গর্ভপাতে ইচ্ছুক এক জন মহিলাকে অন্তত নীচের তথ্যগুলি জানাতেই হবে: ১. গর্ভপাত করানোর সময় ও পরে কী করা হবে ২. তাঁর কী কী অসুবিধা হতে পারে (যেমন, মাসিক রজঃস্রাবের মতো খিঁচুনি, ব্যথা ও রক্তক্ষরণ) ৩. গর্ভপাত করাতে কতক্ষণ সময় লাগবে ৪. ব্যথা কমানোর জন্য কী কী ব্যবস্থা নেওয়া হবে ৫. পদ্ধতির সঙ্গে জড়িত ঝুঁকি ও জটিলতা ৬. কখন তিনি স্বাভাবিক কাজকর্ম ও যৌনসংসর্গ শুরু করতে পারবেন এবং ৭. পরবর্তী শুশ্রূষা গর্ভপাতের বিভিন্ন পদ্ধতির মধ্য থেকে যদি কোনও একটি নেওয়ার সুযোগ থাকে, তবে গর্ভাবস্থার সময়কাল, মহিলাটির শারীরিক অবস্থা ও সম্ভাব্য ঝুঁকির ভিত্তিতে কোন পদ্ধতিটি উপযুক্ত, সে বিষয়ে মহিলাটিকে পরিষ্কার তথ্য দেওয়ার মতো প্রশিক্ষণ যেন স্বাস্থ্যকর্মীদের থাকে। গর্ভনিরোধ সংক্রান্ত তথ্য ও পরিষেবা : গর্ভনিরোধ সম্পর্কিত তথ্য ও পরিষেবার ব্যবস্থা রাখা গর্ভপাত-সুরক্ষার ক্ষেত্রে খুবই জরুরি, কেননা তার সাহায্যেই মহিলাটি ভবিষ্যতে অবাঞ্ছিত গর্ভাধান থেকে রক্ষা পাবেন। প্রত্যেক মহিলাকে জানানো উচিত যে গর্ভপাতের প্রায় দু’সপ্তাহ পর থেকেই আবার ডিম্বস্ফোটন (ওভিউলেশন) শুরু হয়। সে ক্ষেত্রে গর্ভনিরোধক পদ্ধতি ব্যবহার না করলে আবার তাঁর গর্ভাধানের ঝুঁকি থেকে যাবে। তাঁর প্রয়োজন অনুসারে সঠিক পদ্ধতিটি বেছে নিতে সাহায্য করার জন্য তাঁকে যথাযথ তথ্য দিতে হবে। যদি গর্ভনিরোধক পদ্ধতি কাজ না করার ফলে মহিলাটি গর্ভবতী হয়ে থাকেন, তবে গর্ভনিরোধক পদ্ধতি সঠিক ভাবে ব্যবহৃত হয়েছে কি না, না হলে সেটি ব্যবহারের সঠিক পদ্ধতি কী, অথবা সেই পদ্ধতির বদলে মহিলাটির অন্য কোনও পদ্ধতি ব্যবহার করা উচিত কিনা, এইসব ব্যাপারে তাঁর সঙ্গে স্বাস্থ্যকর্মীদের আলোচনা করা ও তাঁকে পরামর্শ দেওয়া উচিত। কিন্তু শেষ পর্যন্ত মহিলাটির পছন্দই হবে শেষ কথা। মনে রাখতে হবে, গর্ভনিরোধক পদ্ধতি মেনে নেওয়া কিন্তু কোনও মহিলার গর্ভপাতের পূর্বশর্ত হতে পারে না। উৎস : পোর্টাল কন্টেন্ট দল