১। এটি তিনটি মডেলে পাওয়া যায় যথা : জল ধারা, কিষান জল ধারা এবং পবন জল ধারা। এই পবন জল ধারা দু’টি মডেলের -- একটি ১ কিলোওয়াট ক্ষমতাসম্পন্ন ও আরেকটি ৩ কিলোওয়াট ক্ষমতাসম্পন্ন। এই পাম্পটি কুয়ো, পুকুর, জলস্রোত, খাল ইত্যাদি জলাশয় থেকে জল তুলতে পারে। বিভিন্ন ধরনের শক্তি ব্যবহার করে এই পাম্প কাজ করে। ২। বিদ্যুতের ব্যাপারে এটি ৬০ শতাংশ, তেলের ইঞ্জিনের ক্ষেত্রে ৬০ শতাংশ, গরু বা অন্য গবাদি পশুর ক্ষেত্রে ১০০ শতাংশ এবং সৌরশক্তি ব্যবহারের ক্ষেত্রে ৬০-৭০ শতাংশ শক্তি সঞ্চয় করতে পারে। এটি কম জ্বালানি বা বিদ্যুতের সাহায্যে চললেও এর কার্যক্ষমতা একটুও কমে না। ৩। এটি টেঁকসই এবং ব্যবহার করা সহজ। ৪। এটি উচ্চমূল্যের ফসলের ক্ষেত্রে সেচের কাজে খুবই কার্যকর। সৌরশক্তি চালিত পাম্প সেটের উপকারিতা সৌরশক্তি চালিত পাম্পসেটের ব্যবহার ইদানীং খুবই জনপ্রিয় হচ্ছে। বিশেষ করে আমাদের দেশের যে সব অঞ্চলে বছরের বেশিরভাগ দিন পর্যাপ্ত সূর্যালোক পাওয়া যায় সেখানে এ ধরনের পাম্প সেটের ব্যবহারের মাধ্যমে সেচের ব্যবস্থা কৃষকরা সুনিশ্চিত করার সুযোগ পাচ্ছেন। সাধারণ বিদ্যুৎ চালিত পাম্প সেটের ক্ষেত্র সমস্যা দুটি। প্রথমত, চাহিদার তুলনায় পিক আওয়ারে বিদ্যুতের জোগান সারা দেশে সমান নয়। বহু রাজ্যে চিহাদার সময় পর্যাপ্ত বিদ্যুৎ উৎপাদন হয় না। সেই সব রাজ্যে লোডশেডিংয়ের সমস্যা প্রচুর। যখন তখন বিদ্যুৎ চলে গিয়ে কৃষককে বেকায়দায় ফেলে দিতে পারে। এখন অনেক জায়গায় সমবায় ভিত্তিতে পাম্প সেটের চালানোর ব্যবস্থা করা হয়েছে। সেই সব ক্ষেত্রে কোনও কৃষক জল ‘বুক’ করা সত্ত্বেও নির্দিষ্ট সময় জল নাও পেতে পারেন। অন্য কৃষকের চাহিদা থাকায় লোডশেডিংয়ের সময় যে কৃষকের ভাগে জল পাওয়ার কথা ছিল ইতিন বঞ্চিত হবেন। সেই কারণে সৌর পাম্পের ব্যবহার বাড়ছে। পর পর কয়েকদিন সূর্যের মুখ দেখা না গেলে সমস্যা হতে পারে এ ছাড়া এই জাতীয় পিভি কোষ চালিত পাম্পের আর কোনও অসুবিধা নেই।বলা বাহুল্য পিভি সেল কিনতে খরচ কিছুটা বেশি লাগে। সূত্রঃ এনআইএফ