বাল্যবিবাহ দমন আইন, ১৯২৯ অনুযায়ী শিশুর অর্থ ২১ বছরের নীচে পুরুষ এবং ১৮ বছরের নীচে নারী। এই আইনের অন্তর্গত কেউ বাল্য বিবাহ করলে বা বাল্য বিবাহকে সমর্থন করলে, অনুমতি দিলে, যোগাযোগ ঘটালে অথবা কোনও ভাবে যুক্ত থাকলে নিম্নলিখিত ধারায় শাস্তি পেতে পারে : • ১৮ বছরের বেশি কিন্তু ২১ বছরের কম কোনও ব্যক্তি বিবাহ করলে তার ১৫ দিন পর্যন্ত জেল এবং ১০০০ টাকা পর্যন্ত জরিমানা বা এই দু’টোই হতে পারে (ধারা ৩) • ২১ বছরের বেশি কোনও পুরুষ বালিকা বিবাহ করলে তার ৩ মাস পর্যন্ত জেল ও জরিমানা হতে পারে (ধারা ৪) । • যে ব্যক্তি বাল্যবিবাহ করান বা তাতে অংশগ্রহণ করেন তিনি যদি প্রমাণ করতে না পারেন যে তিনি জানতেন না এটা বাল্যবিবাহ, তা হলে তার শাস্তি, ৩ মাস পর্যন্ত জেল ও জরিমানা (ধারা ৫) • যে শিশুর বাবা-মা বা অভিভাবক বাল্যবিবাহ দেন তাঁরাও শাস্তিযোগ্য অপরাধ করেন। (ধারা ৬) বাল্য বিবাহ কি বন্ধ করা যায় বাল্য বিবাহ দমন আইন ১৯২৯ প্রয়োগ করে বাল্যবিবাহ বন্ধ করা যেতে পারে, যদি এ রকম বিবাহ হতে চলেছে বা ব্যবস্থা করা হয়েছে বলে পুলিশে রিপোর্ট করা হয়। পুলিশ তখন ব্যাপারটি নিয়ে তদন্ত করে ম্যাজিস্ট্রেটের কাছে রিপোর্ট পেশ করে। ম্যাজিস্ট্রেট তখন বিবাহের উপর ইনজাংকশন জারি করেন। এটিই হল বিবাহ বন্ধ করার নির্দেশ। কেউ যদি আদালতের আদেশ অমান্য করে তবে তার ৩ মাস জেল ও ১০০০ টাকা পর্যন্ত জরিমানা অথবা দুই-ই হতে পারে। বাল্যবিবাহ অবশ্যই বিবাহ সংঘটিত হওয়ার আগেই বন্ধ করতে হবে, কারণ একবার বিয়ে হয়ে গেলে তখন সেই বিয়েকে কিছুতেই অস্বীকার করা যাবে না। উৎস : পোর্টাল কন্টেন্ট দল