<h2 style="text-align: justify; ">গর্ভনিরোধ করতে শুধুই কি পিল খাওয়ার উপরে নির্ভর করেন? জানেন কি আরও অনেক উপায় রয়েছে?</h2> <p style="text-align: justify; "> </p> <p style="text-align: justify; "><img alt="গর্ভনিরোধক কপার টি।" title="গর্ভনিরোধক কপার টি।" src="https://static.vikaspedia.in/media_vikaspedia/bn/images/health/women-health/9aa9cd9b099c9a89a8-9b89829959cd9b09be9a89cd9a4-9b89cd9ac9be9b89cd9a59cd9af/9979b09cd9ad9a89bf9b09a7/9979b09cd9ad9a89bf9b09a79c79b0-9ac9bf9ad9bf9a89cd9a8-9899aa9be/copy_of_imageI5MDMU1P.jpg" class="image-inline" /></p> <p style="text-align: justify; ">আর দায়িত্বটা শুধুমাত্র পুরুষের নয়। মেয়েদেরও এ ব্যাপারে আরও সচেতন হওয়া উচিত। নীচে রইল ৫টি ফিমেল কনট্রাসেপ্টিভের খোঁজ। তবে এগুলির জন্য চিকিৎসকের পরামর্শ আবশ্যক।</p> <p style="text-align: justify; ">১) গর্ভনিরোধক জেল</p> <p style="text-align: justify; ">মেয়েদের জন্য বেশ কিছু গর্ভনিরোধক জেল বা ফোম রয়েছে। নজ্ল বা প্লাস্টিক অ্যাপ্লিকেটরে পাওয়া যায় এই ‘স্পার্মিসাইড’গুলি। ছোট ট্যাবলেটের মতো দেখতে এই অ্যাপ্লিকেটর ইন্টারকোর্সের অন্ততপক্ষে ৫ মিনিট আগে যোনির অনেকটা ভিতরে পুশ করতে হয়। শরীরী উত্তেজনার ফলে অ্যাপ্লিকেটরটি গলে গিয়ে জেলটি বেরিয়ে আসে ও একটি আবরণ তৈরি করে। স্পার্ম এই তরলের সংস্পর্শে এলে নষ্ট হয়ে যায়। তবে এই ধরনের অ্যাপ্লিকেটর ব্যবহার করা উচিত চিকিৎসকের পরামর্শ নিয়েই। এর কোনও সাইড এফেক্ট নেই। বরং এতে যৌন উত্তেজনা বা তৃপ্তি উভয়পক্ষের ক্ষেত্রেই বেড়ে যায়।</p> <p style="text-align: justify; ">২) গর্ভনিরোধক রিং</p> <p style="text-align: justify; ">চিকিৎসকের পরামর্শ নিয়ে যদি যোনির ভিতরে গর্ভনিরোধক রিং স্থাপন করা যায় তবে ৩ সপ্তাহ পর্যন্ত গর্ভধারণের কোনও সম্ভাবনা থাকে না। প্রতিটি পিরিয়ডের পর একটি করে নতুন রিং স্থাপন করতে হয়। ইন্টারকোর্সের সময় একটি বিশেষ হরমোন নিঃসৃত হয় এই রিংগুলি থেকে যা স্পার্মকে অক্ষম করে দেয়। এই রিং অনেকটা অ্যাপ্লিকেটরের মতোই। মেয়েরাই যোনির ভিতরে পুশ করতে পারেন।</p> <p style="text-align: justify; ">৩) গর্ভনিরোধক ইঞ্জেকশন</p> <p style="text-align: justify; ">একটি ইঞ্জেকশন নিলে ৩ মাস পর্যন্ত গর্ভধারণ আটকানো যায় তবে এই ৩ মাসে পিরিয়ড্স হবে না। ডিপো প্রোভেরা হল এমন একটি ইঞ্জেকশন যা গর্ভনিরোধক পিলের পরিবর্ত হিসেবে ৯৯ শতাংশ কার্যকর। এই ইঞ্জেকশন নিতে হয় নিতম্বে বা বাহুতে।</p> <p style="text-align: justify; ">৪) গর্ভনিরোধক প্যাচ</p> <p style="text-align: justify; ">ত্বকের রঙের এই প্যাচটি বিশেষ হরমোনের নিঃসরণ ঘটায়, যা ত্বকের মধ্য দিয়ে শরীরে প্রবেশ করে। একটি প্যাচ এক সপ্তাহ পর্যন্ত কাজ দেয়। একটি মাসের মধ্যে পিরিয়ড্সের সপ্তাহটি বাদ দিয়ে বাকি ৩ সপ্তাহ পরতে হয় এই প্যাচ। তবে চিকিৎসকের পরামর্শ ছাড়া এই প্যাচ কখনোই পরা উচিত নয়, কারণ এতে শরীরে ইস্ট্রোজেনের পরিমাণ বেড়ে যেতে পারে।</p> <p style="text-align: justify; ">৫) আইইউডি</p> <p style="text-align: justify; ">এটি হল এক ধরনের ডিভাইস যা ইউটেরাসে স্থাপন করতে হয়। ভারতে এটি কপার-টি নামেই বেশি পরিচিত। এর মধ্যেও একটি বিশেষ ধরনের হরমোন থাকে যা স্পার্ম নষ্ট করে দেয় ও গর্ভধারণ আটকায়। কপার-টি থাকলে পিরিয়ড্সের উপর কোনও প্রভাব পড়ে না।</p> <p style="text-align: justify; "><strong><i>সুত্র : এবেলা </i></strong></p>