উদ্ভাবকের নাম - এস এম মাঙ্গলি, গোডক জেলা, কর্ণাটক এই আবিষ্কারের সুবিধা মি.মাঙ্গলি রেশমকীট প্রতিপালন ট্রে-র (সিল্ক ওয়ার্ম রেয়ারিং ট্রে) আকার, উপাদান, ওজন এবং ব্যবস্থাপনা এমন সুবিধাজনক করেছে গুটিপোকা অনেক বেশি ধরে রাখতে পারে। এ ছাড়াও আরও অনেক সুবিধা মিলছে এই ট্রে ব্যবহার করে। ১। এই উন্নত ধরনের সংশোধিত ট্রেগুলি আয়তাকার, চিরায়ত ট্রেগুলির মতো গোলাকার নয়। তাই এগুলি তাকে রাখতে সুবিধা হয়। ২। তিনি কাঠের টুকরো ও প্লাস্টিকের তার ব্যবহার করে এই ৩ ফুট বাই ৪ ফুটের ট্রে বানিয়েছেন। ফলে এর দাম কম এবং ওজনেও হাল্কা। ৩। এক জন মানুষের পক্ষে এটি নাড়াচাড়া করা সম্ভব। এটি তিনি ৫-৬ ফুট ওপর পর্যন্ত তুলতে পারেন। ৪। এই ট্রেগুলি ব্যবহার করলে তাকে অনেকগুলি ট্রে রাখা সম্ভব হয়। দু’টি ট্রের মধ্যে ব্যবধান ১০-১২ ইঞ্চি পর্যন্ত কমিয়ে আনা সম্ভব হয়। এর ফলে গুটিপোকা রাখার ঘরের ধারনক্ষমতা দ্বিগুণ করা যায়। ৫। এই ট্রেগুলিকে জীবানুনাশক করা সহজ। ব্লিচিং পাউডার বা অন্য যে কোনও কীটনাশকের দ্রবণে ডুবিয়ে এগুলি জীবাণুমুক্ত করা যায়। ৬। এই ট্রের সাহায্যে রেশমকীটকে খাওয়ানো অত্যন্ত সুবিধাজনক। সুস্থ সবল গুটিপোকার চাষ, মৃত গুটিপোকা নষ্ট করা এবং ট্রে পরিষ্কার করা খুবই সহজ। এই ট্রে ব্যবহারের ফলে সহজে সংক্রমণ রোধ করা যায়। ৭| রেশম কীট প্রতিপালনের এই অত্যাধুনিক ব্যবস্থার জন্য এমন কিছু খরচ হয় না। এই ধরনের ট্রে গুলিতে সঠিক মাত্রায় তাপমাত্রা বজায় রাখা সম্ভব হয়। ৮|বাণিজ্যিকভাবে এই ধরনের ট্রের বিক্রয় এখনও তেমন ভাবে শুরু হয়নি। কিন্তু রেশম কীট প্রতিপালন কেন্দ্রগুলিতে এই ট্রের চাহিদা ইতিমধ্যেই অত্যন্ত বেড়ে গিয়েছে। একেবারে ভারতীয় কারিগরীতে তৈরি এই ধরনের ট্রে রপ্তানির ক্ষেত্রেও বিশেষ ভূমিকা নেবে বলে বিশেষজ্ঞদের ধারনা। তবে তার আগে কয়েকটি নিরীক্ষার প্রয়োজন রয়েছে। সূত্র : এনআইএফ