যেখানে ভূস্তরের মাটি অভেদ্য এবং যেখানে এক সঙ্গে প্রচুর বৃষ্টি হয় যার ফলে খুব অল্প সময়ে প্রচুর জল নষ্ট হয় সেখানে গর্ত করে পিট তৈরি করে জল সংরক্ষণ করে ফিল্টার করা হয় এবং পরে বিশেষ ভাবে তৈরি করা রিচার্জ কুয়োর মাধ্যমে ভূগর্ভে সেই জল পাঠানোর ব্যবস্থা করা হয়। এই প্রযুক্তির বৈশিষ্ট্য যে জায়গায় ভূস্তরের তিন মিটার নীচে জল যাওয়ার পক্ষে সুভেদ্য জায়গা পাওয়া যায় সেখানে এই প্রযুক্তি সবচেয়ে উপযোগী। জলস্তরের ৩ থেকে ৫ মিটার নীচে ১০০ থেকে ৩০০ মিটার ব্যাসের রিচার্জ কুয়োটি তৈরি করা হয়। স্থানীয় মাটির প্রকৃতির উপর নির্ভর করে একটি সরু পাইপের সাহায্যে এই কুয়োর সঙ্গে মাটির তলার জলস্তরের সঙ্গে যোগ থাকে। ১.৫ থেকে ৩ মি চওড়া ও ১০ থেকে ৩০ মিটার লম্বা একটি আড়াআড়ি গর্ত খোঁড়া হয়। এই গর্তের পরিমাপ নির্ভর করে ওই এলাকায় কতটা বৃষ্টির জল পাওয়া যায় তার উপর। গর্তের মধ্যিখানে কুয়োটি খৌঁড়া হয়। গর্তের মধ্যে কতগুলি কুয়ো খৌঁড়া হবে তা নির্ভর করে কতটা জল রিচার্জের জন্য পাওয়া যায় এবং স্থানীয় মাটির নীচের পাথরগুলির জল মাটির নীচে পাঠানোর সক্ষমতা কতটা তার উপর। গর্তটি বোল্ডার বড়দানা, নুড়ি ও কাঁকড় দিয়ে ভর্তি করে ফিল্টারের ব্যবস্থা করা হয়। যদি ভূগর্ভস্থ জলস্তর বা অ্যাকুয়াফার ২০ মিটারের বেশি নীচে থাকে তা হলে ২ থেকে ৫ মিটার ব্যাসের এবং ৩ থেকে ৫ মিটার গভীর শ্যালো শ্যাফ্ট তৈরি করা হয়। রিচার্জের জন্য কতটা জল পাওয়া যাবে তার উপর শ্যালো শ্যাফ্টের মাপ নির্ভর করে। শ্যাফ্টের ভিতর ১০০-৩০০ মিমি ব্যাসের রিচার্জ কুয়ো তৈরি করা হয় যার কাজ হল ভূগর্ভের গভীর জলস্তরে জল পাঠানো। শ্যাফ্টের নীচে একটি ফিল্টার দেওয়া থাকে যাতে রিচার্জ কুয়োটি কখনও বুজে না যায়। সুত্রঃ PIB,GoI