<div id="MiddleColumn_internal"> <h3>কী করে বুঝবেন</h3> <ul> <li>একটা জিনিসকে দু’টো তিনটে করে দেখেন।</li> <li>আলোর চার দিকে রামধনুর ছটা দেখা যায়।</li> <li>চোখের সামনে কালো দাগ দেখা যায়।</li> <li>দূরের দৃষ্টি কমতে থাকে।</li> <li>অনেক আবার সকাল-সন্ধে মোটামুটি ঠিক দেখেন। অসুবিধে হয় চড়া আলোয়। একে বলে ডে ব্লাইন্ডনেস।</li> <li>যথাসময়ে ব্যবস্থা না নিলে দৃষ্টি ঝাপসা হয়ে যায়।</li> </ul> <h3>কী করবেন</h3> <ul> <li>ছানি পাকার অপেক্ষায় থাকবেন না। অসুবিধা হলে অপারেশন করে নিন।</li> <li>চোখের মণি বড় করার ওষুধ বা মাইনাস পাওয়ারের চশমা স্থায়ী সমাধান নয়। বিপদও আছে। ওষুধ বেশি দিন ব্যবহার করলে বা ছানি পাকার অপেক্ষায় বসে থাকলে গ্লকোমা হতে পারে। পাকা ছানি ছিঁড়ে বা ফেটে গিয়ে সেকেন্ডারি গ্লকোমাও হয়। এ সব ক্ষেত্রে পরে অপারেশন করলেও আশানুরূপ ফল হয় না।</li> <li>ডায়াবেটিস থাকলে ছানি দ্রুত বাড়ে। আবার সুগার না কমিয়ে ছানি অপারেশন করা যায় না। কাজেই ডায়াবেটিস কন্ট্রোলে রাখা দরকার।</li> <li>আই ও এল, ফেকো সার্জারি, স্মল ইনসিশন ক্যাটারাক্ট সার্জারি এই তিন ভাবে অপারেশন করা যায়। আই ও এল-এ খরচ কম। কিন্তু বেশি দিন সাবধানতা মেনে চলতে হয়। ফেকো সার্জারিতে পর দিনই কাজে যাওয়া যায়। সেলাইও পড়ে না। তবে খরচ বেশি। স্মল ইনসিশন দুইয়ের মাঝে। আর্থিক ক্ষমতা এবং ছানির ধরনের ওপর নির্ভর করে অপারেশন পদ্ধতি ঠিক করা হয়।</li> <li>আই ও এল এবং স্মল ইনসিশন সার্জারির পর কিছু সাবধানতা মানতে হয় —</li> <ul> <li>সপ্তাহ দুয়েক দিনে সানগ্লাস ও রাত্রে আইগার্ড ব্যবহার করা।</li> <li>নিয়মিত ড্রপ দেওয়া। হাত সাবান দিয়ে ধুয়ে মুছে রোগীকে শুইয়ে চোখের নীচের পাতা টেনে ড্রপ দেবেন। ড্রপারের মাথা যেন চোখে না লাগে। উপরের পাতায় হাত দেবেন না। ওষুধের শিশি মাটিতে পড়ে গেলে ফেলে দেবেন। ওষুধ ফ্রিজে বা রোদে রাখবেন না।</li> <li>চোখ রগড়াবেন না।</li> <li>মাস খানেক ভারী জিনিস তোলা বা নিচু হয়ে জুতোর ফিতে বাঁধা বারণ। ভারী কাজ বা সাঁতার চলবে না।</li> <li>সপ্তাহ ছয়েক দূর ভ্রমণ বাদ।</li> <li>বাদ ধূমপান এবং মদ্য পান।</li> <li>স্নান করার সময় চোখে যেন সাবান, জল, তেল না ঢোকে। সপ্তাহ দুয়েক আলাদা করে মাথা এবং গা ধুয়ে নিন।</li> <li>এক থেকে দেড় মাস চোখের মেক আপ বন্ধ।</li> <li>চুল দাড়ি কাটতে পারেন।</li> </ul> <li>অনেক সময় আফটার ক্যাটারেক্ট হয়। অর্থাত অপারেশনের পর দৃষ্টি আবছা হতে থাকে। মাস তিনেকের মধ্যে ঠিক না হলে ইয়াগ লেসার সার্জারি করতে হয়।</li> <li>মাইক্রোসার্জারির পর সূক্ষ্ম কাজের জন্য অল্প পাওয়ারের চশমা লাগতে পারে।</li> <li>এক চোখ অপারেশনের মাস দুয়েক পর দ্বিতীয় চোখে অপারেশন করা হয়।</li> </ul> <h3>ছানি ঠেকাতে</h3> <ul> <li>ছানি বংশগত রোগ। পরিবারে থাকলে হওয়ার সম্ভাবনা আছে।</li> <li>রোদে ঘুরে কাজ করলে সম্ভাবনা বাড়ে। বাইরে বেরোলে সানগ্লাস পরুন।</li> <li>চোখে আঘাত লাগলে পরবর্তীকালে ছানি পড়তে পারে।</li> <li>অনিয়ন্ত্রিত ডায়াবেটিসে ছানি পড়ার সম্ভাবনা বাড়ে। ডায়াবেটিস আয়ত্তে রাখুন।</li> <li>চোখে বেশি দিন স্টেরয়েড ব্যবহার করা উচিত নয়। হাঁপানি বা বাতের জন্য খেতে হলে মাঝেমধ্যে চোখ পরীক্ষা করান।</li> </ul> </div>