ধুলো, জীবাণু, অ্যালার্জেন নাকে এসে ঢুকলে শুরু হয় হাঁচি। উদ্দেশ্য বস্তুটিকে বার করে দেওয়া। সেই অর্থে হাঁচি মঙ্গলজনক। শরীরের প্রোটেকটিভ রিফ্লেক্স। কিন্তু বাড়াবাড়ি হলে মুশকিল। তখন তাকে আয়ত্তে রাখার প্রশ্ন। কারণ ভাইরাস সংক্রমণ অর্থাৎ সাধারণ ফ্লু, ইনফ্লুয়েঞ্জা। অ্যালার্জি। ধুলো, ধোঁয়া, ফুলের রেণু, গন্ধ। ব্যাপারটা খানিকটা জন্মগত, কিছুটা পরিবেশ গত। দীর্ঘদিন কোনও রাসায়নিক, ধুলো বা গন্ধের মধ্যে থাকতে থাকতে তাতে অ্যালার্জি হতে পারে। আচমকা নাকে কিছু ঢুকে গেলেও হাঁচি শুরু হয়। উপসর্গ ভাইরাস সংক্রমণে হাঁচি, নাক বন্ধ, নাক দিয়ে জল পড়া, কাশি, জ্বর, গা হাত-পা মাথাব্যথা, ক্লান্তি, দুর্বলতা। অ্যালার্জি থাকলে ঘুম থেকে ওঠা মাত্র হাঁচি শুরু হয়। সঙ্গে নাক বন্ধ, নাক দিয়ে জল পড়া, মাথাব্যথা। বেলা বাড়লে অন্য উপসর্গ কমলেও হাঁচি থেকেই যায়।