ভূমিকা শহরাঞ্চলে বৃষ্টির জল সংরক্ষণের জন্য এ ধরনের ব্যবস্থা গ্রহণ ক্রমশ জনপ্রিয় হচ্ছে। রিচার্জ ট্রেঞ্চ মাধ্যমে সংরক্ষিত বৃষ্টির জল ওই বাড়িতেই প্রয়োজনে ব্যবহার করা যাচ্ছে। অধিকাংশ বহতল বাড়িতে এখন ভূগর্ভস্থ জল ব্যবহারের প্রবণতা বাড়ছে। তার বদলে যদি রিচার্জ ট্রেঞ্চ বসিয়ে বৃষ্টির জল সংরক্ষণের ব্যবস্থা করা যায় তা হলে বহুতলের নিজস্ব প্রয়োজনীয় জলের অনেকটাই বৃষ্টি থেকে পাওয়া সম্ভব হবে। এই জল পাওয়ার জন্য কোনও শক্তি খরচ করতে হবে না। শহরাঞ্চলে বৃষ্টির জল সংরক্ষণের আর একটি প্রযুক্তি হল রিচার্জ ট্রেঞ্চ। রিচার্জ ট্রেঞ্চের বৈশিষ্ট্য যে সব বাড়ির ছাদের এলাকা ২০০-৩০০ বর্গমিটার এবং মাটির অল্প গভীরেই ভূগর্ভে জল পাঠানো যেতে পারে এমন উপযোগী পরিবেশ রয়েছে সেখানে রিচার্জ ট্রেঞ্চ তৈরি করাই যথার্থ প্রযুক্তি। গর্তটি ০.৫ থেকে ১ মিটার চওড়া, ১ থেকে ১.৫ মিটার গভীর এবং ১০ থেকে ২০ মিটার লম্বা করা যায়। কতটা মাপ হবে তা অবশ্য নির্ভর করে কতটা জল সংগ্রহ করার জন্য পাওয়া যাবে তার উপর। পিটটি ৫-২০ সেমি বোল্ডার, ৫-১০ মিমি নুড়ি, বড় দানা বালি (১.৫-২ মিমি) দিয়ে বোঝাই করা হয়। পিটে সব চেয়ে নীচে থাকে বোল্ডার, তার উপরে নুড়ি এবং সব চেয়ে উপরে বালি থাকে যাতে যে বয়ে যাওয়া জল ধরা হবে তার মাটি মোটা দানা বালির উপরে জমা হয় এবং তা সহজেই সরিয়ে নেওয়া যায়। ছাদে একটি জাল ব্যবহার করা হয় যাতে ধুলো ময়লা, গাছের পাতা বা অন্য কঠিন বর্জ্য জলে না মেশে। জমিতে একটি পরিশ্রুতকরণ কক্ষ/সংগ্রহ কক্ষও তৈরি করা যেত পারে যাতে রিচার্জিংয়ের আগে জলকে পরিশ্রুত করে নেওয়া যায়। উপরের স্তরের বালি মাঝেমাঝেই পরিষ্কার করে নিতে হবে। এর ফলে রিচার্জ করার পরিমাণ সব সময় ঠিক থাকবে। বর্ষার প্রথম ধারা বাতিল করার জন্য সংগ্রহ কক্ষের আগে একটি বিকল্প ব্যবস্থা করে নিতে হবে। সুত্রঃ PIB,GoI