যখন কোনও ব্যক্তির কম হলেও দৃষ্টিশক্তি থাকে অর্থাৎ কমপক্ষে আলো বুঝতে পারে কিন্তু সাধারণ চশমা দ্বারা তা সংশোধন বা উন্নতি করা যায় না, আবার অন্য কোনও বিশেষ চিকিৎসাও নেই এ রূপ অবস্থাকে ক্ষীণ দৃষ্টি বলে। অন্য কথায় যখন কোনও ব্যক্তি আলো বুঝতে পারে কিন্তু তার দৃষ্টি ৬/১৮ এর নীচে তখন তাকে ক্ষীণ দৃষ্টি বলে। শিশুদের মধ্যে ক্ষীণ দৃষ্টির প্রভাব খুব কম। বড়রাই ক্ষীণ দৃষ্টিতে বেশি আক্রান্ত হয়ে থাকে। লক্ষণ দৃষ্টি ক্ষমতা কম অর্থাৎ কম দেখতে পাবে। দৃষ্টি পরিধি অর্থাৎ এরিয়া কম হবে। দৈনন্দিন কাজকর্ম করতে সময় বেশি লাগবে। সক্রিয় ভাবে (নিজে নিজে) কাজ করতে অসুবিধা বোধ করবে। সময় ধরে কাজ করতে ক্লান্তি বোধ করবে এবং মাঝে মাঝে বিশ্রাম নেবে। চিকিৎসা এই রোগের চিকিৎসা মূলত পুনর্বাসনমূলক। রোগীদের প্রয়োজনমতো বিভিন্ন প্রকার দৃষ্টি সহায়ক বস্তু দিয়ে রোগীদের যে দৃষ্টি অবশিষ্ট আছে তা যেন আর ক্ষতিগ্রস্ত হয়ে কমে না যায় তার ব্যবস্থা করা। ক্ষীণ দৃষ্টি রোগীদের যে সব দৃষ্টি সহায়ক দেওয়া হয় তা নিম্নরূপ- দূরে দেখার জন্য টেলিস্কোপ মনোকুলার টেলিস্কোপ বাইনোকুলার টেলিস্কোপ হ্যান্ডহোল্ড টেলিস্কোপ কাছে দেখার ম্যাগনিফায়ার হ্যান্ড ম্যাগনিফায়ার – আলো সহ, আলো ছাড়া স্ট্যান্ড ম্যাগনিফায়ার বার ম্যাগনিফায়ার ডোম অ্যান্ড বার ম্যাগনিফায়ার ফোন্ডেবল ম্যাগনিফায়ার পকেট ম্যাগনিফায়ার সি সি টিভি সাদা-কালো ও রঙিন প্রাশয়ই জিজ্ঞাস্য প্রশ্নাবলি প্রশ্ন ১ : ক্ষীণ দৃষ্টি কাকে বলে? যখন কোনও ব্যক্তির কম হলেও দৃষ্টি শক্তি আছে অর্থাৎ কমপক্ষে আলো বুঝতে পারে কিন্তু সাধারণ চশমা দ্বারা তা সংশোধন বা উন্নতি করা যায় না, আবার অন্য কোনও বিশেষ চিকিৎসাও নেই এ রূপ অবস্থাকে ক্ষীণ দৃষ্টি বলে। প্রশ্ন ২ : ক্ষীণ দৃষ্টিতে সাধারণত কারা বেশি আক্রান্ত হয়? বড়রাই ক্ষীণ দৃষ্টিতে বেশি আক্রান্ত হয়ে থাকে। প্রশ্ন ৩ : ক্ষীণ দৃষ্টির লক্ষণগুলো কী? দৃষ্টি ক্ষমতা কম অর্থাৎ কম দেখতে পাবে। দৃষ্টি পরিধি অর্থাৎ এরিয়া কম হবে। দৈনন্দিন কাজকর্ম করতে সময় বেশি লাগবে। সক্রিয় ভাবে (নিজে নিজে) কাজ করতে অসুবিধা বোধ করবে। সময় ধরে কাজ করতে ক্লান্তি বোধ করবে এবং মাঝে মাঝে বিশ্রাম নেবে। তথ্য সূত্র : http://infokosh.plandiv.gov.bd/atricle/ক্ষীণ-দৃষ্টি