শ্রেণি পূর্ববর্তী বৃত্তি - এগুলি প্রথম থেকে দশম শ্রেণি পর্যন্ত দেওয়া হয়। দশম শ্রেণি পরবর্তী বৃত্তি - এগুলি একাদশ শ্রেণি থেকে দেওয়া শুরু হয়। এর মধ্যে কয়েকটি পিএইচডি স্তর পর্যন্ত পাওয়া যেতে পারে। দশম শ্রেণি এবং তার পরবর্তী স্তর - নবম শ্রেণি থেকে শুরু হয়ে পিএইচডি স্তর পর্যন্ত (উদাহরণ, এনটিএস)। শুধুমাত্র উচ্চ মাধ্যমিক স্তরের জন্য - একাদশ ও দ্বাদশ শ্রেণির জন্য। যেমন সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের মেধাবী ছাত্রীদের জন্য মৌলানা আজাদ বৃত্তি। উচ্চ মাধ্যমিক শ্রেণির জন্য - একাদশ শ্রেণি থেকে পরবর্তী স্তরগুলির জন্য। যেমন, কিশোর বৈজ্ঞানিক প্রোৎসাহন যোজনা। মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক স্তর- শুধুমাত্র নবম থেকে দ্বাদশ শ্রেণির জন্য। যেমন, চাচা নেহরু বৃত্তি। পড়ুয়াদের জন্য জাতীয় ও রাজ্য স্তরের বৃত্তি ও পুরস্কার সংক্রান্ত আরও তথ্যের জন্য Click here কলেজ ও বিশ্ববিদ্যালয়ের পড়ুয়াদের জন্য কেন্দ্রীয় স্তরের বৃত্তিমূলক প্রকল্প কলেজ ও বিশ্ববিদ্যালয় স্তরের জন্য কেন্দ্রীয় সরকারি বৃত্তি ও পুরস্কারের জন্য নিম্নলিখিত পড়ুয়ারা যোগ্য বলে বিবেচিত হবে- ১০+২ বা সমমানের দ্বাদশ শ্রেণির পরীক্ষায় সংশ্লিষ্ট বিভাগে যে সব প্রার্থীরা ৮০ পার্সেন্টাইলের বেশি পাবে। যাদের অভিভাবকদের উপার্জন বছরে ৬ লক্ষ টাকার কম। অনুমোদিত শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে যারা নিয়মিত পাঠক্রমের অধীনে পড়াশোনা করছে (দূরশিক্ষা নয়)। অন্য কোনও বৃত্তি পাচ্ছে না। কলেজ ও বিশ্ববিদ্যালয় স্তরের জন্য কেন্দ্রীয় সরকারি বৃত্তি সংক্রান্ত তথ্য প্রচার করে থাকে সেই রাজ্যের শিক্ষা পর্ষদ এবং সেন্ট্রাল বোর্ড অফ সেকন্ডারি এডুকেশন এবং এরাই এই বৃত্তি ও পুরস্কার কার্যকর করে থাকে। পৃথিবীর বিভিন্ন দেশ সেই দেশগুলিতে উচ্চ শিক্ষা লাভের জন্য ভারতীয় পড়ুয়াদের বৃত্তি দিয়ে থাকে। এগুলিও কার্যকর করে ভারত সরকার। এই নির্বাচন অত্যন্ত কঠোর ভাবে মেধার ভিত্তিতে হয়ে থাকে।