হিটস্ট্রোক দু’ ধরনের। ক্ল্যাসিকাল বা নন এক্সারশনাল হিটস্ট্রোক, এক্সারশনাল হিটস্ট্রোক। প্রথমটিতে আক্রান্ত হন সাধারণত বয়স্ক মানুষেরা। হার্ট বা উচ্চ রক্তচাপের রোগী ঘুমের ওষুধ বা মানসিক রোগের ওষুধ যাঁরা নিয়মিত খান বা নিয়মিত মদ্যপানে অভ্যস্ত তাদের মধ্যে এ ধরনের হিটস্ট্রোক বেশি হয়। দ্বিতীয় ধরনের হিটস্ট্রোক যে কারও হতে পারে। বেশি হয় দিনমজুর, ড্রাইভার বা ট্র্যাফিক পুলিশদের। এক টানা অনেক ক্ষণ চড়া রোদে কাজ করাই এর মূল কারণ। সর্দি শুকিয়ে দেওয়ার কিছু ওষুধ আছে যা খেয়ে চড়া রোদে বেরোলে এর সম্ভাবনা বাড়ে। হিট এক্সারশন এবং হিটস্ট্রোক এড়াতে কয়েকটি নিয়ম মেনে চলুন। যেমন — একটানা বেশিক্ষণ চড়া রোদের নীচে থাকবেন না। খোলামেলা সুতির পোশাক পরুন। ছাতা, রোদ চশমা ব্যবহার করুন। বাইরে বেরোনোর সময় সঙ্গে নিন নুন-চিনি সরবত। জল তেষ্টা পাক বা না-পাক মাঝেমধ্যে দু-এক ঢোক খেয়ে নেবেন। অতিরিক্ত ঘামের জন্যে উচ্চ চাপের রোগীদের রক্তচাপ কমে যেতে পারে। কাজেই ক্লান্ত লাগলে তাঁরাও দু-একবার সরবত খেতে পারেন। তথ্য : ডাঃ রাজীব শিল