উপসর্গ দেখা দিলে রক্তের টি থ্রি, টি ফোর, টি এস এইচ মাপা হয়। সামান্য কিছু ক্ষেত্রে থাইরয়েড মাইক্রোজোমাল অ্যান্টিবডি এবং থাইরোগ্লোবুলিন পরীক্ষা করা হয়। হাইপো থাইরয়েডিজমে লিভোথাইরক্সন খেতে হয়। হাইপার থাইরয়েডিজমে কার্বিজোল খেলে দু-এক বছরে অবস্থা নিয়ন্ত্রেণ আসে। ওষুধ বন্ধও করে দেওয়া যায়। লিভোথাইরক্সিনের প্রতিক্রিয়ায় হাত পা কাঁপা, বুক ধড়ফড় বা হৃদরোগ থাকলে বেড়ে যেতে পারে। কাজেই চিকিত্সা করার আগে হৃদরোগ আছে কি না দেখে নেওয়া হয়। হঠাৎ ওষুধ বন্ধ করা উচিত নয়। উপসর্গ নতুন করে ফিরে এলে সামলানো কঠিন। হাইপার থাইরয়েডিজমের ওষুধে সাময়িক ভাবে শ্বেত রক্তকণিকা কমে যেতে পারে। ফলে জীবাণু সংক্রমণ, জ্বর, গলা ব্যথা হতে পারে। সঠিক নজরদারিতে তা ঠিক হয়ে যায়। ওষুধে কাজ না হলে হাইপার থাইরয়েডিজমে রেডিও অ্যাকটিভ আয়োডিন দিয়ে চিকিত্সা হয়। গ্ল্যান্ড খুব বড় হয়ে গেলে বা ক্যান্সার হলে অনেক সময় অপারেশন করতে হয়। অপারেশনের পর নিয়মিত ওষুধ খেলে অবস্থা নিয়ন্ত্রণে থাকে। খাওয়া-দাওয়া কোনও বারণ নেই। সামান্য কিছু ক্ষেত্রে বাঁধাকপি, ওলকপি, পালংশাক, শর্ষেশাক খেতে নিষেধ করা হয়। ডাক্তারের পরামর্শমতো চলুন। হাইপো থাইরয়েডিজমে ওজন বাড়ে। চিকিত্সা এবং ডায়েটিংয়ে ওজন কমার কথা। না কমলে সমূহ বিপদ। কারণ এঁদের এমনিতেই করোনারি আর্টারি ডিজিজ এবং হাইপার লিপিডেমিয়ার প্রবণতা থাকে। ওজন বাড়লে তা আরও বাড়ে। তথ্য : ডাঃ মণি ছেত্রী