পড়াশোনার জন্য সৌর লণ্ঠন কেরোসিন বাতির তুলনায় অনেক বেশি কার্যকর। এর আলো কেরোসিন বাতির তুলনায় অনেক উজ্জ্বল। ফলে সৌর আলোর সাহায্যে গ্রামে একটি নৈশ কোচিং সেন্টার চালু করা সম্ভব হয়েছে, যে কারণে গ্রামের সার্বিক শিক্ষার মান অনেকটা বেড়েছে। সৌরলণ্ঠনের ব্যবহারের ফলে প্রতিটি পরিবারের কেরোসিন তেলের চাহিদা অনেকটা কমে গিয়েছে। এখন আর তাঁদের খোলা বাজার থেকে কেরোসিন কিনতে হয় না। কমিউনিটি চার্জিং স্টেশন থেকে সৌরলণ্ঠন চার্জ করে তারা অনেকটাই সাশ্রয় করতে পারছে। ফলে গণবণ্টন ব্যবস্থার মাধ্যমে যেটুকু কেরোসিন মিলছে তাই তাঁদের কাছে যথেষ্ট। পদ্ধতির সুষ্ঠু ব্যবহারের ফলে সম্প্রদায়ের মধ্যে সহযোগিতা বাড়ছে এবং সম্প্রদায়ের আর্থিক সম্পদ (গোষ্ঠীর সঞ্চয়) এখন কেরোসিনের বদলে পরিবেশ-বান্ধব সৌরবিদ্যুৎ ব্যবহারের কাজে লাগানো যাচ্ছে টাকাকড়ির হিসাব ডেভেলপমেন্ট রিসার্চ কমিউনিকেশন অ্যান্ড সার্ভিস সেন্টারের (ডিআরসিএসসি) অবদান --- ৯ হাজার টাকা করে দু’টি সোলার প্যানেলের দাম ১৮ হাজার টাকা। সোলার প্যানেল বসানোর খরচ ১৫০০টাকা। দু’টি সার্কিট বক্স এবং একসঙ্গে বহু সৌর লণ্ঠন চার্জের জন্য তারের খরচ ১৫০০টাকা। প্রতিটি সৌরলণ্ঠনের দাম ৯০০টাকা ধরে ১৬টি সৌরলণ্ঠনের মোট দাম ১৪৪০০টাকা। কলকাতা থেকে নারায়ণপুর পর্যন্ত সৌরলণ্ঠন নিয়ে যাওয়ার খরচ ৬ হাজার টাকা। ডিআরসিএসসির মোট অবদান ৪১৪০০টাকা। সম্প্রদায়ের অবদান একতলা বাড়ির ছাদে তিনটি সোলার প্যানেল বসানোর খরচ (চার জন মজুর ৫০ টাকা হিসেবে) ২০০টাকা। ছাদে কাঠামো লাগানোর মালপত্র ও লেবার চার্জ ৫০০ টাকা। সোলার প্যানেলের জন্য লোহার কাঠামো ও তা রঙ করার খরচ ১০০ টাকা। সম্প্রদায়ের মোট অবদান ৮০০ টাকা। সূত্র : ডিআরসিএসসি নিউজলেটার, ইস্যু-৬