৯০ ডিগ্রি কোণ করে হাত গলায় ঝুলিয়ে দিন। ব্যথা কমার ওষুধ খান। বরফ সেঁক দিন। এক্সরে করুন। এক্সরেতে কিছু নেই গলায় ঝুলিয়ে রাখুন ৫ – ৭ দিন। ব্যথা না কমা অবধি ওষুধ খান। ব্যথা কমে গেলে কাঁধ এবং কনুই-এর ব্যায়াম করুন। কাঁধের হাড় সরে গেলে হাত সেট করে ইংরেজি ভি-এর মতো করে লিউকোপ্লাস্টার দিয়ে বুকের সঙ্গে বেঁধে দেওয়া হয়। থাকে তিন সপ্তাহ। প্রয়োজনে ব্যথার ওষুধ খান। তিন সপ্তাহ পরে ব্যায়াম শুরু করুন। প্রথম দিকে হাত দোলানো, ঘোরানো, আস্তে আস্তে উপর নীচ করা। পরে হাত উপর নীচ করে ধীরে ধরে বৃত্তাকারে ঘোরানো। কাঁধের এই হাড় মূলত মাংসপেশির চাপে সকেটে আটকে থাকে। মাসংপেশি দুর্বল হয়ে গেলে সামান্য কারণেই হাড় আবার সরে যেতে পারে। ৩ – ৪ বার এ রকম হলে অপারেশন করতে হয়। একাধিক বার কাঁধের হাড় সরে গেলে — বাসের উপরের হাতল না ধরে সামনের বা পাশের হাতল ধরুন। সাঁতার, ফাস্ট বোলিং, বর্শা, শটপাট বা ভারী খেলাধূলা বাদ দিন। কাঁধের হাড় ভেঙে গেলে দু’ টুকরো হলে হাত গলায় ঝুলিয়ে রাখুন ৩ – ৪ সপ্তাহ। দরকারমতো ব্যথা কমার ওষুধ খান। ৩ – ৪ সপ্তাহ পর থেকে আস্তে আস্তে কাঁধের ব্যায়াম করুন। হাড় অনেক টুকরো হলে অপারেশন করতে হয়। ভালো ফল হয় না সব সময়।