প্রাপ্ত বয়স্ক মানুষের স্বাভাবিক রক্তচাপ ১১০ – ১৩০ / ৭০ – ৯০। বয়সের সঙ্গে সিস্টোলিক অর্থাৎ উপরের রক্তচাপ বাড়ে। ডায়াস্টোলিক বা নীচেরটা মোটামুটি একই থাকে বা সামান্য কমতে পারে। আগে ভাবা হত ডায়াস্টোলিক প্রেশার বেশি থাকা বিপজ্জনক। এখন জানা গেছে দু’ ধরনের প্রেসার বাড়াই সমান বিপজ্জনক। রক্তচাপ কেন বাড়ে প্রায় ৯৮ শতাংশ ক্ষেত্রে কারণ জানা যায় না। রোগ আসে বংশানুক্রমে। বাবা-মায়ের থাকলে সন্তানের হাওয়ার আশঙ্কা ৬৫-৭০ শতাংশ। এক জনের থাকলে ৩০ – ৪০ শতাংশ। শতকরা ২ – ৩ জন মানুষের কিছু অসুখ থেকে রক্তচাপ বাড়ে। যেমন কিডনি বা এন্ডোস্ক্রিন গ্ল্যান্ডের অসুখ, কোয়ার্কটেনশন অফ এওরটা, পরফাইরিয়া, হাইপার ক্যালসিয়াম। ঠেকানো যায়? সতর্ক হলে কিছুটা যায়। যেমন — ওজন ঠিক রাখা। বিশেষত বাচ্চাদের। ছোট বয়সে ওজন বেড়ে গেলে পরে কমানো মুশকিল। এঁদের রক্তচাপ বাড়ার আশঙ্কা বেশি। কাঁচা নুন বাদ, রান্নায় কম নুন, নোনতা খাবার খাওয়া কমানো। বাচ্চাদের কিডনির অসুখ হলে যত তাড়াতাড়ি সম্ভব সারিয়ে ফেলা। ঘন ঘন প্রস্রাবে সংক্রমণ হলে তার চিকিত্সা করা। বুঝবেন কী করে অনেক সময় বোঝা যায় না। অন্য কারণে ডাক্তার দেখাতে গিয়ে জানা যায়। এ ছাড়া কিছু উপসর্গ আছে যা রক্তচাপ বাড়ার জন্যও হতে পারে। যেমন — মাথাব্যথা, বিশেষ করে মাথার পিছনে। সকালে ঘুম থেকে ওঠার পর ব্যথা শুরু হয়। দু’ চার ঘণ্টা পরে কমে যায়। মাথা ঘোরা বুক ধড়ফড় মনোযোগের অভাব ক্লান্তি, হাঁপ ধরা মাংসপেশির দুর্বলতা পা ফোলা বুকব্যথা নাক দিয়ে রক্ত পড়া।