পৃথিবীতে মিষ্টি জল বিরল পৃথিবীতে প্রাপ্ত জলের মাত্র তিন শতাংশ মিষ্টি জল। বাকি সবটাই সমুদ্রের নোনা জল। পৃথিবীতে প্রাপ্ত মিষ্টি জলের ১১ শতাংশ ভূগর্ভস্থ জল যা ৮০০ মিটার গভীর পর্যন্ত পাওয়া যায়। এই জল তুলে ব্যবহার করা হয়। অত্যধিক জল উত্তোলন এবং আগুপিছু না ভেবে এই জল ব্যাপক ভাবে ব্যবহারের ফলে প্রকৃতির এই অমুল্য ভাণ্ডার নিঃশেষিত হতে চলেছে। এর গুণমান এবং পরিমাণ দুটিই কমছে। পৃথিবীতে মিষ্টি জল বণ্টন ৭৭ শতাংশ গ্লেসিয়ার ও আইস ক্যাপ, ৮০০ মিটার গভীর পর্যন্ত ১১ শতাংশ, ৮০০ মিটারের নীচে ১১ শতাংশ এবং বাকি ১ শতাংশ হ্রদ, জলস্রোত ও নদী। ভূগর্ভে জল রিচার্জ করার পদ্ধতি ও প্রযুক্তি গ্রামীণ এলাকায় জলবিভাজিকাকে একটা ইউনিট হিসাবে ধরে বৃষ্টির জল সংরক্ষণ করা হয়। ভূতলে জল ছড়িয়ে দেওয়ার পদ্ধতিটি বহুল ব্যবহৃত। কারণ এর ফলে প্রচুর জল রিচার্জ করা যায়। ঢাল বেয়ে, ছোট নদী বা বড় নদী দিয়ে বা নালা দিয়ে প্রবাহিত হয়ে জল যাতে নষ্ট না হয় তার জন্য নিম্নলিখিত পদ্ধতিগুলি কাজে লাগানো যায় --- শহুরে এলাকায় গ্রামীণ এলাকায় ছাদে সংগৃহীত বৃষ্টির জল/গড়িয়ে যাওয়া বৃষ্টির জল রিচার্জ পিট রিচার্জ ট্রেঞ্চ টিউবওয়েল রিচার্জ ওয়েল বৃষ্টির জল সংরক্ষণ গালি প্লাগ ঢাল (কন্টুর) বাঁধ গ্যাবিয়ন স্ট্রাকচার পারকোলেশন ট্যাঙ্ক চেক ড্যাম/সিমেন্ট প্লাগ/ নালা বাঁধ রিচার্জ শ্যাফ্ট ডাগওয়েল রিচার্জ গ্রাউন্ড ওয়াটার ড্যাম/সাব-সারফেস ডাইক বৃষ্টির জল সংরক্ষণ করার জন্য ব্যক্তিগত স্তরে অনেকে উদ্যোগী হতে শুরু করেছেন। পাহাড়ি এলাকায় বৃষ্টির জল সংরক্ষণের জন্য পঞ্চায়েত থেকে উদ্যোগ নেওয়া হয়। পাহাড়ি এলাকায় জল সঙ্কট মেটাতে বৃষ্টির জল গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। বৃষ্টির জল দীঘর্ সময়ের জন্য সংরক্ষণ করা ও তা পানীয়র উপযোগী পরিশ্রুত করার জন্যবেশ কয়েকটি মডেল আবিষ্কৃত হয়েছে। ক্ষেত্র বিশেষে কোন মডেল প্রযোজ্য তা নিয়ে সরকারি পর্যয়ে গবেষণা চলছে। সুত্রঃ PIB,GoI