ভূমিকা গালি প্লাগ ও কন্টু বাঁধের মাধ্যমে ঢালু জায়গায় জল সংরক্ষণের উপযুক্ত ব্যবস্থা করা যায়। এর জন্য বড় ইঞ্জিনায়িরংয়ের দরকার পড়ে না। খুব ছোট কারিগরীর প্রয়োগে স্থানীয়ভাবেই তা করা যায়। তবে দেখতে হবে এই বাঁধ নির্মাণের ফলে অতিরিক্ত নিকাশী জল বা বৃষ্টির জল যেন বসতি অঞ্চলে ্লাবিত না হয়। সেই করণে গালি প্লাগ বা কন্টুর বাঁধ নির্মাণের আগে বিশেষজ্ঞের পরামর্শ নেওয়া জরুরি। অনেক সময় দেখা গিয়েছে গালি প্লাগ তৈরির সময় বর্জ্য পড়ে নিকশীর অভিমুখ বন্ধ হয়ে গিয়েছে। এ ব্যাপারে বিশেষভাবে সতর্ক থাকতে হবে। গালি প্লাগ স্থানীয় পাথর, মাটি, ঝোপঝাড় ব্যবহার করে গালি প্লাগ নির্মাণ করা হয়। বর্ষার সময় পাহাড়ি এলাকায় পাহাড়ের গা বেয়ে নেমে আসা জলধারা, ছোট নদী বা জলের গলিপথে গালি প্লাগ তৈরি করা হয়। গালি প্লাগ মাটি সংরক্ষণ এবং আর্দ্রতা ধরে রাখার ক্ষেত্রে খুবই কার্যকর। পাহাড়ি ঢালু জায়গায় যেখানে একটি ভাঙন বা বাঁক রয়েছে সেখানেই গালি প্লাগ তৈরি করা যেতে পারে। এর মাধ্যমে বাঁধের পিছনে স্থায়ীভাবে অনেকটাই জল ধরে রাখা সম্ভব। ঢাল (কন্টুর) বাঁ জলবিভাজিকায় মাটির আর্দ্রতা দীর্ঘ সময় ধরে রাখার জন্য কন্টুর বাঁধ খুবই কার্যকর ব্যবস্থা। যেখানে কম বৃষ্টি হয় সেই সব এলাকার জন্য এই ধরনের ব্যবস্থা খুবই কার্যকর। এ ক্ষেত্রে মাটির ঢাল বরাবর সমান উচ্চতার ঢালে জল নামার পথ তৈরি করা হয়। বয়ে চলা জল নষ্ট হয়ে যেতে পারে এমন একটা গতিবেগ ধারণ করার আগেই তাকে ধরে রাখার ব্যবস্থা করা হয়। এর জন্য বাঁধগুলির মধ্যে সুবিধাজনক দূরত্ব রাখা হয়। দু’টি ঢাল বাঁধের মধ্যে দূরত্ব কতটা হওয়া দরকার তা নির্ভর করে এলাকার চরিত্র, জমির ঢাল ও মাটির ভেদ্যতার উপর। মাটি যত কোন ভেদ্য হবে, বাঁধের দূরত্ব তত কম হবে। যেখানে মাটির ঢাল মাঝারি এবং ধাপ কাটা নয়, সেখানে এ ধরনের বাঁধ খুবই কার্যকর। সুত্রঃ PIB,GoI