শুধুমাত্র প্রেসার হাই হলেই যে আমাদের ডাক্তারের কাছে ছুটতে হবে এমনটা নয়৷ প্রেসার লো হয়ে গেলেও অনেক সময় ডাক্তারের কাছে যেতে হয়৷ বিভিন্ন রোগ থেকে লো-প্রেসার হতে পারে আবার লো-প্রেসার থেকেও শরীরে অনেক সমস্যা দেখা দিতে পারে৷ জানাচ্ছেন বিশিষ্ট চিকিৎসক ডঃ সাগ্নিক মুখোপাধ্যায়৷ সাধারনত, লো-প্রেসার বলতে আমরা কি বুঝি? মেডিক্যাল সায়েন্সের ভাষায় যখন সিস্টোলিক ৯০ এর নীচে এবং ডায়াস্টোলিক ৬০ এর নীচে থাকে তখন প্রেসার লো হয়ে যায়৷ কোন কোন রোগ থেকে লো-প্রেসার হতে পারে? ১. হার্টের রোগ ২. অ্যাডিসন্স ডিজিস (অ্যাড্রেনাল গ্রন্হির সমস্যা) ৩. ডি-হাইড্রেশন ৪. অ্যানিমিয়া ৫. তাপমাত্রার তারতম্যের জন্য ৬. বেশ কিছু ঔষুধের সাইড এফেক্ট যেমন হাই প্রেসারের ঔষুধের সাইড এফেক্ট-এ প্রেসার লো হয়ে যেতে পারে৷ ৭. কারোর কারোর নার্ভের সমস্যা থেকে প্রেসার লো হয়ে যেতে পারে৷ লো-প্রেসার হলে কি কি সমস্যা হতে পারে? ১. বসা অবস্হা থেকে হঠাৎ উঠে দাঁড়ালে চোখে অন্ধকার লাগে৷ কারন তখন মস্তিষ্কের রক্ত সঞ্চালন বন্ধ থাকে৷ ২. মাথা ঘোরা এবং বমিভাব ৩. ইউরিন কমে যাওয়া৷ চিকিৎসকের বিশেষ পরামর্শ ১. বহু মানুষের লো-প্রেসার থাকলেও কোনো রোগ থাকে না৷ ২. লো-প্রেসার হলে ভিটামিন জাতীয় ঔষুধ খেয়ে কোনো লাভ হয় না৷ ৩. উপযুক্ত চিকিৎসায় লো-প্রেসার সাড়ে৷ ৪. লো-প্রেসার হলেই নুন-চিনির জল খেতে হবে এমন কোনো কথা নেই ৷ এক্ষেত্রে চিকিৎসকের পরামর্শ নিন৷ সূত্র: 24x7 Kolkata