রেলমন্ত্রী শ্রী অশ্বিনী বৈষ্ণো জানিয়েছেন যে, ২০২৪’য় এনডিএ সরকার ক্ষমতায় আসার পর এই প্রথম অটোমেটিক ট্রেন প্রোটেকশন (এটিপি) অথবা ‘কবচ’ ব্যবস্থায় বিপুল কাজ চলছে। শ্রী বৈষ্ণো আজ শহরে এসেছেন ইস্ট-ওয়েস্ট মেট্রো (গ্রিন লাইন)-র হাওড়া ময়দান থেকে এসপ্লানেড অংশটি পরিদর্শন করতে। শ্রী বৈষ্ণো বলেন, এটিপি এমন এক প্রযুক্তি, যা একদিনে স্থাপন করা যায় না। এর বারবার পরীক্ষা করার প্রয়োজন হয়। তিনি আরও জানান, এমন একটি শংসাপত্র আছে, যাকে বলা হয় সেফটি ইন্টিগ্রিটি লেভেল (এসআইএল)। ক্রমান্বয়ে এই শংসাপত্র এসআইএল – ১, ২, ৩, ৪ - এইভাবে রয়েছে। এসআইএল-৪ হ’ল সর্বোত্তম নিরাপত্তা ব্যবস্থা। শ্রী বৈষ্ণোর বক্তব্য অনুযায়ী, ‘কবচ’ ব্যবস্থা তৈরি হয়েছিল ২০১৬ সালে। এটি তৈরি করতে বিভিন্ন বিষয় খতিয়ে দেখতে হয়। এটি স্থাপন করা থেকে শুরু করে এটির যৌগিক নক্শা, বিভিন্ন রেলপথে চলার উপযোগী করে তোলা এবং সরবরাহকারী বা কারখানার মধ্যে সর্বোত্তম সমন্বয় রাখা-- এক বিপুল কর্মযজ্ঞ। ২০১৬’য় যখন ‘কবচ’ চূড়ান্তভাবে অনুমোদন ও পরীক্ষিত হয়, তখন ‘কবচ’ তৈরির উপযুক্ত পরিস্থিতি অবশ্যই ছিল। শুরুতে উৎপাদন ক্ষমতা ছিল বার্ষিক ৪০ কিলোমিটার এবং বর্তমানে রেলে এই ক্ষমতা বেড়ে হয়েছে ২ হাজার কিলোমিটার। অদূর ভবিষ্যতে এই ক্ষমতা প্রতি বছর ৬ হাজার কিলোমিটার করা হবে। রেলমন্ত্রী আরও জানান, ‘কবচ’ – এর ক্ষমতার নিয়মিত উন্নতিকরণ হয়েছে। নতুন সরবরাহকারী এসেছে, নতুন ক্ষমতাও যুক্ত হয়েছে। কোথায় ভালো রেডিও সিগন্যাল পাওয়া যায়, তা খতিয়ে দেখতে রেলের ইঞ্জিনিয়ারদের রুট রেডিও সমীক্ষা করতে হয়। টাওয়ারের লোকেশনও স্থির করতে হয়। তিনি জানান, প্রায় ১০ হাজার কিলোমিটার রুট রেডিও সার্ভের কাজ চললেও, এর মধ্যে থেকে ৪ হাজার কিলোমিটার রুটের বিস্তারিত প্রকল্প রিপোর্ট তৈরি হয়ে গিয়েছে, যার ভিত্তিতে এই ব্যবস্থা স্থাপনের কাজ শুরু হবে। শ্রী বৈষ্ণো এ প্রসঙ্গে আর-ও বলেন, কেন্দ্রীয় সরকার অত্যাধুনিক ‘কবচ’ ব্যবস্থা গড়ে তুলতে পুরোপুরি দায়বদ্ধ। সূত্র: পিআইবি