প্রকল্পের মূলধনী খরচের ৯০ শতাংশ পুঁজি খরচ কেন্দ্রীয় অনুদানের মাধ্যমে পাওয়া যায়। সমগ্র গোষ্ঠী ও গার্হস্থ্যশক্তির চাহিদা মেটানোর জন্যপ্রতি উপকৃত বাড়ি পিছু ২০ হাজার টাকা সর্বোচ্চ সীমা ধরা হয়। মূলধনী খরচের বাকি দশ শতাংশ গোষ্ঠী/রূপায়ণকারী সংস্থা/রাজ্য নোডাল এজেন্সিকে সংগ্রহ করতে হয়। গ্রাম শক্তি কমিটির নির্দিষ্ট অ্যাকাউন্টে কেন্দ্রীয় আর্থিক সাহায্যের টাকা নিম্নলিখিত কাঠামো মেনে জমা পড়ে --- অর্থ মঞ্জুরের নির্দেশ-সহ প্রথম কিস্তি – ৫০ শতাংশ প্রকল্পস্থলে যন্ত্রাদি আসার পর দ্বিতীয় কিস্তি – ২৫ শতাংশ সফল ভাবে চালনার পর চূড়ান্ত কিস্তি - ২৫ শতাংশ এই টাকা পাওয়ার জন্যচুক্তিতে লিখিত শর্ত মেনে চলতে হয় এবং অন্তত এক মাস এটি সফল ভাবে কাজ করছে কিনা দেখে নেওয়া হয়। নিম্নলিখিত সহায়ক খরচের জন্যও কেন্দ্রীয় আর্থিক সাহায্যদেওয়া হয় : বিদ্যুৎ ব্যবহারের জন্যআদায়ীকৃত অর্থ থেকে প্রকল্পের উৎপাদন ও সংবহন, রক্ষণাবেক্ষণ ও ব্যবস্থাপনের খরচ চালানো হয়। যদি তা সত্ত্বেও প্রকল্পের অবস্থা সঙ্গিন হয়ে পড়ে তা হলে এটি চালানো, রক্ষণাবেক্ষণ ও ব্যবস্থাপনের জন্যমূলধনী খরচের সর্বোচ্চ দশ শতাংশ অর্থ প্রদান করা হয়। ব্যবহারকারীদের কাছ থেকে অর্থ আদায়ের সব রকম উদ্যোগ যে নেওয়া তার প্রমাণ দেখাতে হবে। একেবারে ধারণার স্তর থেকে প্রকল্প চালু হয়ে যাওয়া পর্যন্ত পেশাদারি চার্জ হিসাবে রূপায়ণকারী সংস্থা মূলধনী খরচের ২০ শতাংশ অর্থ প্রদান করা হবে। তবে এর পরিমাণ গ্রাম পিছু কখনওই ৪ লক্ষ টাকার বেশি হবে না। নজরদারি, অগ্রগতির রিপোর্ট এবং কাজের ফিডব্যাক দেওয়ার জন্য রাজ্যনোডাল এজেন্সিকে সার্ভিস চার্জ হিসাবে মূলধনী খরচের ১০ শতাংশ (গ্রাম পিছু সর্বোচ্চ ২ লক্ষ টাকা) দেওয়া হবে। সচেতনতা বৃদ্ধি, প্রশিক্ষণ, সেমিনার, কর্মশালা প্রভৃতির জন্যসময়ে সময়ে এ সবের মান বুঝে তহবিলের ব্যবস্থা করা হবে। প্রকল্প সম্পূর্ণ হওয়ার পর রূপায়ণকারী সংস্থাকে পেশাদারি চার্জ এবং রাজ্যনোডাল এজেন্সিকে সার্ভিস চার্জ দেওয়া হবে। প্রকল্পের উৎপাদন ও সংবহন, রক্ষণাবেক্ষণ ও ব্যবস্থাপনের খরচ প্রয়োজন অনুযায়ী দেওয়া হবে। মঞ্জুরিকৃত প্রকল্প সফল ভাবে রূপায়িত হওয়া এবং চালু হওয়া সংক্রান্ত শংসাপত্র গ্রাম শক্তি কমিটির হাত থেকে রাজ্যনোডাল কমিটির কাছে আসবে। তার পরই চূড়ান্ত কিস্তির টাকা ছাড়া হবে। গ্রাম পঞ্চায়েত বা যুগ্ম বন ব্যবস্থাপন কমিটি (যেখানে যার দায়িত্ব) গ্রাম শক্তি কমিটির সব অ্যাকাউন্ট অডিট করাবে। নিরীক্ষিত হিসাব এবং ইউটিলাইজেশন সার্টিফিকেট তারাই নির্দিষ্ট ফর্ম্যাট অনুযায়ী পূরণ করে রাজ্যনোডাল এজেন্সির কাছে পাঠিয়ে দেবে। নোডাল এজেন্সি তা মন্ত্রকের কাছে পাঠাবে। সূত্র : Rajiv Gandhi Grameen Vidyutikaran Yojana website