আবাসিক বিদ্যালয় স্থাপনের ব্যাপারে প্রথমেই দেখতে হবে তফশিলি জাতি, উপজাতি ও সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের মধ্য থেকে প্রাথমিক স্তরে অন্তত যেন ৫০টি ছাত্রী পাওয়া যায়। ছাত্রীর সংখ্যা ৫০ এর উপরও হতে পারে যদি যোগ্যতানুসারে তারা আসে। এই ধরনের স্কুলের জন্য সম্ভাব্য তিনটি মডেল পরিশিষ্ট ১ ক, খ ও গ-তে চিহ্নিত করা হয়েছে। ২০০৮ সালের ১ এপ্রিল থেকে নতুন কেজিবিভিগুলিতে সংশোধিত অর্থনৈতিক নীতি চালু হয়েছে। ২০০৭ সালের মার্চ পর্যন্ত স্বীকৃত ২১৮০ টি কেজিভিবি-তে, ২০০৮ সালের ১ এপ্রিল থেকে কেবলমাত্র সংশোধিত আবর্তক অনুদানই দেওয়া হচ্ছে। এ সব স্কুলের প্রয়োজনীয় পরিকাঠামো তৈরির জন্য শিক্ষক শিক্ষণের জন্য প্রয়োজনীয় জিনিসপত্র প্রস্তুত করা এবং সংগ্রহ করে রাখার জন্য প্রয়োজনীয় শিক্ষা সংক্রান্ত সহায়তা, মূল্যায়ন ও নজরদারির ব্যবস্থা করার জন্য ছাত্রীদের ও তার পরিবারদের আবাসিক বিদ্যালয়ে পড়ানোর জন্য প্রেরণা যোগানো বা অনুপ্রাণিত করা। প্রাথমিক পর্যায়ে যে সব মেয়ে কোনও অসুবিধার কারণে তাদের প্রাথমিক বিদ্যালয়ের পড়া শেষ করতে পারেনি অর্থাৎ কিছুটা বয়স্ক মেয়েদের (১০ বছরের বেশি) উপর জোর দেওয়া হবে। যদিও সমস্যাসঙ্কুল জায়গায় (পরিযায়ী জনগণ এবং ছড়ানো ছেটানো বসতির জন্য প্রাথমিক এবং উচ্চতর প্রাথমিক স্কুল নেই) বয়স্ক মেয়েদের পাশাপাশি অল্পবয়সি মেয়েদেরও পড়াশোনার আওতায় নিয়ে আসা হচ্ছে। উচ্চতর প্রাথমিক স্তরে কিশোরীদের উপর বেশি নজর দেওয়া হয়েছে যাতে তারা নিয়মিত স্কুলে যেতে পারে। এই পরিকল্পনায় আবাসিক স্কুলে তফশিলি জাতি, উপজাতি এবং অন্যান্য অনগ্রসর শ্রেণি ও সংখ্যালঘু শ্রেণির মধ্যে থেকে ৭৫ শতাংশ ও দারিদ্রসীমার নীচে বসবাসকারীদের মধ্য থেকে ২৫ শতাংশ মেয়েদের সুযোগ দেওয়া হবে। যেখানে যেখানে সম্ভব, সেখানে প্রতিষ্ঠিত এনজিও এবং বেসরকারি অ-লাভজনক সংস্থা এই স্কুলগুলির পরিচালনা করতে পারেন । কোনও কপোর্রেট সংস্থাও আবাসিক স্কুলের দায়িত্ব নিতে পারেন, তবে সে ক্ষেত্রে নিয়ম ও নীতি হবে আলাদা।