১। নিরাপদে ও সহজে ব্যবহার করা যায়। ২। মূল্যপোযোগী এবং সহজে রক্ষণাবেক্ষণ করা যায়। ৩। রান্নার ন্যূনতম সময় --- এই ভাবে রান্না করলে খাবার ফুটতে ও রান্না করতে সবচেয়ে কম সময় লাগে। ৪। তাপমান বজায় রাখা --- হে বক্স ব্যবহার করলে খাবারের প্রয়োজনীয় তাপমাত্রা ৬ ঘণ্টা ধরে রাখা যায়। হে বাক্সে রাঁধলে ভাতের তাপমাত্রা ৬ ঘণ্টা ধরে ৬১ ডিগ্রিতে রেখে দেওয়া যায়। অন্য দিকে বাইরে ভাতের তাপমাত্রা থাকে ৩৫ ডিগ্রি। ৫। উন্নত মানের খাদ্য --- হে বক্স পদ্ধতিতে রান্না করলে স্বাদ, বর্ণ, গন্ধের বিচারে খাবার অত্যন্ত উন্নত মানের হয়, যা অন্য পদ্ধতিতে হয় না। ৬। যৎসামান্য পুষ্টি হ্রাস --- যে হেতু রান্নার মাধ্যমটি খাদ্যবস্তু দ্বারা পুরোপুরি শোষিত হয়, তাই খুব সামান্যই পুষ্টি হ্রাস হয়। ৭। সম্পদ বাঁচায় --- এই প্রযুক্তি জ্বালানি, অর্থ, সময় ও শ্রম বাঁচাতে সাহায্য করে এবং স্বাস্থ্যকেও ঝুঁকি থেকে আটকায়। রান্নার সময় বাঁচে ৫৮ শতাংশ এবং জ্বালানি খাতে অর্থ বাঁচে ৪৪ শতাংশ। সূত্র : হোম সায়েন্স এক্সটেনশন বিভাগ, হোম সায়েন্স কলেজ অ্যান্ড রিসার্চ ইন্সটিটিউট, তামিলনাড়ু কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়, মাদুরাই- ৬২৫১০৪।