বাচ্চা পেটে থাকাকালীন মায়ের যদি রুবেলা বা জার্মান মিজলস হয়, অপুষ্টিতে ভোগেন, ক্যালসিয়াম বা ভিটামিন ডি–এর ঘাটতি হয়, কোনও কারণে গর্ভফুলে রক্তসঞ্চালন কম হয়, বাচ্চা ছানি নিয়ে জন্মাতে পারে বা অল্প বয়সে ছানি পড়তে পারে। কী করে বুঝবেন চোখের মণিতে দাগ থাকবে। সামনে খেলনা নিয়ে এলে বাচ্চা ধরবে না। ফ্যান, খেলনা বা আলোর দিকে ঘুরে দেখবে না। ছানি এক চোখে হলে ভালো চোখে হাত চাপা দিলে হাত সরিয়ে দিতে চাইবে। কী করবেন চোখের ডাক্তার দেখান। টোটাল ক্যাটারেক্ট এবং ল্যামেলার ক্যাটারেক্টের ক্ষেত্রে দু-তিন মাসের মধ্যে অপারেশন না করালে পরে করেও পুরো দৃষ্টি ফেরত আনা যায় না। বাচ্চ ট্যারা হতে থাকলে বা মণির অস্বাভাবিক নড়াচাড়া শুরু হলে তৎক্ষণাৎ ব্যবস্থা নিন। অপারেশন করতে হয় দু’ বার। প্রথমে অপারেশনে লেন্স বাদ দেওয়া হয়। নকল লেন্স বসানো হয় তিন বছর বয়সে। কী করে ঠেকাবেন গর্ভাবস্থায় মায়ের স্বাস্থ্য, খাওয়াদাওয়ার দিকে নজর রাখুন। শিশু কন্যাকে সময়মতো জার্মান মিজলসের প্রতিষেধক দিন। যাতে তার এই রোগ না হয়। তা হলেই তার সন্তানের জন্মগত ছানির সম্ভাবনা থাকবে। টিকা না নেওয়া থাকলে গর্ভসঞ্চারের আগেই ডাক্তারের সঙ্গে কথা বলে নিন। তথ্য : ডাঃ জ্যোতির্ময় দত্ত