<div id="MiddleColumn_internal"> <ul> <li>ডাইজেস্টরের ব্যাস এবং দৈনন্দিন গ্যাস উৎপাদনের পরিমাণ গ্যাস হোল্ডারের নকশা প্রভাবিত করে। গার্হস্থ্য প্লান্টের ক্ষেত্রে গ্যাস হোল্ডারের ক্ষমতা দৈনন্দিন গ্যাস উৎপাদনের ৬০ শতাংশ হয়। ল্যাবরেটরির ক্ষেত্রে গ্যাস হোল্ডারের ক্ষমতা দৈনন্দিন গ্যাস উৎপাদনের ৭০ শতাংশ।</li> <li>ভাসমান ড্রাম প্লান্টের ক্ষেত্রে ডাইজেস্টরের ব্যাসের চেয়ে গ্যাস হোল্ডারের ব্যাস ১৫ সেন্টিমিটার কম হয় এবং এই হিসাবেই অন্যান্য মাপ ঠিক করা হয়। এই হিসাব কাজে লাগিয়ে বিভিন্ন হোল্ডারের মাপ স্থির করা হয়। উপরে যাতে গাদ না জমে তার জন্য গ্যাস হোল্ডারটি চক্রাকারে ঘোরানোর ব্যবস্থা থাকে।</li> <li>স্থায়ী গম্বুজাকৃতি প্লান্টের ক্ষেত্রে গম্বুজের কোণ ১৭০ থেকে ২১০ পর্যন্ত রাখা হয়। এতে ১০০ সেন্টিমিটার জলের চাপ দেওয়া হয়। উচ্চচাপের ফলে গ্যাস পাইপলাইনের ব্যাস কমে যায়। ফলে গ্যাস অনেকটা দূর পর্যন্ত নিয়ে যাওয়া সম্ভব হয়। এই ধরনের প্লান্টের ক্ষেত্রে গম্বুজের উপর থেকে ১০০ সোন্টিমিটার জলের কলমের চাপের তুল্য মাটির চাপ রাখার ব্যবস্থা করতে হয়। গম্বুজের ভালো স্থায়িত্বের জন্য সব সময় প্রথম শ্রেণির ইট ব্যবহার করা উচিত।</li> </ul> </div>