হাতের চোটের মধ্যে এতেই বিপদ বেশি। কাজেই কনুই ফুলে গেছে, প্রচণ্ড ব্যথা, নাড়ানো যাচ্ছে না এ রকম হলে এক্সরে করুন। তাঁর আগে --- হাত গলায় ঝুলিয়ে রাখুন। ব্যথার কমার ওষুধ খান। না ভাঙলে ৫ – ৭ ডিন গলায় ঝুলিয়ে রাখুন। প্রয়োজনে ব্যথার ওষুধ খান। গরম সেঁক দিতে পারেন, মালিশ চলবে না। ব্যথা কমলে বারে বারে কনুই সোজা এবং ভাঁজ করে হাত সচল করুন। ভাঙলে পালস ঠিক থাকলে হাড় সেট করে কাঁধ পর্যন্ত প্লাস্টার করা হয়। ৩ – ৬ সপ্তাহের জন্য। মাঝে মাঝে পালস চেক করতে হয়। ব্যথার ওষুধ লাগে দরকারমতো। প্লাস্টার কাটার পর গরম সেঁক দেওয়া যেতে পারে, মালিশ নয়। কনুই সোজা করার, ভাঁজ করার ব্যায়াম করতে হয়। ঠিকমতো সেট না হলে কনুই বেঁকে যেতে পারে। তখন আবার অপারেশন। প্লাস্টার কাটার পর অনেক সময় কনুই নাড়ানো যায় না। অতিরিক্ত হাড় জমে এ রকম হয়। তখন দরকার ফিজিওথেরাপি। শুরুতেই পালস পাওয়া না গেলে জটিল অবস্থা। তড়িঘড়ি অপারেশন দরকার। ভ্যাসকুলার ও অরথোপেডিক সার্জন মিলে অপারেশন করেন। দেরি হলে রক্ত চলাচল বন্ধ হয়ে আঙুল এবং হাত শুকিয়ে যেতে পারে। আঙুল দুর্বল হয়ে যায় অনেক সময়।