দেশ জুড়ে বড় বড় সৌর বিদ্যুৎ কেন্দ্র গঠন করা এবং একই সঙ্গে সেই বিদ্যুৎ বণ্টনকারী কোম্পানিগুলির উপর খরচের চাপ কমানোর জন্য বেশ কয়েকটি পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে। এগুলি হল-১) বান্ডলিং প্রকল্প; ২) ভায়াবিলিটি গ্যাপ ফান্ডিং; ৩) উৎপাদনভিত্তিক সহায়তা প্রকল্প। প্রথম পর্ব সমান ভাবে নির্ভর করেছিল মূলত উৎপাদনভিত্তিক সহায়তা ও বান্ডলিং প্রকল্পের উপর। মিশনের দ্বিতীয় পর্বের প্রথম ভাগে ভায়াবিলিটি গ্যাপ ফান্ডিংয়ের কথা ভাবা হয়। সোলার এনার্জি কর্পোরেশন অফ ইন্ডিয়া এনভিভিএনের সঙ্গে যৌথ ভাবে এই পদ্ধতিতেই প্রকল্প রূপায়ণের ব্যবস্থা করা হয়। প্রস্তাব এই প্রকল্পে দেশের নানা স্থানে সোলার পিভি (মোট ১০০০ মেগাওয়াট ক্ষমতাসম্পন্ন) বিদ্যুৎ কেন্দ্র তৈরির জন্য কেন্দ্রীয় ও রাজ্য স্তরে নানা পরিকল্পনার মাধ্যমে ‘ভায়াবিলিট গ্যাপ ফান্ডিং’-এর ব্যবস্থা করা হয়েছে। অর্থাৎ প্রকল্প কার্যকর ভাবে রূপায়ণ করার স্বার্থে কিছু টাকা অনুদান হিসাবে প্রদান করার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। ১) রাষ্ট্রায়ত্ত্ব সংস্থাগুলি যেমন এনটিপিসি, এনএইচপিসি, সিআইএল, আইআরইডিএ, ভারতীয় রেলওয়ে প্রভৃতি কোম্পানিগুলির দ্বারা দেশ জুড়ে ১০০০ মেগাওয়াট ক্ষমতা সম্পন্ন সৌর বিদ্যুৎ উৎপাদন ক্ষমতা সৃষ্টি। এর জন্য এই কোম্পানিগুলিকে বিভিন্ন কেন্দ্রীয় ও রাজ্য সরকারের টেন্ডারে অংশগ্রহণ করার অনুমতি প্রদান। একই সঙ্গে এদের রাজ্য সরকারের বিভিন্ন সংস্থাকে বিদ্যুৎ বিক্রি করার ব্যাপারে অনুমোদন প্রদান। এদের পাওয়ার পারচেজ এগ্রিমেন্ট ও পাওয়ার সেল এগ্রিমেন্ট করার ক্ষমতা প্রদান। বিদ্যুতের কী দাম হবে তা যদি আগেভাগে কোনও চুক্তির দ্বারা স্থিরীকৃত না হয় তা হলে কেন্দ্রীয় রেগুলেটরি কমিশন কর্তৃক তা নির্ধারিত হবে। ২) রাষ্ট্রায়ত্ত্ব সংস্থাগুলিকে বলা হয়েছে, তারা কী ভাবে বিদ্যুৎ বিক্রি করছে, কাকে বিক্রি করছে তা ধর্তব্যের মধ্যে না রেখে দেশীয় উৎপাদনকারীদের থেকে সেল বা মডিউল নিলে তবেই সহায়তা প্রদান করা হবে। এই প্রকল্পের আওতায় সাহায্য পেতে গেলে অন্তত ২৫ বছরের জন্য পাওয়ার পারচেজ এগ্রিমেন্ট করতে হবে। সূত্র : কেন্দ্রীয় নতুন ও পুনর্নবীকরণযোগ্য শক্তি মন্ত্রকের ওয়েবসাইট