অনেক সময় বাচ্চা জন্মায়ই চোখে গ্লকোমা নিয়ে। কী কারণে এমন হয় তা সঠিক জানা নেই। একে বলে জন্মগত গ্লকোমা। পরিবারে ঘনিষ্ঠ আত্মীয়দের মধ্যে কারও থাকলে হয় অনেক সময়। এর নাম প্রাইমারি গ্লকোমা। সেকেন্ডারি গ্লকোমা হতে পারে অনেক কারণে যেমন — চোখে সংক্রমণ, যেমন, কর্নিয়াল আলসার, আইরাইটিস চোখে রক্ত বা পুঁজ জমা চোখের লেন্স ফেটে গেলে বা স্থানচ্যুত হলে ছানি পুষে রাখলে চোখে টিউমার হলে দীর্ঘদিন স্টেরয়েড ব্যবহার করলে চেখে চোট লেগে। কী করে বুঝবেন জন্মগত গ্লকোমায় বাচ্চার চোখ খুব বড় হয়, একে বলে বুলস আই। চোখের সাদা অংশ নীলচে হতে থাকে। মণির উপর সাদা দাগ দেখা দেয়। ব্যথা থাকে না। সমস্যা হয় দু’ চোখেই। প্রাইমারি গ্লকোমা দু’ ধরনের, ওপেন অ্যাঙ্গেল গ্লকোমা এবং অ্যাঙ্গেল ক্লোজার গ্লকোমা। ওপেন অ্যাঙ্গেল গ্লকোমা শুরুতে উপসর্গ দেখে বোঝার উপায় নেই যে এতবড় সমস্যার সূত্রপাত হচ্ছে। তা-ও কিছু ক্ষেত্রে একটু সতর্ক হয়ে চলুন। যেমন — বেশ কিছু দিন ধরে চোখে কম দেখছেন, বিশেষ করে রাত্রে। দৃষ্টির পরিধি কমে আসছে ধীরে ধীরে। কাছের পাওয়ার ঘন ঘন বাড়ছে। চোখের কাজ বেশি করলে চোখ ভারী হয়ে উঠছে, ব্যথা হচ্ছে। ডায়াবেটিস আছে এবং সঙ্গে খুব বেশি মাইনাস পাওয়ার আছে চোখে। অ্যাঙ্গেল ক্লোজার গ্লকোমা ছোট ছোট চোখ। চোখে প্লাস পাওয়ারের চশমা, নার্ভাস মহিলা, হঠাৎ এক চোখে তীব্র ব্যথা, লাল, ঝাপসা দৃষ্টি, বমি ইত্যাদি উপসর্গ নিয়ে এলে রোগ নির্ণয় হতে দেরি হয় না। শুরুতে কিছু উপসর্গ থাকতে পারে, যেমন — সন্ধেবেলা চোখ অল্প লাল হয়। মাঝেমধ্যে ব্যথা হয়। এই অবস্থাতেই সতর্ক হলে রোগ বাড়তে পারে না। সেকেন্ডারি গ্লকোমা চোখে ব্যথা দৃষ্টিশক্তি হঠাৎ কমে যাওয়া।