কেরালার কুইলনের কাছে শক্তিকুলাঙ্কারা বন্দরে ভারত সরকারের জাতীয় গবেষণা উন্নয়ন নিগমের সাহায্যে কেরল সরকারেরর প্লান্টার এনার্জি নেটওয়ার্ক সৌরশক্তিতে মাছ শুকোনোর যে পদ্ধতি ব্যবহার করছে তা আন্তর্জাতিক দৃষ্টি আকর্ষণ করেছে। ২৫ লক্ষ টাকায় নির্মিত এই প্রকল্পে সৌরশক্তিতে চালিত বায়ু গ্রাহক, জৈবভর দ্বারা পরিচালিত গরম হাওয়া উৎপাদক যন্ত্র এবং স্টেইনলেস স্টিলের রিসারকুলেশন ড্রায়ার রয়েছে। শুকনো করার মাপকাঠি নিয়ন্ত্রণ করার এই ব্যবস্থা পুরোপুরি স্বয়ংচালিত। এখানে এক একটা ব্যাচে ৫০০ কিলোগ্রাম মাছ ট্রে ভর্তি ট্রলিতে রাখার ব্যবস্থা রয়েছে। মাছ শুকোনোর সময় নির্ভর করে কী মাছ শুকোনো হচ্ছে তার উপর। মোটামুটি চার থেকে বারো ঘন্টার মধ্যে মাছ শুকোনো যায়। খরচ বেঁচেছে ৪৫ শতাংশ ইউরোপীয় ইউনিয়নের স্বাস্থ্যমান অনুসারে শুকনো মাছ প্যাকেটে ভরা হয়। প্রোজেক্ট ডেভেলপারদের দাবি, এই প্রকল্প শুরু হওয়ার পর থেকে এই প্রযুক্তি ব্যবহার করে ৪৫ শতাংশ খরচ বাঁচানো সম্ভব হয়েছে। এর সাফল্যে অনুপ্রাণিত হয়ে ন্যাশনাল ফিশারিজ ডেভেলপমেন্ট বোর্ড এই পদ্ধতিকে গোটা ভারতে ছড়িয়ে দেওয়ার পরিকল্পনা করেছে। ভারতে প্রায় ১৮ হাজার কিলোমিটার বিস্তৃত সমুদ্রতট রয়েছে যা মূলত মাছ ধরার কাজে ব্যবহৃত হয়। ওমান এই প্রযুক্তিতে মাছ শুকতে আগ্রহী। ইতিমধ্যে সেখানকার সরকার কেরালা সরকারের সঙ্গে এই প্রযুক্তি নিয়ে কথাবার্তা বলেছে। আরও তথ্যের জন্য : http://www.nrdcindia.com