প্রসব সংক্রান্ত জটিলতায় ভারতে প্রতি বছর প্রায় ৫৬,০০০ মহিলা মারা যান। একই ভাবে প্রতি বছর ১৩ লক্ষেরও বেশি শিশু মারা যায় জন্মের এক বছরের মধ্যে। এর মধ্যে ৯ লক্ষ অর্থাৎ প্রায় দুই তৃতীয়াংশ শিশু মারা যায় জন্মের প্রথম চার সপ্তাহের মধ্যে। এ ছাড়া প্রায় ৭ লাখ শিশু মারা যায় জন্মের এক সপ্তাহের মধ্যে। এর মধ্যে অধিকাংশই ঘটে জন্মের প্রথম দু’দিনের মধ্যে। মা এবং শিশু মৃত্যুর সংখ্যা কমিয়ে আনতে জাতীয় গ্রামীণ স্বাস্থ্য মিশনের অধীনে প্রজনন এবং শিশুর স্বাস্থ্য সংক্রান্ত কর্মসূচি নেওয়া হয়েছে। প্রাতিষ্ঠানিক প্রসবের প্রসারে এই কর্মসূচি নেওয়া হয়েছে যাতে দক্ষ কর্মীদের তত্ত্বাবধানে প্রসব করানো যায় এবং প্রসব সংক্রান্ত মৃত্যু কম করা যায়। এ জন্য জননী সুরক্ষা যোজনা সহ একাধিক উদ্যোগ নিয়েছে স্বাস্থ্য এবং পরিবার কল্যাণ মন্ত্রক। যার ফলে প্রাতিষ্ঠানিক প্রসব ব্যাপক হারে বেড়েছে। প্রতি বছর এক কোটির বেশি মহিলা এই প্রকল্পে উপকৃত হচ্ছেন। জননী সুরক্ষা যোজনা খাতে ব্যয়ের পরিমাণও প্রতি বছর ১৬০০ কোটি টাকা ছাপিয়ে যাচ্ছে। লক্ষ্য মাতৃত্বকালীন মৃত্যুর হার কমানো এবং শিশু মৃত্যুর হার কমানো। বিপিএল পরিবারের মধ্যে প্রতিষ্ঠানিক প্রসবের সংখ্যা বাড়ানো। উদ্দিষ্ট গোষ্ঠী বিপিএল পরিবারভুক্ত সমস্ত গর্ভবতী মহিলা যাঁদের বয়স ১৯ বা তার বেশি, এবং এই সাহায্য দু’টি জীবিত শিশুর জন্ম পর্যন্ত