বাজারের ব্যাগ বওয়া, খুন্তি নাড়া সবেতেই সমস্যা। মাঝেমধ্যেই। তবে নিয়ম মানলে বাড়াবাড়ি ঠেকানো যায়, এই যা বাঁচোয়া। কেন হয় একই ধরনের হাতের কাজ নিয়মিত করলে, যেমন লোহা পাটাই, কয়লা বা খোয়া ভাঙা, খুন্তি নাড়া, অত্যাধিক মোটর সাইকেল চালানো। টাইপিস্ট, স্টেনোগ্রাফার এবং টেনিস খেলোয়াড়দের সমস্যা হয় অনেক সময়। মাঝ বয়সে রোগটি বেশি হয়। কী করে বুঝবেন কনুইয়ের উপরে খানিকটা জায়গা জুড়ে ব্যথা। প্রথমে ভারী কিছু করলে বা কিছু নামাতে গেলে। দু এক দিনে ব্যথা বেড়ে যায়। কিছুই প্রায় করা যায় না হাত দিয়ে। এক্সরে এবং রক্ত পরীক্ষায় তেমন কিছু পাওয়া যায় না। কী করবেন রফিকস্কিব জাতীয় ব্যথা কমানোর মলম লাগিয়ে শুকনো গরম সেঁক দিন। দিনে ১০ মিনিট আলট্রাসনিক রে দেওয়া যেতে পারে। ১০ দিন। হাত মুঠো করে সামনে ছড়িয়ে কব্জি উপর নীচ করতে থাকুন। যখনই সময় পাবেন। যে কাজে ব্যথা হয় তা ক’ দিন বন্ধ রাখুন। মাঝারি ব্যথায় এতেই উপকার হয়। ৫ – ৭ দিনে ব্যথা না কমলে বা শুরু থেকেই মারাত্মক ব্যথা থাকলে হাইড্রোকর্টিসোন ইনজেকশন দিতে হতে পারে। সপ্তাহে একটা করে ৩ – ৪ সপ্তাহ। তথ্য : ডাঃ কুণাল সেনগুপ্ত