স্কুটার বা মোটর সাইকেল চালালে চোখে ধুলোবালি পড়া এড়াতে সামনে প্লাস্টিকের শিট লাগানো হেলমেট ব্যবহার করুন। রাত্রে গাড়ি চালালে অ্যান্টিগ্লেয়ার চশমা পরে নিতে পারেন। সুবিধে হবে। রোদে অবশ্যই সানগ্লাস পরবেন। পাওয়ার থাকলে পাওয়ার সানগ্লাস। কোয়ালিটি ভাল কি না বুঝতে চোখের লেভেলে একটু দূরে সানগ্লাসটি ধরে তার মধ্যে দিয়ে সামনের কোনও জিনিসের দিকে তাকান। এ বার উপর নীচ বা এ পাশ-পাশ করুন। জিনিসটি যদি আঁকাবাঁকা বা তরঙ্গায়িত দেখায় সানগ্লাস ভালো নয়। গাঢ় রঙের সানগ্লাস না পরাই ভাল। ফটোক্রোমাটিক লেন্স ব্যবহার করতে পারেন। কৃত্রিম চোখের পাতা ব্যবহার না করাই ভালো। অ্যালার্জি না হলে চোখের বাইরের মার্জিনে কাজল বা লাইনার লাগাতে পারেন। চোখের ভিতরে নয়। অ্যালার্জি না হলে মাস্কারা মাঝে মধ্যে চলতে পারে। আইশ্যাডোর ক্ষেত্রেও একই কথা। মাঝেমধ্যে। শোওয়ার আগে ক্রিম অথবা ক্লিনসিং মিল্ক দিয়ে মেক আপ তুলে চোখ ধুয়ে নেবেন। অনেকে আজকাল রঙিন লেন্স পরেন। অ্যালার্জি না হলে ক্ষতি নেই। কম্পিউটারে দীর্ঘ সময় কাজ করলে কম্পিউটার ভিসন সিনড্রোম অর্থাৎ চোখ লাল, জ্বালা করা, চোখ দিয়ে জলপড়া ইত্যাদি হতে পারে। এড়াতে — মনিটরের কনট্রাস্ট কম রাখুন। একদৃষ্টে অনেকক্ষণ তাকিয়ে না থেকে মাঝে মধ্যে পলক ফেলুন। চোখ ব্যথা করলে চোখ বন্ধ করে বিশ্রাম নিন বা জলের ঝাপটা দিন। এমনিতেও এক-দেড় ঘণ্টা বাদে মিনিট পাঁচেকের জন্য চোখকে বিশ্রাম দিন। দিনে দু-তিন বার আর্টিফিসিয়াল টিয়ার ড্রপ দিতে পারেন। চশমা পরে ফুটবল, ক্রিকেট খেলবেন না। খেলার সময় কন্ট্যাক্ট লেন্স পরে নেবেন। মধ্য বয়সে উচ্চ রক্তচাপ, ডায়াবেটিস এবং মহিলাদের বাত বা থাইরয়েডের সমস্যা দেখা দিচ্ছে কি না খেয়াল রাখুন। চোখে সমস্যা হলে ডাক্তার দেখান। বিশেষ করে পরিবারে ছানি, গ্লকোমা থাকলে। তথ্য : ডাঃ জ্যোতির্ময় দত্ত